ঢাকা ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
উদ্যোক্তা উজ্জল কুন্ডু কৃষিবাংলা সম্মাননা পেলেন জৈবসার যানজট কমাতে বৃত্তাকার সড়কের কাজ দ্রুত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শিশুশ্রম নিরসনে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতি গুরুত্বারোপ আইনপ্রণেতা ও বিশেষজ্ঞদের প্রধানমন্ত্রী বাসভবনের সৌরবিদ্যুৎ থেকে জাতীয় গ্রিডে ১২শ ইউনিট সরবরাহ শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী ট্রাম্পের সঙ্গে নৈশভোজের ছবি শেয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু হাসপাতালে ভর্তি ১,৬০৮ স্কুলে যাওয়ার বাধা দূর হলো তুবা-অয়ন মিত্রের থানা নির্বাহী কর্মকর্তার মানবিক উদ্যোগের নজির বন্যা ও জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারে ১০ দিনের আল্টিমেটাম ক্র্যাবের

ভাসানচর এখন কোন ইস্যুর নয় : শাহরিয়ার আলম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫২:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১ ৩২১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ভাসানচর রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর বিষয়টি এখন আর কোন ইস্যু নয়। এটির সমাধান হয়ে গিয়েছে। জানিয়েছেন বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। বুধবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্ট্যাডিজ (বিআইআইএসএস) আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি একথা জানান।

‘রোহিঙ্গা সংকট: আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাড়াদান ও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া’ শীর্ষক ভার্চ্যুয়াল সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন, শাহরিয়ার আলম।

বিদেশ প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘসহ বিভিন্ন বন্ধুরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা ভাসানচর পরিদর্শন করে সেখানে এমন কোন অসঙ্গতি তারা পাননি। এ ক্ষেত্রে জাতিসংঘের কিছু ছোটখাটো সুপারিশ রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী আশা করেন, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের যেমন সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, এখানেও তা অব্যাহত থাকবে।

শাহরিয়ার আলম বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমরা যেমন অনেক বন্ধুরাষ্ট্রের প্রতি সন্তুষ্ট, তেমনি আবার অনেক বন্ধুরাষ্ট্রের অবদান ও অবস্থান নিয়ে সন্তুষ্ট হতে পারছি না। আবার অনেকের রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য ভূমিকা না রেখে এখানে কীভাবে রাখা যায়, সেই চেষ্টা ছিল। এটা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং।

শাহরিয়ার আলম আরও বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘসহ অন্য রাষ্ট্রের যতটুকু করার আছে তারা এখনো করেনি। তাদের বিষয়ে উপসংহারে আসার মতোও এখনো অবস্থা আসেনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, চীন ও ভারত তাদের সীমান্ত, বাণিজ্য, ভূ-রাজনৈতিক ইত্যাদি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মায়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে চলেছে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারত, চীন, জাপানের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখতে হবে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারতের সিভিল সোসাইটিকে সম্পৃক্ত করতে হবে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে গণহত্যার জন্যই ভারতের সিভিল সোসাইটি আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল। রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারতের সিভিল সোসাইটি সরব হলে ভারত সরকার ভূমিকা নিতে বাধ্য হবে। একইভাবে জাপানের ক্ষেত্রেও একথা প্রযোজ্য।

অধ্যাপক ইমতিয়াজ বলেন, অনেক দেশ রোহিঙ্গা শব্দ ব্যবহার করে না। তারা বলে স্থানচ্যুত। বাংলাদেশকে এ বিষয়ে ভূমিকা নিতে হবে।

মায়ানমার সংকট দ্রুত সমাধান করা না গেলে এই অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা বাড়ার আশংকা রয়েছে বলে উল্লেখ করে বিদেশমন্ত্রকের মহাপরিচালক দেলোয়ার হোসেন বলেন, এই সংকট সমাধানে সবার সমান দায়িত্ব রয়েছে।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আসিয়ানের দেশগুলো রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে অতীতে জোরালো ভূমিকা নেয়নি। আসন্ন আসিয়ান সামিটেও তারা এই সংকট নিয়ে ভূমিকা রাখবে সেটা প্রত্যাশা করা যায় না। মায়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয়ভাবে এই সংকট সমাধান জোর দেন।

সেমিনার সঞ্চালনা করেন বিআইআইএসএস মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এমদাদ উল বারী। এতে আরো বক্তব্য রাখেন সাবকে রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির ও মুন্সী ফয়েজ আহমদ প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :