ঢাকা ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে বড় সাফল্য বাংলাদেশে ৯.২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহ ১১ চীনা প্রতিষ্ঠানের জামালপুর জিরো লাইনে ভারতীয়দের মাটি কাটার চেষ্টা, বাংলাদেশিদের বাধা মাদক পাচারে বদির জায়গা কে নিয়েছে? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে গয়েশ্বর রায়ের প্রশ্ন ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা হাজারো স্বপ্ন, উদ্ধার ১,৪৩০ মরদেহ সফল দেশের স্বীকৃতি ফল উৎপাদনে নতুন উচ্চতায় বাংলাদেশ, বিশ্বে গড়ছে দৃষ্টান্ত দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিং থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুমের শিকার পরিবারের ভাতা বরাদ্দ এই বাজেটেই প্রতিশ্রুতি মির্জা ফখরুলের হামে মৃত্যু ৭০০ ছাড়াল, বাড়ছে উদ্বেগ তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস চীনের: মাহদী আমিন

ভারত সফর শেষে দেশে ফিরে যা বললেন জি এম কাদের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৫:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৩ ২৪৮ বার পড়া হয়েছে

বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন জিএম কাদের ছবি: সংগৃহীত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

চার দিনের ভারত সফর শেষে শেষে বুধবার সন্ধ্যায় সন্ধ্যায় ঢাকায় ফিরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন জিএম কাদের।
ভারত সফর শেষে ঢাকায় ফিরে জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, সেখানে বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে তার খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। কিন্তু কার কার সঙ্গে সে আলাপ-আলোচনা হয়েছে এবং কী বিষয়ে হয়েছে, সে সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কিছু বলতে পারবেন না।

কাদের বলেন, ‘কেননা, ওই আলাপগুলো ওইভাবেই করা হয়েছে। ওনারা যদি প্রকাশ করতে চান, করবেন। আমার পক্ষ থেকে ওনাদের পারমিশন (অনুমতি) ছাড়া কোনো কথা বলতে পারব না।’

জি এম কাদের বলেন, বাংলাদেশে একটি সুন্দর নির্বাচন চায় ভারত; এবং ভারত চায়, নির্বাচনের আগে এবং পরে বাংলাদেশে যাতে কোনো ক্রমেই সহিংসতা, অরাজকতা না হয়।

২০ আগস্ট ভারত সফরে গিয়েছিলেন জাপার চেয়ারম্যান ও সংসদ বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের। স্ত্রী শেরিফা কাদের ও চেয়ারম্যানের আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপদেষ্টা মশরুর মাওলা এই সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন।

বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচনের বিষয়ে ভারতের চাওয়া সম্পর্কে জি এম কাদের বলেন, ওনারা একটা ভালো নির্বাচন দেখতে চান বাংলাদেশে এবং সময়মতো যাতে হয়। নির্বাচনের আগে এবং পরে যাতে কোনো সহিংসতা বা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় অনিশ্চিত কিছু না হয়। তাতে ওনারা খুশি হবেন। কারণ, এখানে ওনাদের অনেক ধরনের বিনিয়োগ আছে।

ভারতের প্রত্যাশার কথা উল্লেখ করে জি এম কাদের বলেন, বাংলাদেশ যদি স্থিতিশীল থাকে এবং সার্বিকভাবে সুন্দর একটা নির্বাচনের মাধ্যমে যদি পরবর্তী সরকার গঠিত হয়, তাহলে তাদের পক্ষে কাজকর্ম করা সহজ হবে। তারা প্রত্যাশা করেন, আমরা সবাই মিলে ওই ধরনের একটি পরিবেশ সৃষ্টি করি, যাতে সুন্দর একটি নির্বাচন হয়। এবং নির্বাচনের আগে এবং পরে দেশে কোনো সহিংসতা, অরাজকতা না হয়, স্থিতিশীলতা কোনো ক্রমেই যাতে নষ্ট না হয়।

নির্বাচন সুষ্ঠু করার বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর যে মতদ্বৈধতা, এ ক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান কী। এ প্রশ্নের জবাবে বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের বলেন, ভারত বলেছে, এটা আপনাদের নিজস্ব ব্যাপার। আমরা চাই, নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এটার সুরাহা করবেন।

এ ক্ষেত্রে ভারতীয় কর্মকর্তারা জাতীয় পার্টিকে উদ্যোগী ভূমিকা নেওয়ার কথাও বলেছেন বলে জানান জি এম কাদের। তাঁরা বলেছেন, যেহেতু জাতীয় পার্টির সবার কাছে একটা গ্রহণযোগ্যতা আছে, তাই সবার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে, সবাইকে একসঙ্গে করে, সুন্দর একটা নির্বাচন করতে পারলে তারা খুশি হবেন।

বর্তমান সংবিধান অনুসারে জাতীয় পার্টি আগামী নির্বাচন অংশগ্রহণ করবে কি না, জানতে চাইলে জি এম কাদের বলেন, ‘এটা আমি অনেকবার বলেছি, আমাদের এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখনো সময় আসেনি। আমরা কী করব, সামনে কারও দিকে যাব কি না, এটা পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। আমরা আরও কিছুদিন জিনিসটা দেখেশুনে তারপর আমরা ঠিক করব। আর নির্বাচন বর্জন করব, এটা কিন্তু আমরা কোনো দিন বলিনি। তবে আমরা চাইব, নির্বাচনটা যাতে ভালো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভারত সফর শেষে দেশে ফিরে যা বললেন জি এম কাদের

আপডেট সময় : ১০:৪৫:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

চার দিনের ভারত সফর শেষে শেষে বুধবার সন্ধ্যায় সন্ধ্যায় ঢাকায় ফিরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন জিএম কাদের।
ভারত সফর শেষে ঢাকায় ফিরে জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, সেখানে বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে তার খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। কিন্তু কার কার সঙ্গে সে আলাপ-আলোচনা হয়েছে এবং কী বিষয়ে হয়েছে, সে সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কিছু বলতে পারবেন না।

কাদের বলেন, ‘কেননা, ওই আলাপগুলো ওইভাবেই করা হয়েছে। ওনারা যদি প্রকাশ করতে চান, করবেন। আমার পক্ষ থেকে ওনাদের পারমিশন (অনুমতি) ছাড়া কোনো কথা বলতে পারব না।’

জি এম কাদের বলেন, বাংলাদেশে একটি সুন্দর নির্বাচন চায় ভারত; এবং ভারত চায়, নির্বাচনের আগে এবং পরে বাংলাদেশে যাতে কোনো ক্রমেই সহিংসতা, অরাজকতা না হয়।

২০ আগস্ট ভারত সফরে গিয়েছিলেন জাপার চেয়ারম্যান ও সংসদ বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের। স্ত্রী শেরিফা কাদের ও চেয়ারম্যানের আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপদেষ্টা মশরুর মাওলা এই সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন।

বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচনের বিষয়ে ভারতের চাওয়া সম্পর্কে জি এম কাদের বলেন, ওনারা একটা ভালো নির্বাচন দেখতে চান বাংলাদেশে এবং সময়মতো যাতে হয়। নির্বাচনের আগে এবং পরে যাতে কোনো সহিংসতা বা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় অনিশ্চিত কিছু না হয়। তাতে ওনারা খুশি হবেন। কারণ, এখানে ওনাদের অনেক ধরনের বিনিয়োগ আছে।

ভারতের প্রত্যাশার কথা উল্লেখ করে জি এম কাদের বলেন, বাংলাদেশ যদি স্থিতিশীল থাকে এবং সার্বিকভাবে সুন্দর একটা নির্বাচনের মাধ্যমে যদি পরবর্তী সরকার গঠিত হয়, তাহলে তাদের পক্ষে কাজকর্ম করা সহজ হবে। তারা প্রত্যাশা করেন, আমরা সবাই মিলে ওই ধরনের একটি পরিবেশ সৃষ্টি করি, যাতে সুন্দর একটি নির্বাচন হয়। এবং নির্বাচনের আগে এবং পরে দেশে কোনো সহিংসতা, অরাজকতা না হয়, স্থিতিশীলতা কোনো ক্রমেই যাতে নষ্ট না হয়।

নির্বাচন সুষ্ঠু করার বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর যে মতদ্বৈধতা, এ ক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান কী। এ প্রশ্নের জবাবে বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের বলেন, ভারত বলেছে, এটা আপনাদের নিজস্ব ব্যাপার। আমরা চাই, নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এটার সুরাহা করবেন।

এ ক্ষেত্রে ভারতীয় কর্মকর্তারা জাতীয় পার্টিকে উদ্যোগী ভূমিকা নেওয়ার কথাও বলেছেন বলে জানান জি এম কাদের। তাঁরা বলেছেন, যেহেতু জাতীয় পার্টির সবার কাছে একটা গ্রহণযোগ্যতা আছে, তাই সবার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে, সবাইকে একসঙ্গে করে, সুন্দর একটা নির্বাচন করতে পারলে তারা খুশি হবেন।

বর্তমান সংবিধান অনুসারে জাতীয় পার্টি আগামী নির্বাচন অংশগ্রহণ করবে কি না, জানতে চাইলে জি এম কাদের বলেন, ‘এটা আমি অনেকবার বলেছি, আমাদের এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখনো সময় আসেনি। আমরা কী করব, সামনে কারও দিকে যাব কি না, এটা পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। আমরা আরও কিছুদিন জিনিসটা দেখেশুনে তারপর আমরা ঠিক করব। আর নির্বাচন বর্জন করব, এটা কিন্তু আমরা কোনো দিন বলিনি। তবে আমরা চাইব, নির্বাচনটা যাতে ভালো হয়।