ঢাকা ০৬:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জব্বারের বলীখেলায় ইতিহাস: হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন বাঘা শরীফ উত্তরাঞ্চলে অতিবৃষ্টির শঙ্কা: সিলেট-সুনামগঞ্জে সাময়িক বন্যার পূর্বাভাস বিয়াম স্কুলে শিশুদের সঙ্গে প্রাণবন্ত সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী উদ্ভাবকদের স্বীকৃতি ও সুরক্ষায় আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উত্তরণ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের ২৯ তম বার্ষিক সাধারণ সভা পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে সংস্কারে জোর দিচ্ছে সরকার : অর্থমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা: নজরদারি বাড়িয়েছে সিটিটিসি নির্বাচনের আগেই অস্থিতিশীলতার ষড়যন্ত্র: জামায়াতকে কড়া জবাব মির্জা ফখরুলের লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম

ভারতে সংরক্ষিত নারী আসন বিল অনুমোদন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩২:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২০৪ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

ভারতীয় পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভায় নারীদের এক তৃতীয়াংশ আসনের নিশ্চয়তা দিয়ে ঐতিহাসিক বিল পাস হয়েছে। ১৯৯৬ সালে প্রথম প্রস্তাবিত বিলটি কয়েক দশক ধরে কিছু রাজনৈতিক দলের বিরোধিতার মধ্যে ঝুলে ছিল।

রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যেই এই বিল পাস হলো। ভারতের রাজনীতিতে পুরুষের চেয়ে নারীদের অংশগ্রহণ অনেক কম। দীর্ঘদিন ধরেই এই বৈষম্য চলে আসছিল।

বুধবার লোকসভা কয়েক ঘণ্টা তীব্র বিতর্কের পরে প্রায় সর্বসম্মতিতে এটি পাস করে। এখন শুধু ভারতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার আইন প্রণেতাদের অনুমোদনের প্রয়োজন। এখানে পাস হলে তা অনুমোদনের জন্য ভারতের রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে এবং আইনে পরিণত হবে।

ভারতের জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। কিন্তু সংসদে মাত্র ১৫ শতাংশ এবং রাজ্য বিধানসভাগুলোয় মাত্র ১০ শতাংশ আসনে নারী আইনপ্রণেতা আছেন। ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ। কিন্তু নারী আইনপ্রণেতাদের অংশগ্রহণের নিরিখে দেশটি অনেক পিছিয়ে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গত মঙ্গলবার ভারতের সংসদের বিশেষ অধিবেশনে এই বিল উত্থাপন করেন। বিলটির পোশাকি নাম, ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’। বিল উত্থাপন করে মোদি সব বিরোধী দলের কাছে এর সপক্ষে সমর্থন চান।

৪৫০ জনের বেশি সংসদ সদস্য বিলের পক্ষে ভোট দেন। দুজন বিরুদ্ধে ভোট দেন। সংসদে ছিলেন না ৮০ জন সংসদ সদস্য। এখন সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভা এবং রাজ্য বিধানসভাগুলোয় এই বিল অনুমোদন দরকার হবে।

সংসদে নারীদের আসন সংরক্ষণের বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে এসেছেন ভারতের লোকসভার সাবেক সদস্য নাজমা হেপতুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘রাজনীতিতে সমানাধিকার পেতে দীর্ঘদিনের অভিযাত্রা ছিল। আজ শেষ পর্যন্ত তা পাওয়া গেল। আজ এক ইতিহাস সৃষ্টি হলো।’

বিলে সংশোধন চেয়ে এর বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন দুই সংসদ সদস্য। তাঁরা হলেন ‘অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন’ (এআইএমআইএম)-এর প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি এবং তার দলেরই সংসদ সদস্য ইমতিয়াজ জলিল। বিপুল গরিষ্ঠতায় বিল পাসের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লোকসভার সংসদ সদস্যদের ধন্যবাদ জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভারতে সংরক্ষিত নারী আসন বিল অনুমোদন

আপডেট সময় : ০৯:৩২:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

ভারতীয় পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভায় নারীদের এক তৃতীয়াংশ আসনের নিশ্চয়তা দিয়ে ঐতিহাসিক বিল পাস হয়েছে। ১৯৯৬ সালে প্রথম প্রস্তাবিত বিলটি কয়েক দশক ধরে কিছু রাজনৈতিক দলের বিরোধিতার মধ্যে ঝুলে ছিল।

রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যেই এই বিল পাস হলো। ভারতের রাজনীতিতে পুরুষের চেয়ে নারীদের অংশগ্রহণ অনেক কম। দীর্ঘদিন ধরেই এই বৈষম্য চলে আসছিল।

বুধবার লোকসভা কয়েক ঘণ্টা তীব্র বিতর্কের পরে প্রায় সর্বসম্মতিতে এটি পাস করে। এখন শুধু ভারতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার আইন প্রণেতাদের অনুমোদনের প্রয়োজন। এখানে পাস হলে তা অনুমোদনের জন্য ভারতের রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে এবং আইনে পরিণত হবে।

ভারতের জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। কিন্তু সংসদে মাত্র ১৫ শতাংশ এবং রাজ্য বিধানসভাগুলোয় মাত্র ১০ শতাংশ আসনে নারী আইনপ্রণেতা আছেন। ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ। কিন্তু নারী আইনপ্রণেতাদের অংশগ্রহণের নিরিখে দেশটি অনেক পিছিয়ে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গত মঙ্গলবার ভারতের সংসদের বিশেষ অধিবেশনে এই বিল উত্থাপন করেন। বিলটির পোশাকি নাম, ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’। বিল উত্থাপন করে মোদি সব বিরোধী দলের কাছে এর সপক্ষে সমর্থন চান।

৪৫০ জনের বেশি সংসদ সদস্য বিলের পক্ষে ভোট দেন। দুজন বিরুদ্ধে ভোট দেন। সংসদে ছিলেন না ৮০ জন সংসদ সদস্য। এখন সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভা এবং রাজ্য বিধানসভাগুলোয় এই বিল অনুমোদন দরকার হবে।

সংসদে নারীদের আসন সংরক্ষণের বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে এসেছেন ভারতের লোকসভার সাবেক সদস্য নাজমা হেপতুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘রাজনীতিতে সমানাধিকার পেতে দীর্ঘদিনের অভিযাত্রা ছিল। আজ শেষ পর্যন্ত তা পাওয়া গেল। আজ এক ইতিহাস সৃষ্টি হলো।’

বিলে সংশোধন চেয়ে এর বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন দুই সংসদ সদস্য। তাঁরা হলেন ‘অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন’ (এআইএমআইএম)-এর প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি এবং তার দলেরই সংসদ সদস্য ইমতিয়াজ জলিল। বিপুল গরিষ্ঠতায় বিল পাসের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লোকসভার সংসদ সদস্যদের ধন্যবাদ জানান।