ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রান্তিক নারীদের আয়বৃদ্ধিমূলক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিতে হবে: বিএনপিএস নদী ভাঙনের হুমকিতে মধ্যনগরের মহিষখলা জাতীয় স্মৃতিসৌধ ট্রাম্প-পুতিনের ফোন আলোচনা ইরান যুদ্ধ ও তেল বাজার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, ১,৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভ্যন্তরীণ তদন্ত দেড় কোটি মানুষ ছাড়ছে ঢাকা, ঈদে জনস্রোত সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ কমার একদিন পরই বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে বেড়েছে ৩,২৬৬ টাকা বিশ্ব ঐতিহ্যের জামদানি বুনেও কষ্টের জীবন রূপগঞ্জের তাঁতিদের ফ্যামিলি কার্ড নারীর ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে: সিপিডি ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য সরকারের: প্রধানমন্ত্রী

ভারতীয় হাই কমিশনের উদ্যোগে ঢাকায় প্রাক্তন শিক্ষার্থী সম্মিলন

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৮:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর ২০২১ ৩১২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি ভারতীয় হাইকমিশন

ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশন ভারতের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নকারী এবং পেশাদার কোর্সে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশী প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জন্য একটি মিলনমেলার আয়োজন করেছে। ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী এবং আইসিসিআরের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মৌলানা আবুল কালাম আজাদের জন্মবার্ষিকীতে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া অ্যালামনাই রি-ইউনিয়ন ২০২১ শীর্ষক এই প্রাক্তন শিক্ষার্থী সম্মিলন অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকায় বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন (আইইবি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে বিশেষ আকর্ষণ ছিল বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন এক সংবাদ বার্তায় এতথ্য জানায়।

এ পর্যন্ত ১০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি নাগরিক ভারত সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণ করেছেন। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় সাংস্কৃতিক সম্পর্ক পরিষদ (আইসিসিআর), আয়ুর্বেদিক যোগ ইউনানি সিদ্ধ হোমিওপ্যাথি (আয়ুষ), ভারতীয় কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা (আইটিইসি) বৃত্তি প্রকল্পসমূহের পাশাপাশি ভারতে অধ্যয়ন (এসআইআই) ও স্ব-অধ্যয়ন প্রকল্প (এসএফএস)।এসব প্রকল্পের অনেক প্রাক্তন শিক্ষার্থীই এখন বাংলাদেশে সরকার, প্রশাসন, শিক্ষা, বেসরকারি খাত এবং শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশিষ্ট পদে রয়েছেন।

সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রায় ১৫০ জন প্রাক্তন শিক্ষার্থী দিবসটি উদযাপনের জন্য এসে তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেছেন। প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা কীভাবে এই কোর্সগুলি তাদের ক্যারিয়ার গঠনে সহায়তা করেছেন সেসব ভাবনার কথা বলে ভারতের অভিজ্ঞতার স্মৃতিচারণ করেন। তারা বর্তমান সময়ের চাহিদা পূরণে বৃত্তি কর্মসূচিগুলি কীভাবে সুন্দরভাবে সাজানো যেতে পারে সে সম্পর্কে মূল্যবান পরামর্শও দিয়েছেন।

ভারত সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা নতুন বৈশিষ্ট্যগুলিকেও এই অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করা হয়, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল সুবর্ণ জয়ন্তী বৃত্তি কর্মসূচি, যা বৃত্তির পরিধিকে আরও বিস্তৃত করে তোলে। এই বছর বাংলাদেশ সফরের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত নতুন স্কিমটি ভারতের সেরা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিভিন্ন কোর্স করার জন্য মেধাবীদের ব্যাপক সুযোগ প্রদান করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভারতীয় হাই কমিশনের উদ্যোগে ঢাকায় প্রাক্তন শিক্ষার্থী সম্মিলন

আপডেট সময় : ০৭:৪৮:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর ২০২১

ছবি ভারতীয় হাইকমিশন

ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশন ভারতের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নকারী এবং পেশাদার কোর্সে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশী প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জন্য একটি মিলনমেলার আয়োজন করেছে। ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী এবং আইসিসিআরের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মৌলানা আবুল কালাম আজাদের জন্মবার্ষিকীতে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া অ্যালামনাই রি-ইউনিয়ন ২০২১ শীর্ষক এই প্রাক্তন শিক্ষার্থী সম্মিলন অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকায় বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন (আইইবি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে বিশেষ আকর্ষণ ছিল বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন এক সংবাদ বার্তায় এতথ্য জানায়।

এ পর্যন্ত ১০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি নাগরিক ভারত সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণ করেছেন। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় সাংস্কৃতিক সম্পর্ক পরিষদ (আইসিসিআর), আয়ুর্বেদিক যোগ ইউনানি সিদ্ধ হোমিওপ্যাথি (আয়ুষ), ভারতীয় কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা (আইটিইসি) বৃত্তি প্রকল্পসমূহের পাশাপাশি ভারতে অধ্যয়ন (এসআইআই) ও স্ব-অধ্যয়ন প্রকল্প (এসএফএস)।এসব প্রকল্পের অনেক প্রাক্তন শিক্ষার্থীই এখন বাংলাদেশে সরকার, প্রশাসন, শিক্ষা, বেসরকারি খাত এবং শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশিষ্ট পদে রয়েছেন।

সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রায় ১৫০ জন প্রাক্তন শিক্ষার্থী দিবসটি উদযাপনের জন্য এসে তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেছেন। প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা কীভাবে এই কোর্সগুলি তাদের ক্যারিয়ার গঠনে সহায়তা করেছেন সেসব ভাবনার কথা বলে ভারতের অভিজ্ঞতার স্মৃতিচারণ করেন। তারা বর্তমান সময়ের চাহিদা পূরণে বৃত্তি কর্মসূচিগুলি কীভাবে সুন্দরভাবে সাজানো যেতে পারে সে সম্পর্কে মূল্যবান পরামর্শও দিয়েছেন।

ভারত সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা নতুন বৈশিষ্ট্যগুলিকেও এই অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করা হয়, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল সুবর্ণ জয়ন্তী বৃত্তি কর্মসূচি, যা বৃত্তির পরিধিকে আরও বিস্তৃত করে তোলে। এই বছর বাংলাদেশ সফরের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত নতুন স্কিমটি ভারতের সেরা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিভিন্ন কোর্স করার জন্য মেধাবীদের ব্যাপক সুযোগ প্রদান করবে।