ঢাকা ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আর্থিক খাতসহ অর্থনৈতিক সেক্টরে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে ওআইসি সদস্য দেশগুলোর সক্রিয় সমর্থন কামনা: প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল নয়, পুনর্মূল্যায়নের ইঙ্গিত সরকারের নিজেদের জ্বালানি থাকতে বিদেশ  নির্ভরতা কেন: জ্বালানিমন্ত্রী রাজপথে আন্দোলনের স্মৃতি আর নেতাদের সঙ্গে ছবি, কোনোভাবেই অপরাধের ঢাল হতে পারে না পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য: পদে পদে হয়রানির শিকার রোগীরা উৎপাদন সক্ষমতার  নামে বিপর্যয়:  ৭ বছর ভর্তুকি বেড়েছে প্রায় ৬৩৩ শতাংশ ২,২৭৬ নেতাকর্মীকে গুম ও হত্যার অভিযোগে আবারও ট্রাইব্যুনালে বিএনপি চীন সফরে ট্রাম্প: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ, বাণিজ্য ও ভূ-রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত

ভাগনার বিদ্রোহে পাশে থাকায় চীন-ভারতকে ধন্যবাদ পুতিনের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৫১:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুলাই ২০২৩ ২০৮ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

ভাগনার বিদ্রোহের পর প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক ফোরামে অংশ নিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মস্কোর ক্রেমলিন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সম্মেলনে যোগ দেন পুতিন। দুই সপ্তাহ আগে ভাগনার বিদ্রোহ করে।

মঙ্গলবার মস্কোর ক্রেমলিন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সম্মেলনে যোগ দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

ভাগনার বিদ্রোহের পর প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, রাশিয়ার জনগণ এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ। দুই সপ্তাহ আগের বিদ্রোহের সময় সমর্থন দেওয়ায় চীন ও ভারতের নেতাদের ধন্যবাদ জানিয়েছে পুতিন।

এদিন সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সম্মেলনে অংশ নিয়ে এ কথা বলেছেন পুতিন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠিত সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংও অংশ নেন।

বক্তব্যে ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা ও উসকানির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে মস্কো। তিনি বলেন, বিশ্বে নতুন একটি অর্থনৈতিক সংকটের ঝুঁকি বাড়ছে। এটা ঘটছে উন্নত দেশগুলোর অনিয়ন্ত্রিতভাবে ধারদেনা করা, বিশ্বজুড়ে বৈষম্য ও দারিদ্র্য বৃদ্ধি এবং খাদ্য ও পরিবেশ নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার কারণে।

এগুলোর প্রতিটি সমস্যাই জটিল ও বৈচিত্র্যপূর্ণ। সব মিলিয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে সংঘাতের ঝুঁকি বাড়ছে। রাশিয়া নিজেকে দিয়েই এগুলো বুঝতে পারছে।

রাশিয়ার ভাড়াটে যোদ্ধাদের বাহিনী ভাগনার গ্রুপের বিদ্রোহ নিয়েও কথা বলেন ভ্লাদিমির পুতিন। বলেন, রাশিয়ার জনগণ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন বেশি ঐক্যবদ্ধ। সশস্ত্র বিদ্রোহের চেষ্টার বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে আওয়াজ তোলার মধ্য দিয়ে রাশিয়ার পুরো রাজনৈতিক পরিমণ্ডল ও সমাজ স্পষ্টত পিতৃভূমির ভাগ্যের বিষয়ে সংহতি ও উচ্চ মাত্রায় দায়িত্বশীলতা দেখিয়েছে।

সাংবিধানিক শৃঙ্খলা ও নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে রাশিয়ার নেতৃত্বের নেওয়া পদক্ষেপের প্রতি এসসিওর সদস্য যেসব দেশ সমর্থন জানিয়েছে, আমার সেই সব সহকর্মীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমরা ব্যাপকভাবে এর প্রশংসা করছি।

এসসিওর আঞ্চলিক সন্ত্রাস দমন কাঠামোয় সংস্কার আনার প্রস্তাব দিয়েছেন পুতিন। একই সঙ্গে দ্রুত এই গ্রুপে বেলারুশকে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বর্তমানে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সদস্য হিসেবে আছে চীন, ভারত, কাজাখস্থান, কিরগিজস্থান, পাকিস্তান, রাশিয়া, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান। এর বাইরে বেলারুশ, মঙ্গোলিয়া ও ইরান এই সংস্থার পর্যবেক্ষক মর্যাদায় রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভাগনার বিদ্রোহে পাশে থাকায় চীন-ভারতকে ধন্যবাদ পুতিনের

আপডেট সময় : ০৬:৫১:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুলাই ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

ভাগনার বিদ্রোহের পর প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক ফোরামে অংশ নিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মস্কোর ক্রেমলিন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সম্মেলনে যোগ দেন পুতিন। দুই সপ্তাহ আগে ভাগনার বিদ্রোহ করে।

মঙ্গলবার মস্কোর ক্রেমলিন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সম্মেলনে যোগ দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

ভাগনার বিদ্রোহের পর প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, রাশিয়ার জনগণ এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ। দুই সপ্তাহ আগের বিদ্রোহের সময় সমর্থন দেওয়ায় চীন ও ভারতের নেতাদের ধন্যবাদ জানিয়েছে পুতিন।

এদিন সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সম্মেলনে অংশ নিয়ে এ কথা বলেছেন পুতিন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠিত সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংও অংশ নেন।

বক্তব্যে ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা ও উসকানির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে মস্কো। তিনি বলেন, বিশ্বে নতুন একটি অর্থনৈতিক সংকটের ঝুঁকি বাড়ছে। এটা ঘটছে উন্নত দেশগুলোর অনিয়ন্ত্রিতভাবে ধারদেনা করা, বিশ্বজুড়ে বৈষম্য ও দারিদ্র্য বৃদ্ধি এবং খাদ্য ও পরিবেশ নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার কারণে।

এগুলোর প্রতিটি সমস্যাই জটিল ও বৈচিত্র্যপূর্ণ। সব মিলিয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে সংঘাতের ঝুঁকি বাড়ছে। রাশিয়া নিজেকে দিয়েই এগুলো বুঝতে পারছে।

রাশিয়ার ভাড়াটে যোদ্ধাদের বাহিনী ভাগনার গ্রুপের বিদ্রোহ নিয়েও কথা বলেন ভ্লাদিমির পুতিন। বলেন, রাশিয়ার জনগণ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন বেশি ঐক্যবদ্ধ। সশস্ত্র বিদ্রোহের চেষ্টার বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে আওয়াজ তোলার মধ্য দিয়ে রাশিয়ার পুরো রাজনৈতিক পরিমণ্ডল ও সমাজ স্পষ্টত পিতৃভূমির ভাগ্যের বিষয়ে সংহতি ও উচ্চ মাত্রায় দায়িত্বশীলতা দেখিয়েছে।

সাংবিধানিক শৃঙ্খলা ও নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে রাশিয়ার নেতৃত্বের নেওয়া পদক্ষেপের প্রতি এসসিওর সদস্য যেসব দেশ সমর্থন জানিয়েছে, আমার সেই সব সহকর্মীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমরা ব্যাপকভাবে এর প্রশংসা করছি।

এসসিওর আঞ্চলিক সন্ত্রাস দমন কাঠামোয় সংস্কার আনার প্রস্তাব দিয়েছেন পুতিন। একই সঙ্গে দ্রুত এই গ্রুপে বেলারুশকে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বর্তমানে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সদস্য হিসেবে আছে চীন, ভারত, কাজাখস্থান, কিরগিজস্থান, পাকিস্তান, রাশিয়া, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান। এর বাইরে বেলারুশ, মঙ্গোলিয়া ও ইরান এই সংস্থার পর্যবেক্ষক মর্যাদায় রয়েছে।