বন্দর রক্ষার দাবিতে ঢাকায় বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল
- আপডেট সময় : ০৮:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৩৯ বার পড়া হয়েছে
বন্দর রক্ষার দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে বাম গণতান্ত্রিক জোট, ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা, বাংলাদেশ জাসদ, জাতীয় গণফ্রন্টসহ বিভিন্ন বামপন্থী সংগঠন। একই দাবিতে পৃথকভাবে মশাল মিছিল করেছে শ্রমিক–কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)। নেতৃবৃন্দ বলেন, বন্দর ইজারা জাতীয় স্বার্থবিরোধী এবং শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশি হামলা সরকারের গণতন্ত্রবিরোধী চরিত্র প্রকাশ করেছে।
শুক্রবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ। বক্তারা অভিযোগ করেন, নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী যমুনা অভিমুখে শান্তিপূর্ণ মিছিল করার সময় কাকরাইল মোড়ে পুলিশ বিনা উসকানিতে হামলা ও লাঠিচার্জ করে। এতে সিপিবির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ কাফী রতনসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। শ্রমিকনেতা রুহুল আমিনের মাথা ফেটে যায়।
নেতৃবৃন্দ বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা সরকারকে হটানো হলেও বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারও একইভাবে সভা–সমাবেশের সাংবিধানিক অধিকার হরণ করছে। নিউমুরিং টার্মিনালসহ লাভজনক বন্দর বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেশের স্বার্থের বিপরীত এবং তা অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। বন্দর রক্ষার আন্দোলন দমন–পীড়ন দিয়ে থামানো যাবে না বলেও তারা সতর্ক করেন।
এদিকে পতেঙ্গা, লালদিয়া চর কন্টেইনার টার্মিনাল ও পানগাঁও নৌ টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়ার প্রতিবাদে স্কপ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ শেষে মশাল মিছিল বের করে। মিছিলটি হাইকোর্ট, পুরানা পল্টন ও দৈনিক বাংলা এলাকা প্রদক্ষিণ করে। স্কপ নেতারা বলেন, অনির্বাচিত অন্তর্বর্তী সরকারের বিদেশি চুক্তি করার কোনো এখতিয়ার নেই; তাদের দায়িত্ব দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করে ক্ষমতা নির্বাচিত সরকারের হাতে তুলে দেওয়া।
সমাবেশে বক্তৃতা করেন সিপিবির সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন, ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চার সমন্বয়ক শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, বাসদ (মার্কসবাদী) নেতা সীমা দত্ত, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের নেতা শামীম ইমাম, বাংলাদেশ জাসদ নেতা করিম সিকদারসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও শ্রমিক সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
নেতারা গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশি হস্তক্ষেপ বন্ধ ও হামলাকারী পুলিশ সদস্যদের বিচার দাবি করেন।




















