ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে বড় সাফল্য বাংলাদেশে ৯.২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহ ১১ চীনা প্রতিষ্ঠানের জামালপুর জিরো লাইনে ভারতীয়দের মাটি কাটার চেষ্টা, বাংলাদেশিদের বাধা মাদক পাচারে বদির জায়গা কে নিয়েছে? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে গয়েশ্বর রায়ের প্রশ্ন ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা হাজারো স্বপ্ন, উদ্ধার ১,৪৩০ মরদেহ সফল দেশের স্বীকৃতি ফল উৎপাদনে নতুন উচ্চতায় বাংলাদেশ, বিশ্বে গড়ছে দৃষ্টান্ত দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিং থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুমের শিকার পরিবারের ভাতা বরাদ্দ এই বাজেটেই প্রতিশ্রুতি মির্জা ফখরুলের হামে মৃত্যু ৭০০ ছাড়াল, বাড়ছে উদ্বেগ তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস চীনের: মাহদী আমিন

ফুটবল মাঠে হঠাৎ ৩০ ফুট গভীর গর্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৩:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুন ২০২৪ ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

ফুটবল মাঠে হঠাৎ ৩০ ফুট গভীর গর্ত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ফুটবল মাঠের মাঝখানে হঠাৎ করে ১০০ ফুট বিস্তৃত এবং ৩০ ফুট গভীর একটি গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।গর্ত সৃষ্টি হওয়ার মূহূর্তটি ধরা পড়ে মাঠের পাশে থাকা সিসি ক্যামেরায়। এতে দেখা যাচ্ছে, হঠাৎ করে মাঠে যেন কোনো কিছুর বিস্ফোরণ ঘটেছে। এরপর তৈরি হয় বিশাল গর্ত। ওই সময় মাটির নিচ থেকে তীব্র বেগে পানিও বের হয়ে আসে।

এ ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের ইলিয়নিসে। তখন মাঠে কেউ না থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। হঠাৎ করে এমন গর্ত সৃষ্টি হওয়াকে ‘সিঙ্কহোল’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। ধস-গহ্বর বা সিঙ্কহোল হল কোনো কারণে ভূগর্ভের কোনো স্তর ধসে যাবার কারণে ভূ-পৃষ্ঠতলে সৃষ্ট অবনমন বা গহ্বর (গর্ত)। একটি সিঙ্কহোল আয়তনের দিক থেকে ১ ফিট থেকে ১০০ একরের বেশি পর্যন্ত এবং উচ্চতায় দিক থেকে ১০০ ফিট পর্যন্ত হতে পারে।

জানা গেছে, ভূপৃষ্ঠের নিচে রয়েছে পানির প্রবাহ (যেখান থেকে আমরা গভীর নলকূপের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের নিচ থেকে পানি উঠাতে পারি)। মাটির একদম নিচের স্তর বা ভূগর্ভস্থ পানির উপরিভাগে রয়েছে অনেক পাথর যেগুলিকে বলা হয় কার্বনেট বেরক বা বেডরক। বছরের পর বছর বিভিন্ন জায়গায় মাটির নিচে পানি প্রবাহ চলমান থাকা অবস্থায় ধীরে ধীরে ছোট পাথরগুলি সরে যেতে শুরু করে। পীঠশিলাগুলি (বেডরক) সরে যেতে যেতে মাটির তলদেশে এক সময় বিশাল আকৃতির গর্তের সৃষ্টি হয়।

বহু বছর ধরে তৈরি হওয়া গর্ত যখন বড় হতে থাকে তখন সেটির চারপাশের মাটি এবং পাথর সেই গর্তে নিমজ্জিত হতে শুরু করে। ফলস্বরূপ একসময় ভূগর্ভস্থ সেই গর্তের আয়তন বৃদ্ধি পেতে থাকে। উপরিভাগের জমি যখন আর সেই চাপ সহ্য করতে পারে না তখনই হঠাৎ মাটির উপরিভাগের বিশাল এলাকা সঙ্গে নিয়ে সেটি মাটির তলদেশে বিলীন হয়ে যায়। এইভাবেই সৃষ্টি হয় দানব আকৃতির বড় বড় সব সিঙ্কহোল।

সূত্র: সিবিএস নিউজ, উইকিপিডিয়া

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ফুটবল মাঠে হঠাৎ ৩০ ফুট গভীর গর্ত

আপডেট সময় : ১০:৩৩:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুন ২০২৪

 

ফুটবল মাঠের মাঝখানে হঠাৎ করে ১০০ ফুট বিস্তৃত এবং ৩০ ফুট গভীর একটি গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।গর্ত সৃষ্টি হওয়ার মূহূর্তটি ধরা পড়ে মাঠের পাশে থাকা সিসি ক্যামেরায়। এতে দেখা যাচ্ছে, হঠাৎ করে মাঠে যেন কোনো কিছুর বিস্ফোরণ ঘটেছে। এরপর তৈরি হয় বিশাল গর্ত। ওই সময় মাটির নিচ থেকে তীব্র বেগে পানিও বের হয়ে আসে।

এ ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের ইলিয়নিসে। তখন মাঠে কেউ না থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। হঠাৎ করে এমন গর্ত সৃষ্টি হওয়াকে ‘সিঙ্কহোল’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। ধস-গহ্বর বা সিঙ্কহোল হল কোনো কারণে ভূগর্ভের কোনো স্তর ধসে যাবার কারণে ভূ-পৃষ্ঠতলে সৃষ্ট অবনমন বা গহ্বর (গর্ত)। একটি সিঙ্কহোল আয়তনের দিক থেকে ১ ফিট থেকে ১০০ একরের বেশি পর্যন্ত এবং উচ্চতায় দিক থেকে ১০০ ফিট পর্যন্ত হতে পারে।

জানা গেছে, ভূপৃষ্ঠের নিচে রয়েছে পানির প্রবাহ (যেখান থেকে আমরা গভীর নলকূপের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের নিচ থেকে পানি উঠাতে পারি)। মাটির একদম নিচের স্তর বা ভূগর্ভস্থ পানির উপরিভাগে রয়েছে অনেক পাথর যেগুলিকে বলা হয় কার্বনেট বেরক বা বেডরক। বছরের পর বছর বিভিন্ন জায়গায় মাটির নিচে পানি প্রবাহ চলমান থাকা অবস্থায় ধীরে ধীরে ছোট পাথরগুলি সরে যেতে শুরু করে। পীঠশিলাগুলি (বেডরক) সরে যেতে যেতে মাটির তলদেশে এক সময় বিশাল আকৃতির গর্তের সৃষ্টি হয়।

বহু বছর ধরে তৈরি হওয়া গর্ত যখন বড় হতে থাকে তখন সেটির চারপাশের মাটি এবং পাথর সেই গর্তে নিমজ্জিত হতে শুরু করে। ফলস্বরূপ একসময় ভূগর্ভস্থ সেই গর্তের আয়তন বৃদ্ধি পেতে থাকে। উপরিভাগের জমি যখন আর সেই চাপ সহ্য করতে পারে না তখনই হঠাৎ মাটির উপরিভাগের বিশাল এলাকা সঙ্গে নিয়ে সেটি মাটির তলদেশে বিলীন হয়ে যায়। এইভাবেই সৃষ্টি হয় দানব আকৃতির বড় বড় সব সিঙ্কহোল।

সূত্র: সিবিএস নিউজ, উইকিপিডিয়া