প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিবসহ তিন সচিবকে সরিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি
- আপডেট সময় : ০৮:৪২:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৫২ বার পড়া হয়েছে
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাইফুল্লাহ পান্না, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন, এবং ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কামাল উদ্দিনকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে মূলত প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও সচিবদের দায়িত্বে সাময়িক পরিবর্তনের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়গুলোর কার্যক্রমকে আরও দক্ষ ও সমন্বিত করার প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা যায়।
সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। সংযুক্ত হওয়া সচিবরা হলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লাহ পান্না, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামাল উদ্দিন।
বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে এ পরিবর্তন আনা হলো। এর আগে নতুন সরকার গঠনের প্রথম তিন দিনে জনপ্রশাসনের দুটি শীর্ষ পদের কর্মকর্তা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তারকে, যিনি আগে বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব ছিলেন।
সচিবালয়ের সূত্র মতে, প্রশাসনে আরও পরিবর্তন আসতে পারে। খালি হওয়া চারটি সচিব পদে এবং চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তাদের মধ্যে পরিবর্তনসহ মাঠ প্রশাসনের জেলা প্রশাসক ও পুলিশের উচ্চ পদেও নতুন নিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রশাসনে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছিল। প্রথম ছয় মাসে সিনিয়র সচিব ও সচিব পদে ১৪ জন, অতিরিক্ত সচিব ও গ্রেড-১ পদের অন্তত ২০ জনকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়। একই সময়ে আরও অনেক কর্মকর্তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন সরকার প্রশাসনে পরিবর্তন আনা স্বাভাবিক, তবে আশা করা হচ্ছে দলীয়করণ বা অযোগ্য কর্মকর্তার নিয়োগ হবে না। ক্ষমতাসীন বিএনপির ইশতেহারে মেধা, সততা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতি, বদলি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে, যাতে কোনো কর্মকর্তা অন্যায়ভাবে বঞ্চিত না হন।


















