ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকার যানজট-কর্মঘণ্টা নষ্টের উৎস ব্যাটারি রিকশার চলাচলে শৃঙ্খলা আনতে উদ্যোগ ডিএসসিসির আগামী সপ্তাহেই দিল্লি যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান  প্রস্তুতি দুই দেশেই স্কুল ফিডিংয়ে শতভাগ শিক্ষার্থী অন্তর্ভুক্তি চায় শিক্ষক-অবিভাবকরা সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে পাঁচ শ্রমিকের মৃত্যু ভিক্ষার ঝুলিতে ৪৬ হাজার ৬০০ ডলার সহানুভূতির আড়ালে প্রতারণার ভয়াবহ চিত্র বঙ্গভবনের পথে মির্জা ফখরুল বাকি শুধু সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা সীতাকুণ্ডের শিপইয়ার্ডে পাঁচ বছরে ৩৪ প্রাণহানি  অবসরে  ৪৯ পুলিশ পরিদর্শক  এক বছরে ১০.৬৩ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি তেল আমদানি মায়ের ছোট্ট অনুরোধে ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রে শিশুদের ‘খেলা ঘর’

পাহাড়ে মানব পাচারকারীর গোপন ডেরা থেকে নারী-শিশুসহ ৬৬ জন উদ্ধার

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৩:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৩৪৩ বার পড়া হয়েছে

পাহাড়ে মানব পাচারকারীর গোপন ডেরা থেকে নারী-শিশুসহ ৬৬ জন উদ্ধার

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুবিধাজনক জীবনযাপন, উচ্চ বেতন এবং বিনাকরচায় মালয়েশিয়া যাবার সুযোগের কথা বলে নারী-শিশুসহ ৬৬ জনকে পাহাড়ের চূড়ায় বন্দী করে।

এমন খবর জানার পর কোস্টগার্ড ও নৌ-বাহিনী কক্সবাজারের টেকনাফের একটি গহীন পাহাড়ে অবিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

উদ্ধার নারী-পুরুষের বরাত দিয়ে কোস্ট গার্ড জানায়, বিনা খরচায় মালয়েশিয়া পৌছে কাজের পর টাকা পরিশোরেধের মতো লোভ দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রোহিঙ্গা নাগরীকসহ ৬৬জনকে সংগ্রহের পর টেকনাফের একটি পাহাড়ের চূড়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে আটকে রাখে।

তারা এই খবর পেয়ে টেকনাফের বাহারছড়ার গহীন পাহাড়ে যৌথ অভিযান চালিয়ে বন্দি করে রাখা নারী ও শিশুসহ ৬৬ জনকে উদ্ধার করে। শুক্রবার সকালে কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গোপন সূত্রে খবর পান সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের জন্য নারী ও শিশুসহ অনেককে টেকনাফের বাহারছড়ার গহীন পাহাড়ে বন্দি করে রাখা হয়েছে।

এরপর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত কোস্টগার্ড ও নৌ-বাহিনী যৌথভাবে সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানে পাহাড়ের চূড়ায় পাচারকারীদের গোপন আস্তানায় বন্দি করে রাখা নারী ও শিশুসহ ৬৬ জনকে উদ্ধার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধারকৃতরা জানিয়েছে, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরি, সুবিধাজনক কর্মসংস্থান, উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, অল্প খরচে বিদেশ যাত্রা এবং বিনা টাকায় পাঠানোর পর কর্মস্থলে কাজের মাধ্যমে খরচ পরিশোধের সুযোগের প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় যেতে উদ্বুদ্ধ করে।

টেকনাফসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের টেকনাফের গহীন পাহাড়ের গোপন আস্তানায় নিয়ে জিম্মি করে রেখেছিল।

পরে সুবিধাজনক সময়ে মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন উপকূল থেকে নৌকায় করে তাদের মালয়েশিয়ায় পাচার করার পরিকল্পনা ছিল। তারা আরও জানায়, পাচারকারীরা তাদের আটকে রেখে নির্যাতনের মাধ্যমে মুক্তিপণ আদায় করার চেষ্টা করছিল।

অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ায় পাচারকারী চক্রের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাহাড়ে মানব পাচারকারীর গোপন ডেরা থেকে নারী-শিশুসহ ৬৬ জন উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৪:৩৩:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সুবিধাজনক জীবনযাপন, উচ্চ বেতন এবং বিনাকরচায় মালয়েশিয়া যাবার সুযোগের কথা বলে নারী-শিশুসহ ৬৬ জনকে পাহাড়ের চূড়ায় বন্দী করে।

এমন খবর জানার পর কোস্টগার্ড ও নৌ-বাহিনী কক্সবাজারের টেকনাফের একটি গহীন পাহাড়ে অবিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

উদ্ধার নারী-পুরুষের বরাত দিয়ে কোস্ট গার্ড জানায়, বিনা খরচায় মালয়েশিয়া পৌছে কাজের পর টাকা পরিশোরেধের মতো লোভ দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রোহিঙ্গা নাগরীকসহ ৬৬জনকে সংগ্রহের পর টেকনাফের একটি পাহাড়ের চূড়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে আটকে রাখে।

তারা এই খবর পেয়ে টেকনাফের বাহারছড়ার গহীন পাহাড়ে যৌথ অভিযান চালিয়ে বন্দি করে রাখা নারী ও শিশুসহ ৬৬ জনকে উদ্ধার করে। শুক্রবার সকালে কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গোপন সূত্রে খবর পান সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের জন্য নারী ও শিশুসহ অনেককে টেকনাফের বাহারছড়ার গহীন পাহাড়ে বন্দি করে রাখা হয়েছে।

এরপর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত কোস্টগার্ড ও নৌ-বাহিনী যৌথভাবে সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানে পাহাড়ের চূড়ায় পাচারকারীদের গোপন আস্তানায় বন্দি করে রাখা নারী ও শিশুসহ ৬৬ জনকে উদ্ধার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধারকৃতরা জানিয়েছে, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরি, সুবিধাজনক কর্মসংস্থান, উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, অল্প খরচে বিদেশ যাত্রা এবং বিনা টাকায় পাঠানোর পর কর্মস্থলে কাজের মাধ্যমে খরচ পরিশোধের সুযোগের প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় যেতে উদ্বুদ্ধ করে।

টেকনাফসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের টেকনাফের গহীন পাহাড়ের গোপন আস্তানায় নিয়ে জিম্মি করে রেখেছিল।

পরে সুবিধাজনক সময়ে মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন উপকূল থেকে নৌকায় করে তাদের মালয়েশিয়ায় পাচার করার পরিকল্পনা ছিল। তারা আরও জানায়, পাচারকারীরা তাদের আটকে রেখে নির্যাতনের মাধ্যমে মুক্তিপণ আদায় করার চেষ্টা করছিল।

অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ায় পাচারকারী চক্রের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।