ঢাকা ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
উৎপাদন সক্ষমতার  নামে বিপর্যয়:  ৭ বছর ভর্তুকি বেড়েছে প্রায় ৬৩৩ শতাংশ ২,২৭৬ নেতাকর্মীকে গুম ও হত্যার অভিযোগে আবারও ট্রাইব্যুনালে বিএনপি চীন সফরে ট্রাম্প: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ, বাণিজ্য ও ভূ-রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত বায়ুদূষণ : বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে ঢাকা শান্তি আলোচনা ঘিরে অনিশ্চয়তা: বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল তেলের দাম কোরবানির পশুর হাটে জাল নোট প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ নির্দেশনা ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে ‘টানাটানি’ ট্রাম্প-পুতিনের, কোন দিকে যাবে তেহরান? বাংলাদেশ থেকে পোশাক ও চামড়াজাত পণ্য আমদানিতে আগ্রহী ইতালি মার্কিন আদালতের রায়েও বহাল ১০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক, নতুন অনিশ্চয়তায় রফতানিকারকরা পুলিশের যৌক্তিক দাবিগুলো পূরণ করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকায় জাতীয় পার্টি অফিসে ভাংচুর-আগুন

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৮:০০:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫ ৪৪৫ বার পড়া হয়েছে

সন্ধ্যায় ঢাকায় জাতীয় পার্টি অফিসে ভাংচুর-আগুন

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাবেক সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রতিষ্ঠিত জাতীয় পার্টি ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের আমলে অনুষ্ঠিত সব বিতর্কিত নির্বাচনেই অংশ নিয়েছে।

নজিরবিহীনভাবে তারা যেমন সংসদের বিরোধীদল ছিল, তেমনি অংশ নিয়েছে সরকারের মন্ত্রিসভায়ও। গণঅধিকার পরিষদসহ কিছু রাজনৈতিক দলের দাবি, ফ্যাসিবাদী শাসনকে বৈধতা দেওয়ার ক্ষেত্রে জাপা সহযোগীর ভূমিকায় ছিল।

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের পাশাপাশি জাপারও কার্যক্রম নিষিদ্ধ জানায় তারা। শুক্রবার নুরের হামলার জের ধরে সন্ধ্যায় শনিবার ঢাকার বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির (জাপা) কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

শনিবার সন্ধ্যার পর ঘটায় কিছু লোক এ ঘটনা ঘটায়। সন্ধ্যায় বিজয়নগর থেকে গণঅধিকার পরিষদ ও পল্টন থেকে ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে জাপা কার্যালয়ের সামনে আসার উত্তেজনা দেখা দেয়।

এর কিছুক্ষণ পর গণঅধিকার পরিষদের নেতারা তাদের কর্মীদের সরিয়ে নেয়। কয়েক মিনিটের মধ্যেই কিছু লোক পেছন দিয়ে এসে জাপা কার্যালয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। সামনে ভাঙচুর করে ভেতরে প্রবেশ করে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।

এসময় কার্যালয় থেকে চেয়ার-টেবিল বাইওে এনে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। উত্তেজিত মানুষদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও জলকামান নিক্ষেপ শুরু করে।

এদিন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের শাস্তির দাবিতে বিকেলে বিজয় নগরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন দলের নেতা-কর্মীরা।

পরে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি পল্টন, প্রেসক্লাব, মৎস্যভবন, কাকরাইল হয়ে নাইটেঙ্গেল মোড় দিয়ে বিজয় নগরের দিকে আসে। এর আগে শুক্রবার রাতে সংঘর্ষে গণঅধিকার পরিষদের নেতা নুরুল হক নুর এবং দলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঢাকায় জাতীয় পার্টি অফিসে ভাংচুর-আগুন

আপডেট সময় : ০৮:০০:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

সাবেক সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রতিষ্ঠিত জাতীয় পার্টি ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের আমলে অনুষ্ঠিত সব বিতর্কিত নির্বাচনেই অংশ নিয়েছে।

নজিরবিহীনভাবে তারা যেমন সংসদের বিরোধীদল ছিল, তেমনি অংশ নিয়েছে সরকারের মন্ত্রিসভায়ও। গণঅধিকার পরিষদসহ কিছু রাজনৈতিক দলের দাবি, ফ্যাসিবাদী শাসনকে বৈধতা দেওয়ার ক্ষেত্রে জাপা সহযোগীর ভূমিকায় ছিল।

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের পাশাপাশি জাপারও কার্যক্রম নিষিদ্ধ জানায় তারা। শুক্রবার নুরের হামলার জের ধরে সন্ধ্যায় শনিবার ঢাকার বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির (জাপা) কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

শনিবার সন্ধ্যার পর ঘটায় কিছু লোক এ ঘটনা ঘটায়। সন্ধ্যায় বিজয়নগর থেকে গণঅধিকার পরিষদ ও পল্টন থেকে ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে জাপা কার্যালয়ের সামনে আসার উত্তেজনা দেখা দেয়।

এর কিছুক্ষণ পর গণঅধিকার পরিষদের নেতারা তাদের কর্মীদের সরিয়ে নেয়। কয়েক মিনিটের মধ্যেই কিছু লোক পেছন দিয়ে এসে জাপা কার্যালয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। সামনে ভাঙচুর করে ভেতরে প্রবেশ করে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।

এসময় কার্যালয় থেকে চেয়ার-টেবিল বাইওে এনে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। উত্তেজিত মানুষদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও জলকামান নিক্ষেপ শুরু করে।

এদিন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের শাস্তির দাবিতে বিকেলে বিজয় নগরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন দলের নেতা-কর্মীরা।

পরে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি পল্টন, প্রেসক্লাব, মৎস্যভবন, কাকরাইল হয়ে নাইটেঙ্গেল মোড় দিয়ে বিজয় নগরের দিকে আসে। এর আগে শুক্রবার রাতে সংঘর্ষে গণঅধিকার পরিষদের নেতা নুরুল হক নুর এবং দলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন।