ঢাকা ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
একটানে জালে ওঠে আসে ২৬ লাখ টাকার ২ হাজার ২০০টি কাঙ্খিত  ইলিশ  কৃষিপণ্যের আমদানি কমিয়ে উৎপাদন  বাড়ানোর তাগিদ  প্রধানমন্ত্রীর সংযুক্ত আরব  আমিরাতে ৪,৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রিসেট চায় বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফর হওয়া উচিত হুমায়ুন ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ভিশন অগ্রাধিকার তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ রামপালের এক ইউনিট বন্ধ বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে অর্ধেক শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ শেরপুরে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধের চালান জব্দ ‘আমেরিকানরা যোদ্ধা হলে ইরানের বীর বাহিনীর মুখোমুখি হোক’: পেজেশকিয়ান আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি’: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই সনদ অনুষ্ঠান ঘিরে সংঘর্ষ-উত্তেজনা,  মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের ঘটনায় ৯০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৩:০৯:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫ ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের ঘটনায় ৯০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে জুলাই যোদ্ধা ব্যানারে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের ঘটনায় চারটি মামলা দায়ের হয়েছে। সবগুলো মামলাই করেছে পুলিশ, যেখানে অজ্ঞাতনামা ৮০০ থেকে ৯০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

শনিবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) শেরে-বাংলা নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মেহেদী হাসান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনায় মোট চারটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি দায়ের করেছে শেরে-বাংলা নগর থানা পুলিশ এবং একটি মামলার বাদী একজন ট্রাফিক সার্জেন্ট।

থানা সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার ব্যক্তির নাম রিমন চন্দ্র বর্মন। পুলিশ বলছে, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অন্য আসামিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

এর আগে শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে জুলাই যোদ্ধা ব্যানারে আন্দোলনকারীরা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। তাদের দাবি ছিল, জুলাই সনদে আহতযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের তিনটি নির্দিষ্ট দাবি অন্তর্ভুক্ত করা।

দুপুর দেড়টার দিকে সংসদ ভবনের ১২ নম্বর গেটের সামনে অবস্থানরত আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কয়েক দফা সংঘর্ষে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ প্রথমে সতর্কবার্তা দেয়, পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।

অপরদিকে আন্দোলনকারীরা সড়কে আগুন ধরিয়ে এবং ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এতে বেশ কিছু সময়ের জন্য আশপাশের এলাকা জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে পুলিশের কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জুলাই সনদ অনুষ্ঠান ঘিরে সংঘর্ষ-উত্তেজনা,  মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের ঘটনায় ৯০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ০৩:০৯:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে জুলাই যোদ্ধা ব্যানারে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের ঘটনায় চারটি মামলা দায়ের হয়েছে। সবগুলো মামলাই করেছে পুলিশ, যেখানে অজ্ঞাতনামা ৮০০ থেকে ৯০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

শনিবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) শেরে-বাংলা নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মেহেদী হাসান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনায় মোট চারটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি দায়ের করেছে শেরে-বাংলা নগর থানা পুলিশ এবং একটি মামলার বাদী একজন ট্রাফিক সার্জেন্ট।

থানা সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার ব্যক্তির নাম রিমন চন্দ্র বর্মন। পুলিশ বলছে, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অন্য আসামিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

এর আগে শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে জুলাই যোদ্ধা ব্যানারে আন্দোলনকারীরা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। তাদের দাবি ছিল, জুলাই সনদে আহতযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের তিনটি নির্দিষ্ট দাবি অন্তর্ভুক্ত করা।

দুপুর দেড়টার দিকে সংসদ ভবনের ১২ নম্বর গেটের সামনে অবস্থানরত আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কয়েক দফা সংঘর্ষে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ প্রথমে সতর্কবার্তা দেয়, পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।

অপরদিকে আন্দোলনকারীরা সড়কে আগুন ধরিয়ে এবং ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এতে বেশ কিছু সময়ের জন্য আশপাশের এলাকা জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে পুলিশের কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।