ঢাকা ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
একটানে জালে ওঠে আসে ২৬ লাখ টাকার ২ হাজার ২০০টি কাঙ্খিত  ইলিশ  কৃষিপণ্যের আমদানি কমিয়ে উৎপাদন  বাড়ানোর তাগিদ  প্রধানমন্ত্রীর সংযুক্ত আরব  আমিরাতে ৪,৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রিসেট চায় বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফর হওয়া উচিত হুমায়ুন ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ভিশন অগ্রাধিকার তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ রামপালের এক ইউনিট বন্ধ বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে অর্ধেক শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ শেরপুরে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধের চালান জব্দ ‘আমেরিকানরা যোদ্ধা হলে ইরানের বীর বাহিনীর মুখোমুখি হোক’: পেজেশকিয়ান আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি’: প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দরের বর্ধিত ট্যারিফে শিপিং ব্যয় বাড়ছে, চাপ পড়বে ভোক্তার ওপর

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫ ১৭২ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম বন্দরের বর্ধিত ট্যারিফে শিপিং ব্যয় বাড়ছে, চাপ পড়বে ভোক্তাদের ওপর

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পোর্ট ডিউস, পাইলটেজ, বার্থ দখল ফি, স্টিভিডোরিং, টার্মিনাল হ্যান্ডলিংসহ সংশ্লিষ্ট জাহাজ ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং চার্জে গড়ে ৪১ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি

১৫ অক্টোবরের পর যেসব পণ্যচালান চট্টগ্রাম বন্দরে জেটিতে বার্থিং বা আনবার্থিং করবে, তাদের ক্ষেত্রে নতুন হার কার্যকর হবে

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (সিপিএ) নতুন বর্ধিত ট্যারিফ কার্যকর হওয়ায় দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে ব্যয় বাড়ছে। সমুদ্রগামী কনটেইনার জাহাজ মালিক ও অপারেটর প্রতিষ্ঠান এইচআর লাইনস লিমিটেড এবং আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানি মায়েরস্ক লাইন ইতোমধ্যেই তাদের ফ্রেট রেট সমন্বয়ের ঘোষণা দিয়েছে। ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, এই অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপরই পড়বে।

প্রাপ্ত তথ্যানুসারে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ১৫ অক্টোবর থেকে নতুন ট্যারিফ কার্যকর করেছে, যার আওতায় পোর্ট ডিউস, পাইলটেজ, বার্থ দখল ফি, স্টিভিডোরিং, টার্মিনাল হ্যান্ডলিংসহ সংশ্লিষ্ট জাহাজ ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং চার্জে গড়ে ৪১ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এইচআর লাইনস জানিয়েছে, টেকসই অপারেশন, নিরবচ্ছিন্ন সেবা এবং ব্যয় ভারসাম্য বজায় রাখতে ফ্রেট রেট সমন্বয় অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। নতুন হার অনুযায়ী এইচকেভিত্তিক চুক্তিতে প্রতিটি পণ্যবোঝাই কনটেইনারে অতিরিক্ত ৩০ ডলার এবং খালি কনটেইনারে ২০ ডলার চার্জ আরোপ করা হবে।

এফআইওভিত্তিক চুক্তিতে প্রতি টিইইউস (২০ ফুট কনটেইনার) এর জন্য পণ্যবোঝাই কনটেইনারে ২৫ ডলার এবং খালি কনটেইনারে ১৫ ডলার বাড়তি চার্জ প্রযোজ্য হবে।

১৫ অক্টোবরের পর যেসব পণ্যচালান চট্টগ্রাম বন্দরে জেটিতে বার্থিং বা আনবার্থিং করবে, তাদের ক্ষেত্রে এই নতুন হার কার্যকর হবে।

এর আগে, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শিপিং কোম্পানি মায়েরস্ক লাইন ২০ ফুট কনটেইনারে টার্মিনাল হ্যান্ডলিং চার্জ ১২০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১৬৫ ডলার করার ঘোষণা দেয়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বন্দরের ট্যারিফ বৃদ্ধি ও শিপিং কোম্পানিগুলোর ফ্রেট সমন্বয়ের কারণে প্রতি কনটেইনারে আমদানি-রপ্তানি খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। এতে দেশের বাণিজ্য ব্যয় বৃদ্ধি ছাড়াও আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমে যেতে পারে।

ব্যবসায়িক সংগঠনগুলো ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের এই সিদ্ধান্ত স্থগিত করে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে যৌক্তিক হার নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে।

পোর্ট ইউজার্স ফোরামের আহ্বায়ক আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বরাবর জরুরি এক পত্রে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ২০২৫ সালের প্রস্তাবিত ট্যারিফ পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছি। গড়ে প্রায় ৪১ শতাংশ পর্যন্ত নতুন মাশুলের কারণে শিপিং লাইনগুলো ট্যারিফ বাড়াচ্ছে, যা ব্যবসার জন্য অশনিসংকেত।

তিনি আরও সতর্ক করেন, অতিরিক্ত এই ব্যয়ের বোঝা শেষ পর্যন্ত পণ্যমূল্যের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের কাঁধেই পড়বে।

নসগুলো ট্যারফি বাড়াচ্ছ,ে যা ব্যবসার জন্য অশনসিংকতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চট্টগ্রাম বন্দরের বর্ধিত ট্যারিফে শিপিং ব্যয় বাড়ছে, চাপ পড়বে ভোক্তার ওপর

আপডেট সময় : ০২:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

পোর্ট ডিউস, পাইলটেজ, বার্থ দখল ফি, স্টিভিডোরিং, টার্মিনাল হ্যান্ডলিংসহ সংশ্লিষ্ট জাহাজ ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং চার্জে গড়ে ৪১ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি

১৫ অক্টোবরের পর যেসব পণ্যচালান চট্টগ্রাম বন্দরে জেটিতে বার্থিং বা আনবার্থিং করবে, তাদের ক্ষেত্রে নতুন হার কার্যকর হবে

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (সিপিএ) নতুন বর্ধিত ট্যারিফ কার্যকর হওয়ায় দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে ব্যয় বাড়ছে। সমুদ্রগামী কনটেইনার জাহাজ মালিক ও অপারেটর প্রতিষ্ঠান এইচআর লাইনস লিমিটেড এবং আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানি মায়েরস্ক লাইন ইতোমধ্যেই তাদের ফ্রেট রেট সমন্বয়ের ঘোষণা দিয়েছে। ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, এই অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপরই পড়বে।

প্রাপ্ত তথ্যানুসারে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ১৫ অক্টোবর থেকে নতুন ট্যারিফ কার্যকর করেছে, যার আওতায় পোর্ট ডিউস, পাইলটেজ, বার্থ দখল ফি, স্টিভিডোরিং, টার্মিনাল হ্যান্ডলিংসহ সংশ্লিষ্ট জাহাজ ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং চার্জে গড়ে ৪১ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এইচআর লাইনস জানিয়েছে, টেকসই অপারেশন, নিরবচ্ছিন্ন সেবা এবং ব্যয় ভারসাম্য বজায় রাখতে ফ্রেট রেট সমন্বয় অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। নতুন হার অনুযায়ী এইচকেভিত্তিক চুক্তিতে প্রতিটি পণ্যবোঝাই কনটেইনারে অতিরিক্ত ৩০ ডলার এবং খালি কনটেইনারে ২০ ডলার চার্জ আরোপ করা হবে।

এফআইওভিত্তিক চুক্তিতে প্রতি টিইইউস (২০ ফুট কনটেইনার) এর জন্য পণ্যবোঝাই কনটেইনারে ২৫ ডলার এবং খালি কনটেইনারে ১৫ ডলার বাড়তি চার্জ প্রযোজ্য হবে।

১৫ অক্টোবরের পর যেসব পণ্যচালান চট্টগ্রাম বন্দরে জেটিতে বার্থিং বা আনবার্থিং করবে, তাদের ক্ষেত্রে এই নতুন হার কার্যকর হবে।

এর আগে, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শিপিং কোম্পানি মায়েরস্ক লাইন ২০ ফুট কনটেইনারে টার্মিনাল হ্যান্ডলিং চার্জ ১২০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১৬৫ ডলার করার ঘোষণা দেয়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বন্দরের ট্যারিফ বৃদ্ধি ও শিপিং কোম্পানিগুলোর ফ্রেট সমন্বয়ের কারণে প্রতি কনটেইনারে আমদানি-রপ্তানি খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। এতে দেশের বাণিজ্য ব্যয় বৃদ্ধি ছাড়াও আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমে যেতে পারে।

ব্যবসায়িক সংগঠনগুলো ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের এই সিদ্ধান্ত স্থগিত করে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে যৌক্তিক হার নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে।

পোর্ট ইউজার্স ফোরামের আহ্বায়ক আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বরাবর জরুরি এক পত্রে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ২০২৫ সালের প্রস্তাবিত ট্যারিফ পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছি। গড়ে প্রায় ৪১ শতাংশ পর্যন্ত নতুন মাশুলের কারণে শিপিং লাইনগুলো ট্যারিফ বাড়াচ্ছে, যা ব্যবসার জন্য অশনিসংকেত।

তিনি আরও সতর্ক করেন, অতিরিক্ত এই ব্যয়ের বোঝা শেষ পর্যন্ত পণ্যমূল্যের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের কাঁধেই পড়বে।

নসগুলো ট্যারফি বাড়াচ্ছ,ে যা ব্যবসার জন্য অশনসিংকতে।