ঢাকা ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ বেনাপোলে এক বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রী আটক বস্তিবাসীদের উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার আশ্বাস তারেক রহমানের চাপ তৈরি করে ভারতে খেলাতে বাধ্য করা যাবে না চানখাঁরপুল মামলার রায় ২৬ জানুয়ারি: মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার অপেক্ষায় দেশ ইরানে হামলা নিয়ে আবারও কঠোর হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে ঐতিহ্যবাহী শুভেচ্ছায় স্বাগত জানালেন মোদি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় শহীদ জিয়াউর রহমানের জন্মদিন উদ্যাপন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই ৪০০ ঘর, শত শত পরিবার আশ্রয়হীন আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবে বরাত শার্শায় র‌্যাবের অভিযানে ২৯৭০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

কামড় দেওয়া রাসেলস ভাইপার মেরে নিয়েই হাসপাতালে কৃষক

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৯:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুলাই ২০২৪ ২৮৩ বার পড়া হয়েছে

চিকিৎসাধীন মমিন শেখ : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ইদানিং রাসেলস ভাইপার সাপের উপদ্রব বেড়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে এই সাপের কামড়ে। মারাও পড়েছে বেশ কিছু সাপ।

ঘূর্ণিঝড় রেমেলের পর থেকেই মূলত এই সাপের উপদ্রব দেখা দিয়েছে। কারণ, ঘূর্ণিঝড় রেমেলের তান্ডবে তোখাও কোথাও ৮ থেকে ১০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হয়েছে।

সুন্দরবনেও ৭ থেকে ৮ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়েছে। ধারণ করা হচ্ছে, জলোচ্ছ্বাসে বনের সাপ স্রোতের সঙ্গে বেড়িয়ে এসেছে।

এদিকে মাদারীপুরের শিবচরের পদ্মার চরাঞ্চল চরজানাজাতে সাপের কামড়ের শিকার হয়েছেন কৃষক মমিন শেখ। এরপর কৃষক মমিন শেখ ও তার ছেলে রাসেলস ভাইপার সাপটিকে মেরে শিবচর হাসপাতালে নিয়ে আসে। মমিন শেখের চিকিৎসা চলছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বর্ষা মৌসুমে শিবচরের পদ্মা নদীর চরাঞ্চল চরজানাজাত ইউনিয়নে সাপের উপদ্রব বেড়েছে। ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের আজিজ শেখের ছেলে মমিন শেখ বাড়ির চারদিকে জাল দিয়ে বেড়া দেন। গত রোববার সন্ধ্যায় তিনি বেড়া তল্লাশির সময় হাতে আঘাত অনুভব করেন।

এরপর তিনি সামনে একটি সাপ দেখতে পান। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে হাত বেঁধে রাখেন। তারপর ছেলেকে নিয়ে সাপটি মেরে ফেলেন। সাপটিকে নিয়ে তিনি শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন। চিকিৎসকরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি নিয়ে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। তার অবস্থা স্থিতিশীল।

মমিন শেখ বলেন, চরে সাপের উপদ্রব এবার অনেক বেশি, তাই বাড়ির চারদিকে বেড়া দিচ্ছিলাম। এ সময় সাপে কাটে। পরে হাতে বাঁধ দিয়ে সাপটিকে মেরে হাসপাতালে নিয়ে আসি। শরীরটা ব্যথা, মাথা ঘুরায়।

কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. প্রিন্স বলেন, মমিন শেখকে আমরা পর্যবেক্ষণে রেখেছি। তবে রক্ত স্বাভাবিক থাকায় এখনও এন্টিভেনম দেওয়া হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কামড় দেওয়া রাসেলস ভাইপার মেরে নিয়েই হাসপাতালে কৃষক

আপডেট সময় : ০৮:১৯:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুলাই ২০২৪

 

ইদানিং রাসেলস ভাইপার সাপের উপদ্রব বেড়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে এই সাপের কামড়ে। মারাও পড়েছে বেশ কিছু সাপ।

ঘূর্ণিঝড় রেমেলের পর থেকেই মূলত এই সাপের উপদ্রব দেখা দিয়েছে। কারণ, ঘূর্ণিঝড় রেমেলের তান্ডবে তোখাও কোথাও ৮ থেকে ১০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হয়েছে।

সুন্দরবনেও ৭ থেকে ৮ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়েছে। ধারণ করা হচ্ছে, জলোচ্ছ্বাসে বনের সাপ স্রোতের সঙ্গে বেড়িয়ে এসেছে।

এদিকে মাদারীপুরের শিবচরের পদ্মার চরাঞ্চল চরজানাজাতে সাপের কামড়ের শিকার হয়েছেন কৃষক মমিন শেখ। এরপর কৃষক মমিন শেখ ও তার ছেলে রাসেলস ভাইপার সাপটিকে মেরে শিবচর হাসপাতালে নিয়ে আসে। মমিন শেখের চিকিৎসা চলছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বর্ষা মৌসুমে শিবচরের পদ্মা নদীর চরাঞ্চল চরজানাজাত ইউনিয়নে সাপের উপদ্রব বেড়েছে। ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের আজিজ শেখের ছেলে মমিন শেখ বাড়ির চারদিকে জাল দিয়ে বেড়া দেন। গত রোববার সন্ধ্যায় তিনি বেড়া তল্লাশির সময় হাতে আঘাত অনুভব করেন।

এরপর তিনি সামনে একটি সাপ দেখতে পান। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে হাত বেঁধে রাখেন। তারপর ছেলেকে নিয়ে সাপটি মেরে ফেলেন। সাপটিকে নিয়ে তিনি শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন। চিকিৎসকরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি নিয়ে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। তার অবস্থা স্থিতিশীল।

মমিন শেখ বলেন, চরে সাপের উপদ্রব এবার অনেক বেশি, তাই বাড়ির চারদিকে বেড়া দিচ্ছিলাম। এ সময় সাপে কাটে। পরে হাতে বাঁধ দিয়ে সাপটিকে মেরে হাসপাতালে নিয়ে আসি। শরীরটা ব্যথা, মাথা ঘুরায়।

কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. প্রিন্স বলেন, মমিন শেখকে আমরা পর্যবেক্ষণে রেখেছি। তবে রক্ত স্বাভাবিক থাকায় এখনও এন্টিভেনম দেওয়া হয়নি।