ঢাকা ০৭:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম লাইনে দাঁড়িয়ে স্বস্তি: অল্প সময়েই তেল পেলেন বাইকচালক মোহাম্মদ আলী দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে

কাপ্তাই লেক জাতীয় সম্পদ, সংরক্ষণে জরুরি উদ্যোগ দরকার, মৎস্য উপদেষ্টা

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৫:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫ ১৭০ বার পড়া হয়েছে

কাপ্তাই লেক জাতীয় সম্পদ, সংরক্ষণে জরুরি উদ্যোগ দরকার, মৎস্য উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, কাপ্তাই লেক দেশের সম্পদ, এই লেককে রক্ষা করতে হবে। এজন্য সরকার যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

রোববার রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ মৎস্য উন্নয়ন ও বিপণনকেন্দ্র আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) মৎস্য অবতরণ ঘাটে কাপ্তাই হ্রদে পোনা অবমুক্তকরণ ও মৎস্যজীবীদের মাঝে ভিজিএফ কার্ডের মাধ্যমে চাল বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন।

উপদেষ্টা বলেন, মাছ ধরার নিষিদ্ধ সময়ে কেউ যেন মাছ না ধরতে পারে, সেজন্য নজরদারি বাড়ানো হবে। কিছু অসাধু জেলে ও ব্যবসায়ী নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে, সেটি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া বন্ধের সময় ভিজিএফের আওতায় চালের পরিমাণ ২০ কেজি থেকে বাড়িয়ে ৪০ কেজি করা হবে।

মৎস্য উপদেষ্টা বলেন, কাপ্তাই লেকে এক সময় ৮৬ প্রজাতির নানা রকমের মাছ থাকলেও বর্তমানে তা কমে ৬৬ প্রজাতির মধ্যে চলে এসেছে। তাই মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে মৎস্য ব্যবসায়ীসহ জেলেদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, কাপ্তাই হ্রদে যেসব পর্যটক ঘুরে বেড়ান তারা বিভিন্নভাবে হ্রদে দূষণ করেন। জেলা পরিষদ এবং জেলা প্রশাসন এ বিষয়ে উদ্যোগ নিলে ট্যুরিস্টদের সচেতন করতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ফরিদা আখতার আরও বলেন, কাপ্তাই হ্রদে উৎপাদিত মাছ দিয়ে ব্যবসা করলে হবে না; মাছের প্রজনন বৃদ্ধি কীভাবে বাড়ানো যায় সেজন্য কাজ করতে হবে।

বিএফডিসির চেয়ারম্যান সুরাইয়া আখতার জাহানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. তোফাজ্জেল হোসেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা।

রাঙামাটি রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্র, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ, পুলিশ সুপার এসএম ফরহাদ হোসেন,  সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মৎস্য ব্যবসায়ী মাহফুজ উদ্দিন।

পরে উপদেষ্টা বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের নদী উপকেন্দ্র রাঙামাটি পরিদর্শন এবং মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কাপ্তাই লেক জাতীয় সম্পদ, সংরক্ষণে জরুরি উদ্যোগ দরকার, মৎস্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, কাপ্তাই লেক দেশের সম্পদ, এই লেককে রক্ষা করতে হবে। এজন্য সরকার যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

রোববার রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ মৎস্য উন্নয়ন ও বিপণনকেন্দ্র আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) মৎস্য অবতরণ ঘাটে কাপ্তাই হ্রদে পোনা অবমুক্তকরণ ও মৎস্যজীবীদের মাঝে ভিজিএফ কার্ডের মাধ্যমে চাল বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন।

উপদেষ্টা বলেন, মাছ ধরার নিষিদ্ধ সময়ে কেউ যেন মাছ না ধরতে পারে, সেজন্য নজরদারি বাড়ানো হবে। কিছু অসাধু জেলে ও ব্যবসায়ী নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে, সেটি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া বন্ধের সময় ভিজিএফের আওতায় চালের পরিমাণ ২০ কেজি থেকে বাড়িয়ে ৪০ কেজি করা হবে।

মৎস্য উপদেষ্টা বলেন, কাপ্তাই লেকে এক সময় ৮৬ প্রজাতির নানা রকমের মাছ থাকলেও বর্তমানে তা কমে ৬৬ প্রজাতির মধ্যে চলে এসেছে। তাই মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে মৎস্য ব্যবসায়ীসহ জেলেদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, কাপ্তাই হ্রদে যেসব পর্যটক ঘুরে বেড়ান তারা বিভিন্নভাবে হ্রদে দূষণ করেন। জেলা পরিষদ এবং জেলা প্রশাসন এ বিষয়ে উদ্যোগ নিলে ট্যুরিস্টদের সচেতন করতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ফরিদা আখতার আরও বলেন, কাপ্তাই হ্রদে উৎপাদিত মাছ দিয়ে ব্যবসা করলে হবে না; মাছের প্রজনন বৃদ্ধি কীভাবে বাড়ানো যায় সেজন্য কাজ করতে হবে।

বিএফডিসির চেয়ারম্যান সুরাইয়া আখতার জাহানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. তোফাজ্জেল হোসেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা।

রাঙামাটি রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্র, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ, পুলিশ সুপার এসএম ফরহাদ হোসেন,  সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মৎস্য ব্যবসায়ী মাহফুজ উদ্দিন।

পরে উপদেষ্টা বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের নদী উপকেন্দ্র রাঙামাটি পরিদর্শন এবং মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।