কলেরা ও টাইফয়েট টিকা গবেষণায় বিজ্ঞানী ফেরদৌসী কাদরীর ম্যাগসেসে পুরস্কার জয় করলেন
- আপডেট সময় : ০৩:৩৯:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অগাস্ট ২০২১ ৫৩৯ বার পড়া হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত
মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নায়ক ফেরদৌসী কাদরী : বিল গেটস
“বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. ফেরদৌসী কাদরী আইসিডিডিআরবির ইমিউনোলজি বিভাগের প্রধান। ও সাশ্রয়ী দামে টিকা সহজলভ্য করে লাখো প্রাণ রক্ষা করেছেন। বর্তমানে তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার টিকাবিষয়ক বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য। ফেরদৌসী কাদরীকে নিয়ে মঙ্গলবার নিজের ব্লগ গেটস নোটসে লিখেছেন মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস”
কলেরা আর টাইফয়েডের টিকা তৈরি করে হাজারো মানুষের প্রাণ বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর, বি) জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. ফেরদৌসী কাদরী পাচ্ছেন চলতি বছরের র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার। ফাউন্ডেশনের সংবাদ
বার্তায় বলা হয়, কলেরা এবং টাইফয়েডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে টিকা আবিষ্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন ড. ফেরদৌসী। এই পুরস্কারের মাধ্যমে ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব ট্রাস্টি বিজ্ঞান পেশায় তার নিষ্ঠার স্বীকৃতি দিচ্ছে।
আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী বিজ্ঞানী ফেরদৌসী কাদরী। বাঙলার উজ্জ্বল নক্ষত্র। কলেরার টিকা নিয়ে গবেষণা ও সাশ্রয়ী দামে টিকা

সহজলভ্য করে লাখো মানুষের প্রাণ রক্ষায় কাজ করেছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার টিকাবিষয়ক বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন তিনি। পুরস্কার ঘোষণার সময় র্যামন ম্যাগসেসে কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, লাখো মানুষের উপকারে টিকার উন্নয়নে তাঁর নিবেদিত ভূমিকার জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হলো।
এশিয়ার নোবেল খ্যাত ‘ম্যাগসেসে পুরস্কার’। বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ড. ফেরদৌসী কাদরী পেয়েছেন এই পুরষ্কার। মঙ্গলবার ফিলিপাইন থেকে র্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। র্যামন ম্যাগসেসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ম্যাগসেসে কমিটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে এক ভিডিও বার্তায় ড. ফেরদৌসী কাদরী বলেন, আমি আনন্দিত ও সম্মানিত বোধ করছি। র্যামন ম্যাসসেসেকে এ জন্য ধন্যবাদ জানাই। এই পুরস্কার আমি বাংলাদেশ, আমার জন্মভূমির প্রতি উৎসর্গ করলাম।

সেই সঙ্গে আমার প্রতিষ্ঠান আইসিডিডিআরবিকে উৎসর্গ করছি। এই প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে আমার কাজ এগিয়ে নিতে সহযোগিতা করেছে। ফেরদৌসী কাদরী তাঁর বার্তায় বাকি জীবন জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে উৎসর্গ করার প্রতিশ্রুতি দেন।
ফেরদৌসী কাদরীর সঙ্গে পাকিস্তানে ক্ষুদ্রঋন নিয়ে কাজ করা মুহাম্মদ আমজাদ সাদিক, উদ্বাস্তুদের সহায়তায় কাজ করা মানবাধিকার কর্মী স্টিভেন মানসি, ফিলিপিন্সের মৎস্যজীবী রবার্তো ব্যালস এবং ইন্দোনেশিয়ার প্রোডাকশন হাউজ ওয়াচডক এবার এ পুরস্কার পাচ্ছেন।

১৯৮৮ সালে আইসিডিডিআর, বিতে যোগ দেওয়া ড. ফেরদৌসী কাদরী এখন এ সংস্থার ইমিউনোলজি বিভাগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। কলেরা থেকে মানুষকে বাঁচাতে সাশ্রয়ী মূল্যে মুখে খাওয়ার টিকা নিয়ে যারা কাজ করেছেন, ড. ফেরদৌসী তাদের একজন।
উন্নয়নশীল দেশগুলোতে শিশুদের সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এর আগে ২০২০ সালে তিনি পেয়েছিলেন ল’রিয়েল-ইউনেসকো ফর ওমেন ইন সায়েন্স অ্যাওয়ার্ড।



















