ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইসরায়েলে সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা, প্রধানমন্ত্রী পদে থাকছেন কি নেতানিয়াহু? জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন তারেক রহমান বিদেশি সহায়তার নির্ভরতা নয়, বিনিয়োগভিত্তিক অংশীদারত্বে এগোতে চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির নতুন শক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সানায়ে তাকাইচির উষ্ণ অভ্যর্থনা রিয়াদ বিমানবন্দর ও সৌদির তেল স্থাপনায় হামলার দাবি হুথিদের জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জোরালো আহ্বান কন্যাশিক্ষার শিক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সম্মাননা পেলেন ৫ আদর্শ পিতা তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সফরে টোকিওতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উদ্যোগ পাথরের আঘাতে রক্তাক্ত রেলযাত্রা, যাত্রীর প্রাণ বাঁচাতে এবার সিসিটিভি

ইসরায়েলে সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা, প্রধানমন্ত্রী পদে থাকছেন কি নেতানিয়াহু?

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৪৯:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে মোদিইনে ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচনের প্রথম এক্সিট পোলের ফলাফল প্রকাশের পর ইতামার বেন গভিরের ওৎজমা ইহুদিত দলের সমর্থকরা উল্লাস করছেন। (এপি ফটো/লিও কোরেয়া)

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেট নির্বাচনের বুথফেরত জরিপে কোনো রাজনৈতিক জোটই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন নিশ্চিত করতে পারেনি। ফলে দেশটিতে নতুন সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোট এবং বিরোধী শিবিরের মধ্যে আসনসংখ্যার ব্যবধান থাকলেও, শেষ পর্যন্ত কে সরকার গঠন করবেন, তা নির্ভর করবে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল, ছোট দলগুলোর অবস্থান এবং রাজনৈতিক দর-কষাকষির ওপর।

ইসরায়েলের ১২০ সদস্যের নেসেটে সরকার গঠনের জন্য সাধারণত ৬১ জন আইনপ্রণেতার সমর্থন প্রয়োজন। কিন্তু বুথফেরত জরিপের হিসাব অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর জোট ৫২টি এবং সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ৪৯টি আসন পেতে পারে। অন্যদিকে, আরব-নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক তালিকা ১৯টি আসন পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই হিসাব চূড়ান্ত ফল নয়; ফলে আসনসংখ্যায় পরিবর্তন এলে সরকার গঠনের সমীকরণও বদলে যেতে পারে।

এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নেতানিয়াহু কিংবা আইজেনকট, কেউই নিশ্চিতভাবে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চিহ্নিত নন। তবে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত নেতানিয়াহু তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন। নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের সাংবিধানিক ভূমিকা হবে সরকার গঠনের পথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।

ইসরায়েলে সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা,

বুথফেরত জরিপে কী দেখা যাচ্ছে

২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের পর ইসরায়েলের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের বুথফেরত জরিপে আসন বণ্টন নিয়ে কিছু পার্থক্য দেখা গেছে। রয়টার্সের ২৮ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চ্যানেল ১১ ও চ্যানেল ১৩-এর জরিপে দুই প্রধান শিবিরই প্রায় ৫১টি করে আসন পেতে পারে। চ্যানেল ১২-এর হিসাবে নেতানিয়াহুর জোট ৫২টি এবং বিরোধী জোট ৪৯টি আসন পেতে পারে। অর্থাৎ, জরিপের ফল এক নয়, তবে কোনো প্রধান শিবিরের জন্যই সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত হয়নি।

নির্বাচনের এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো একটি দল সবচেয়ে বেশি আসন পেলেই সেই দলের নেতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রধানমন্ত্রী হন না। ইসরায়েলের সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকার গঠনের জন্য অন্যান্য দলের সমর্থন নিয়ে কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা তৈরি করতে হয়। ফলে লিকুদ পার্টি এককভাবে সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও নেতানিয়াহুকে জোটের শরিকদের সমর্থন নিশ্চিত করতে হবে।

অন্যদিকে, বিরোধী শিবিরের দলগুলোও নিজেদের মধ্যে সমঝোতা করে এবং ছোট দলগুলোর সমর্থন নিয়ে সরকার গঠনের চেষ্টা করতে পারে। তবে তাদের মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলে সেই সমঝোতা বাস্তবায়ন কঠিন হতে পারে।

আরব দলগুলো কেন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে

এবারের নির্বাচনে আরব-নেতৃত্বাধীন দলগুলোর আসনসংখ্যা সরকার গঠনের সমীকরণে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। চ্যানেল ১২-এর বুথফেরত জরিপে তাদের জন্য ১৯টি আসনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য জরিপে সম্মিলিত আসনসংখ্যা ১৭ থেকে ১৮-এর মধ্যে দেখা গেছে। এই পার্থক্য আবারও মনে করিয়ে দেয় যে চূড়ান্ত ফল প্রকাশের আগে আসনসংখ্যাকে নিশ্চিত হিসেবে ধরে নেওয়া যাবে না।

আরব দলগুলোর সমর্থন পেলে কোনো একটি শিবির সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। এ কারণে তাদের ‘কিংমেকার’ বা সরকার গঠনের ক্ষেত্রে নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে আসনসংখ্যা বেশি হলেই তারা যে কোনো জোটে যোগ দেবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

এখানে রাজনৈতিক বাধাও রয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইজেনকট আরব দলগুলোর সঙ্গে সরকার গঠন নিয়ে আপত্তির মুখে রয়েছেন। ফলে বিরোধী শিবিরের জন্য আরব দলগুলোর সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা এবং সেই সমর্থনকে আনুষ্ঠানিক জোটে রূপ দেওয়ার বাস্তবতা এক বিষয় নয়। অন্যদিকে, নেতানিয়াহুর শিবিরকেও ছোট দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, সিদ্ধান্ত নেবেন কে

প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, সিদ্ধান্ত নেবেন কে

নির্বাচনের পর সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরামর্শ করবেন। কোন নেতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান, সে বিষয়ে দলগুলোর মতামত শুনবেন তিনি।

এরপর প্রেসিডেন্ট এমন একজন নেসেট সদস্যকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেবেন, যাঁর পক্ষে প্রয়োজনীয় সমর্থন জোগাড় করে সরকার গঠনের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি বলে মনে হবে। সবচেয়ে বেশি আসন পাওয়া দলের নেতাকেই যে এই দায়িত্ব দিতে হবে, এমন বাধ্যবাধকতা নেই।

এই নিয়মের কারণে নেতানিয়াহু ও আইজেনকট—দুজনই সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। নেতানিয়াহু তাঁর দল ও ডানপন্থী মিত্রদের নিয়ে সরকার গঠনের চেষ্টা করতে পারেন। আইজেনকটও বিরোধী দলগুলোর সমর্থন একত্র করে বিকল্প সরকার গঠনের চেষ্টা করতে পারেন। তবে তাঁদের কারও ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত হয়েছে—এমন তথ্য এখনো নেই।

২৮ অক্টোবরের রয়টার্স প্রতিবেদনে দেখা যায়, নেতানিয়াহু একটি শক্তিশালী ডানপন্থী জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে, আইজেনকট দাবি করেছেন, ভোটাররা নেতানিয়াহুকে ক্ষমতায় রাখার পক্ষে রায় দেননি। এগুলো দুই নেতার নিজস্ব রাজনৈতিক বক্তব্য; বুথফেরত জরিপের ভিত্তিতে কোন বক্তব্য শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যায় না।

সরকার গঠনের জন্য কত দিন সময় পাওয়া যাবে

ইসরায়েলের সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট আইন দ্বারা পরিচালিত হয়। দেশটির নেসেটের সরকারি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর প্রেসিডেন্টকে সাত দিনের মধ্যে একজন আইনপ্রণেতাকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিতে হয়। মনোনীত ব্যক্তি প্রথমে ২৮ দিন সময় পাবেন। প্রয়োজন হলে প্রেসিডেন্ট আরও সর্বোচ্চ ১৪ দিন সময় বাড়াতে পারবেন। অর্থাৎ, প্রথম দফায় সরকার গঠনের জন্য সর্বোচ্চ ৪২ দিন সময় পাওয়া সম্ভব।

এই সময়ের মধ্যে দলগুলোর মধ্যে মন্ত্রিত্ব বণ্টন, নীতিগত সমঝোতা এবং জোটের শর্ত নিয়ে আলোচনা চলবে। কোনো দল সরকারে যোগ দিতে চাইলে তারা নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা চাইতে পারে। একইভাবে, কোনো ছোট দলকে সমর্থন দেওয়ার বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় বা নীতিগত ছাড় দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।

সমঝোতা হলে নতুন সরকার নেসেটে তাদের নীতিমালা ও মন্ত্রিসভার কাঠামো উপস্থাপন করবে। এরপর পার্লামেন্টে আস্থা অর্জন করতে হবে। সরকার গঠনের জন্য শুধু নির্বাচনে ভালো ফল করাই যথেষ্ট নয়; সংসদে প্রয়োজনীয় সমর্থনও নিশ্চিত করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী পদে থাকছেন কি নেতানিয়াহু?

কোনো জোট সরকার গঠন করতে না পারলে কী হবে

প্রথমবার যাঁকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হবে, তিনি ব্যর্থ হলে প্রেসিডেন্ট অন্য একজন আইনপ্রণেতাকে দায়িত্ব দিতে পারেন। দ্বিতীয় দফায় মনোনীত ব্যক্তির জন্য ২৮ দিন সময় নির্ধারিত রয়েছে, যা বাড়ানো যায় না। তিনিও ব্যর্থ হলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপের সুযোগ তৈরি হবে। নেসেটের সদস্যদের মধ্য থেকে বিকল্প প্রার্থী মনোনয়নের প্রক্রিয়াও রয়েছে।

শেষ পর্যন্ত কোনো সরকার গঠন সম্ভব না হলে নতুন নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। সে সময় পর্যন্ত বিদায়ী সরকার দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে। ফলে সরকার গঠনের আলোচনা দীর্ঘায়িত হলেও নেতানিয়াহু সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পদ হারাবেন না।

আবার, ৬১ জন আইনপ্রণেতার সমর্থন নিয়ে আনুষ্ঠানিক জোট গঠন করতে না পারলেও কোনো প্রার্থী সংসদে প্রয়োজনীয় আস্থা অর্জনের বিকল্প পথ খুঁজতে পারেন। যেমন, ছোট দলগুলোর বাইরে থেকে সমর্থন নিয়ে সংখ্যালঘু সরকার গঠনের চেষ্টা করা যেতে পারে। তবে এই ধরনের সরকার কতটা স্থিতিশীল হবে, তা নির্ভর করবে সংসদে সমর্থন ধরে রাখার সক্ষমতার ওপর।

আগেও এমন অচলাবস্থায় পড়েছিল ইসরায়েল

ইসরায়েলের রাজনীতিতে নির্বাচনের পর সরকার গঠন নিয়ে অচলাবস্থা নতুন ঘটনা নয়। ২০১৯ সালের এপ্রিল থেকে ২০২০ সালের মার্চ পর্যন্ত দেশটিতে তিনবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েনের পর বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও বেনি গান্টজের মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগির সমঝোতা হয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী, পর্যায়ক্রমে দুজনের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের কথা ছিল। কিন্তু বাজেট নিয়ে বিরোধের কারণে এক বছরের মধ্যে সেই সরকার ভেঙে পড়ে।

এই অভিজ্ঞতা দেখায়, সরকার গঠনের জন্য সমঝোতা করা গেলেও জোটের ভেতরে মতপার্থক্য থাকলে সরকার দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে। এবারের নির্বাচনেও কোনো পক্ষ প্রয়োজনীয় সমর্থন জোগাড় করতে ব্যর্থ হলে দীর্ঘ আলোচনা কিংবা নতুন নির্বাচনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

সামনে কী অপেক্ষা করছে

২৮ অক্টোবর পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের নির্বাচনে কোনো পক্ষেরই সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত হয়নি। চূড়ান্ত ফলাফলের পর প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দলগুলোর পরামর্শ, জোটের আলোচনা এবং সংসদে আস্থা অর্জনের প্রক্রিয়া নির্ধারণ করবে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হবেন।

নেতানিয়াহু ক্ষমতায় থাকতে চাইছেন, আর আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী শিবির বিকল্প সরকার গঠনের সুযোগ খুঁজছে। দুই পক্ষের বাইরেও আরব-নেতৃত্বাধীন দল ও অন্যান্য ছোট দলের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তবে তাদের সমর্থন কোন দিকে যাবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

ইসরায়েলের নির্বাচন-সংক্রান্ত প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, চূড়ান্ত ফলাফলের আনুষ্ঠানিক প্রকাশের তারিখ ৪ নভেম্বর নির্ধারিত রয়েছে। এরপর সরকার গঠনের প্রক্রিয়া আরও স্পষ্ট হবে। তত দিন পর্যন্ত নেতানিয়াহুই তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে থাকতে পারেন।

সুতরাং, এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন শুধু কোন দল বেশি আসন পেয়েছে, তা নয়; বরং কে সংসদে প্রয়োজনীয় সমর্থন একত্র করতে পারবে। সরকার গঠনের সেই সমীকরণই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে, নেতানিয়াহু প্রধানমন্ত্রীর পদে বহাল থাকবেন, নাকি আইজেনকটের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হবে।

সূত্র : আল-জাজিরা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ইসরায়েলে সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা, প্রধানমন্ত্রী পদে থাকছেন কি নেতানিয়াহু?

আপডেট সময় : ১২:৪৯:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেট নির্বাচনের বুথফেরত জরিপে কোনো রাজনৈতিক জোটই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন নিশ্চিত করতে পারেনি। ফলে দেশটিতে নতুন সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোট এবং বিরোধী শিবিরের মধ্যে আসনসংখ্যার ব্যবধান থাকলেও, শেষ পর্যন্ত কে সরকার গঠন করবেন, তা নির্ভর করবে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল, ছোট দলগুলোর অবস্থান এবং রাজনৈতিক দর-কষাকষির ওপর।

ইসরায়েলের ১২০ সদস্যের নেসেটে সরকার গঠনের জন্য সাধারণত ৬১ জন আইনপ্রণেতার সমর্থন প্রয়োজন। কিন্তু বুথফেরত জরিপের হিসাব অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর জোট ৫২টি এবং সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ৪৯টি আসন পেতে পারে। অন্যদিকে, আরব-নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক তালিকা ১৯টি আসন পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই হিসাব চূড়ান্ত ফল নয়; ফলে আসনসংখ্যায় পরিবর্তন এলে সরকার গঠনের সমীকরণও বদলে যেতে পারে।

এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নেতানিয়াহু কিংবা আইজেনকট, কেউই নিশ্চিতভাবে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চিহ্নিত নন। তবে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত নেতানিয়াহু তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন। নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের সাংবিধানিক ভূমিকা হবে সরকার গঠনের পথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।

ইসরায়েলে সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা,

বুথফেরত জরিপে কী দেখা যাচ্ছে

২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের পর ইসরায়েলের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের বুথফেরত জরিপে আসন বণ্টন নিয়ে কিছু পার্থক্য দেখা গেছে। রয়টার্সের ২৮ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চ্যানেল ১১ ও চ্যানেল ১৩-এর জরিপে দুই প্রধান শিবিরই প্রায় ৫১টি করে আসন পেতে পারে। চ্যানেল ১২-এর হিসাবে নেতানিয়াহুর জোট ৫২টি এবং বিরোধী জোট ৪৯টি আসন পেতে পারে। অর্থাৎ, জরিপের ফল এক নয়, তবে কোনো প্রধান শিবিরের জন্যই সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত হয়নি।

নির্বাচনের এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো একটি দল সবচেয়ে বেশি আসন পেলেই সেই দলের নেতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রধানমন্ত্রী হন না। ইসরায়েলের সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকার গঠনের জন্য অন্যান্য দলের সমর্থন নিয়ে কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা তৈরি করতে হয়। ফলে লিকুদ পার্টি এককভাবে সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও নেতানিয়াহুকে জোটের শরিকদের সমর্থন নিশ্চিত করতে হবে।

অন্যদিকে, বিরোধী শিবিরের দলগুলোও নিজেদের মধ্যে সমঝোতা করে এবং ছোট দলগুলোর সমর্থন নিয়ে সরকার গঠনের চেষ্টা করতে পারে। তবে তাদের মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলে সেই সমঝোতা বাস্তবায়ন কঠিন হতে পারে।

আরব দলগুলো কেন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে

এবারের নির্বাচনে আরব-নেতৃত্বাধীন দলগুলোর আসনসংখ্যা সরকার গঠনের সমীকরণে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। চ্যানেল ১২-এর বুথফেরত জরিপে তাদের জন্য ১৯টি আসনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য জরিপে সম্মিলিত আসনসংখ্যা ১৭ থেকে ১৮-এর মধ্যে দেখা গেছে। এই পার্থক্য আবারও মনে করিয়ে দেয় যে চূড়ান্ত ফল প্রকাশের আগে আসনসংখ্যাকে নিশ্চিত হিসেবে ধরে নেওয়া যাবে না।

আরব দলগুলোর সমর্থন পেলে কোনো একটি শিবির সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। এ কারণে তাদের ‘কিংমেকার’ বা সরকার গঠনের ক্ষেত্রে নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে আসনসংখ্যা বেশি হলেই তারা যে কোনো জোটে যোগ দেবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

এখানে রাজনৈতিক বাধাও রয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইজেনকট আরব দলগুলোর সঙ্গে সরকার গঠন নিয়ে আপত্তির মুখে রয়েছেন। ফলে বিরোধী শিবিরের জন্য আরব দলগুলোর সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা এবং সেই সমর্থনকে আনুষ্ঠানিক জোটে রূপ দেওয়ার বাস্তবতা এক বিষয় নয়। অন্যদিকে, নেতানিয়াহুর শিবিরকেও ছোট দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, সিদ্ধান্ত নেবেন কে

প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, সিদ্ধান্ত নেবেন কে

নির্বাচনের পর সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরামর্শ করবেন। কোন নেতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান, সে বিষয়ে দলগুলোর মতামত শুনবেন তিনি।

এরপর প্রেসিডেন্ট এমন একজন নেসেট সদস্যকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেবেন, যাঁর পক্ষে প্রয়োজনীয় সমর্থন জোগাড় করে সরকার গঠনের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি বলে মনে হবে। সবচেয়ে বেশি আসন পাওয়া দলের নেতাকেই যে এই দায়িত্ব দিতে হবে, এমন বাধ্যবাধকতা নেই।

এই নিয়মের কারণে নেতানিয়াহু ও আইজেনকট—দুজনই সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। নেতানিয়াহু তাঁর দল ও ডানপন্থী মিত্রদের নিয়ে সরকার গঠনের চেষ্টা করতে পারেন। আইজেনকটও বিরোধী দলগুলোর সমর্থন একত্র করে বিকল্প সরকার গঠনের চেষ্টা করতে পারেন। তবে তাঁদের কারও ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত হয়েছে—এমন তথ্য এখনো নেই।

২৮ অক্টোবরের রয়টার্স প্রতিবেদনে দেখা যায়, নেতানিয়াহু একটি শক্তিশালী ডানপন্থী জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে, আইজেনকট দাবি করেছেন, ভোটাররা নেতানিয়াহুকে ক্ষমতায় রাখার পক্ষে রায় দেননি। এগুলো দুই নেতার নিজস্ব রাজনৈতিক বক্তব্য; বুথফেরত জরিপের ভিত্তিতে কোন বক্তব্য শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যায় না।

সরকার গঠনের জন্য কত দিন সময় পাওয়া যাবে

ইসরায়েলের সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট আইন দ্বারা পরিচালিত হয়। দেশটির নেসেটের সরকারি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর প্রেসিডেন্টকে সাত দিনের মধ্যে একজন আইনপ্রণেতাকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিতে হয়। মনোনীত ব্যক্তি প্রথমে ২৮ দিন সময় পাবেন। প্রয়োজন হলে প্রেসিডেন্ট আরও সর্বোচ্চ ১৪ দিন সময় বাড়াতে পারবেন। অর্থাৎ, প্রথম দফায় সরকার গঠনের জন্য সর্বোচ্চ ৪২ দিন সময় পাওয়া সম্ভব।

এই সময়ের মধ্যে দলগুলোর মধ্যে মন্ত্রিত্ব বণ্টন, নীতিগত সমঝোতা এবং জোটের শর্ত নিয়ে আলোচনা চলবে। কোনো দল সরকারে যোগ দিতে চাইলে তারা নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা চাইতে পারে। একইভাবে, কোনো ছোট দলকে সমর্থন দেওয়ার বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় বা নীতিগত ছাড় দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।

সমঝোতা হলে নতুন সরকার নেসেটে তাদের নীতিমালা ও মন্ত্রিসভার কাঠামো উপস্থাপন করবে। এরপর পার্লামেন্টে আস্থা অর্জন করতে হবে। সরকার গঠনের জন্য শুধু নির্বাচনে ভালো ফল করাই যথেষ্ট নয়; সংসদে প্রয়োজনীয় সমর্থনও নিশ্চিত করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী পদে থাকছেন কি নেতানিয়াহু?

কোনো জোট সরকার গঠন করতে না পারলে কী হবে

প্রথমবার যাঁকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হবে, তিনি ব্যর্থ হলে প্রেসিডেন্ট অন্য একজন আইনপ্রণেতাকে দায়িত্ব দিতে পারেন। দ্বিতীয় দফায় মনোনীত ব্যক্তির জন্য ২৮ দিন সময় নির্ধারিত রয়েছে, যা বাড়ানো যায় না। তিনিও ব্যর্থ হলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপের সুযোগ তৈরি হবে। নেসেটের সদস্যদের মধ্য থেকে বিকল্প প্রার্থী মনোনয়নের প্রক্রিয়াও রয়েছে।

শেষ পর্যন্ত কোনো সরকার গঠন সম্ভব না হলে নতুন নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। সে সময় পর্যন্ত বিদায়ী সরকার দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে। ফলে সরকার গঠনের আলোচনা দীর্ঘায়িত হলেও নেতানিয়াহু সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পদ হারাবেন না।

আবার, ৬১ জন আইনপ্রণেতার সমর্থন নিয়ে আনুষ্ঠানিক জোট গঠন করতে না পারলেও কোনো প্রার্থী সংসদে প্রয়োজনীয় আস্থা অর্জনের বিকল্প পথ খুঁজতে পারেন। যেমন, ছোট দলগুলোর বাইরে থেকে সমর্থন নিয়ে সংখ্যালঘু সরকার গঠনের চেষ্টা করা যেতে পারে। তবে এই ধরনের সরকার কতটা স্থিতিশীল হবে, তা নির্ভর করবে সংসদে সমর্থন ধরে রাখার সক্ষমতার ওপর।

আগেও এমন অচলাবস্থায় পড়েছিল ইসরায়েল

ইসরায়েলের রাজনীতিতে নির্বাচনের পর সরকার গঠন নিয়ে অচলাবস্থা নতুন ঘটনা নয়। ২০১৯ সালের এপ্রিল থেকে ২০২০ সালের মার্চ পর্যন্ত দেশটিতে তিনবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েনের পর বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও বেনি গান্টজের মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগির সমঝোতা হয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী, পর্যায়ক্রমে দুজনের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের কথা ছিল। কিন্তু বাজেট নিয়ে বিরোধের কারণে এক বছরের মধ্যে সেই সরকার ভেঙে পড়ে।

এই অভিজ্ঞতা দেখায়, সরকার গঠনের জন্য সমঝোতা করা গেলেও জোটের ভেতরে মতপার্থক্য থাকলে সরকার দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে। এবারের নির্বাচনেও কোনো পক্ষ প্রয়োজনীয় সমর্থন জোগাড় করতে ব্যর্থ হলে দীর্ঘ আলোচনা কিংবা নতুন নির্বাচনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

সামনে কী অপেক্ষা করছে

২৮ অক্টোবর পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের নির্বাচনে কোনো পক্ষেরই সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত হয়নি। চূড়ান্ত ফলাফলের পর প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দলগুলোর পরামর্শ, জোটের আলোচনা এবং সংসদে আস্থা অর্জনের প্রক্রিয়া নির্ধারণ করবে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হবেন।

নেতানিয়াহু ক্ষমতায় থাকতে চাইছেন, আর আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী শিবির বিকল্প সরকার গঠনের সুযোগ খুঁজছে। দুই পক্ষের বাইরেও আরব-নেতৃত্বাধীন দল ও অন্যান্য ছোট দলের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তবে তাদের সমর্থন কোন দিকে যাবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

ইসরায়েলের নির্বাচন-সংক্রান্ত প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, চূড়ান্ত ফলাফলের আনুষ্ঠানিক প্রকাশের তারিখ ৪ নভেম্বর নির্ধারিত রয়েছে। এরপর সরকার গঠনের প্রক্রিয়া আরও স্পষ্ট হবে। তত দিন পর্যন্ত নেতানিয়াহুই তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে থাকতে পারেন।

সুতরাং, এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন শুধু কোন দল বেশি আসন পেয়েছে, তা নয়; বরং কে সংসদে প্রয়োজনীয় সমর্থন একত্র করতে পারবে। সরকার গঠনের সেই সমীকরণই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে, নেতানিয়াহু প্রধানমন্ত্রীর পদে বহাল থাকবেন, নাকি আইজেনকটের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হবে।

সূত্র : আল-জাজিরা