বিদেশি সহায়তার নির্ভরতা নয়, বিনিয়োগভিত্তিক অংশীদারত্বে এগোতে চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ১১:১৫:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে
বিদেশি সহায়তার ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে নিজস্ব সক্ষমতার ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বিনিয়োগভিত্তিক অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ। একই সঙ্গে বাংলাদেশের নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতি, অর্থনৈতিক নীতি ও নীতিনির্ধারণী কর্মসূচি নিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) জাপানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম দিনের কর্মসূচি শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
হুমায়ুন কবির জানান, প্রথম দিনের কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী ব্যস্ত সময় পার করেছেন। মঙ্গলবার জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর দ্বিপক্ষীয় ও শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠক শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত। ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর গণতান্ত্রিক উত্তরণের মধ্য দিয়ে এ সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক, বিশেষ করে সরকারের পররাষ্ট্রনীতি, অর্থনৈতিক নীতি ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আন্তর্জাতিক অংশীজনদের আগ্রহ রয়েছে।
তিনি বলেন, জাপান সফরে প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে যে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে, তা এই পরিবর্তিত পরিস্থিতির প্রতিফলন। সফরের বাকি দিনগুলোতেও সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের বিষয়ে জাপানের বেসরকারি খাতেরও আগ্রহ রয়েছে।
গত ১৫ বছরে শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশ ও জাপানের সম্পর্কের ক্ষেত্রে যেসব বাধা তৈরি হয়েছিল, সেগুলো কাটিয়ে নতুন অংশীদারত্ব গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন হুমায়ুন কবির।
তিনি বলেন, আগে আস্থার ঘাটতি ছিল, দুর্নীতিও বেশি ছিল। এখন গণতান্ত্রিক উত্তরণের মধ্য দিয়ে জাপান বাংলাদেশের সঙ্গে এমন একটি সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়, যেখানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি থাকবে। একই সঙ্গে থাকবে টেকসই ও সম্ভাবনাময় অংশীদারত্ব এবং বিনিয়োগ সহযোগিতা।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিদেশি সহায়তার ওপর নির্ভরশীলতার যুগ শেষ হয়েছে। বাংলাদেশ আর সহায়তার ওপর নির্ভর করে এগোতে চায় না। বরং নিজস্ব সক্ষমতার ওপর দাঁড়িয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বিনিয়োগভিত্তিক অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চায়। বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায় এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বিনিয়োগভিত্তিক অংশীদার হতে চায়।



















