ঢাকা ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কৃষিপণ্যের আমদানি কমিয়ে উৎপাদন  বাড়ানোর তাগিদ  প্রধানমন্ত্রীর সংযুক্ত আরব  আমিরাতে ৪,৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রিসেট চায় বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফর হওয়া উচিত হুমায়ুন ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ভিশন অগ্রাধিকার তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ রামপালের এক ইউনিট বন্ধ বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে অর্ধেক শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ শেরপুরে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধের চালান জব্দ ‘আমেরিকানরা যোদ্ধা হলে ইরানের বীর বাহিনীর মুখোমুখি হোক’: পেজেশকিয়ান আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি’: প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎকেন্দ্রে একের পর এক কারিগরি ত্রুটি, নাশকতার আশঙ্কা রিজভীর

ইলন মাস্ককে উদ্দেশ্য করে ব্যঙ্গ, পাল্টা মন্তব্যে উঠে এল ‘ট্রান্সজেন্ডার সন্তান’ প্রসঙ্গ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৮:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ ৫৮১ বার পড়া হয়েছে

ইলন মাস্ককে উদ্দেশ্য করে ব্যঙ্গ, পাল্টা মন্তব্যে উঠে এল ‘ট্রান্সজেন্ডার সন্তান’ প্রসঙ্গ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

একটি রাজনৈতিক ব্যঙ্গের জবাব দিতে গিয়ে আবারও নিজের ট্রান্সজেন্ডার সন্তানের বিষয়টি সামনে আনলেন ইলন মাস্ক। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এক সাক্ষাৎকারে মাস্ককে উদ্দেশ্য করে মন্তব্য করেন, তোমার মেয়ে তোমাকে ঘৃণা করে।

সেই মন্তব্যটিই ভাইরাল হয়। জবাবে মাস্ক প্রশ্ন করেন, আপনি কি আমার ছেলে জেভিয়ারের কথা বলছেন?

কারণ, যাকে নিয়ে মন্তব্য করা হয়েছিল তিনি হলেন ভিভিয়ান উইলসন, মাস্কের সন্তান, যিনি আগে জেভিয়ার মাস্ক নামে পরিচিত ছিলেন। ২০২২ সালে তিনি ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে পরিচয় জানান এবং নাম পরিবর্তন করে ‘ভিভিয়ান’ রাখেন। সেই সময় থেকেই তিনি বাবার সঙ্গে সম্পর্ক রাখছেন না।

মাস্ক মন্তব্যে লেখেন:  জেভিয়ারের একটি দুঃখজনক মানসিক অসুস্থতা আছে। এটি সেই ‘ওয়োক মাইন্ড ভাইরাস’-এর ফল, যা দুর্বল শিশুদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমি এখনো জেভিয়ারকে ভালোবাসি এবং আশা করি সে সুস্থ হয়ে উঠবে।

মাস্ক ভিভিয়ানের রূপান্তরকে স্বীকার করতে না পেরে বলেন, তার মাত্র তিন কন্যা আছে, আজুর, এক্সা (Y নামে পরিচিত) এবং আর্কাডিয়া। ভিভিয়ানকে তিনি কন্যা হিসেবেও উল্লেখ করেননি।

ইলন মাস্ক দীর্ঘদিন ধরে লিঙ্গ পরিবর্তন ও ট্রান্স অধিকার নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়ে আসছেন। তিনি বারবার বলেছেন যে তার সন্তানের লিঙ্গ রূপান্তরের পেছনে একটি জাগ্রত মতাদর্শ কাজ করেছে।

তিনি দাবি করেন, চিকিৎসকেরা তাকে বুঝিয়েছিলেন যে লিঙ্গ পরিবর্তনের অনুমতি না দিলে তার সন্তান আত্মহত্যা করতে পারে, যার কারণে তিনি ছেলেকে হারিয়ে ফেলেছেন।

অন্যদিকে, ভিভিয়ান আগে জানান যে তার বাবা ছিলেন নিষ্ঠুর এবং তিনি তার সমকামিতা বা নারীসুলভ আচরণ মেনে নিতে পারেননি।

পুরো ঘটনাটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক চলছে, ট্রান্স অধিকার, পিতামাতার ভূমিকা এবং সামাজিক মতাদর্শের সংঘাত আবারও সামনে এসেছে। সূত্র এনডিটিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ইলন মাস্ককে উদ্দেশ্য করে ব্যঙ্গ, পাল্টা মন্তব্যে উঠে এল ‘ট্রান্সজেন্ডার সন্তান’ প্রসঙ্গ

আপডেট সময় : ০৫:৫৮:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫

একটি রাজনৈতিক ব্যঙ্গের জবাব দিতে গিয়ে আবারও নিজের ট্রান্সজেন্ডার সন্তানের বিষয়টি সামনে আনলেন ইলন মাস্ক। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এক সাক্ষাৎকারে মাস্ককে উদ্দেশ্য করে মন্তব্য করেন, তোমার মেয়ে তোমাকে ঘৃণা করে।

সেই মন্তব্যটিই ভাইরাল হয়। জবাবে মাস্ক প্রশ্ন করেন, আপনি কি আমার ছেলে জেভিয়ারের কথা বলছেন?

কারণ, যাকে নিয়ে মন্তব্য করা হয়েছিল তিনি হলেন ভিভিয়ান উইলসন, মাস্কের সন্তান, যিনি আগে জেভিয়ার মাস্ক নামে পরিচিত ছিলেন। ২০২২ সালে তিনি ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে পরিচয় জানান এবং নাম পরিবর্তন করে ‘ভিভিয়ান’ রাখেন। সেই সময় থেকেই তিনি বাবার সঙ্গে সম্পর্ক রাখছেন না।

মাস্ক মন্তব্যে লেখেন:  জেভিয়ারের একটি দুঃখজনক মানসিক অসুস্থতা আছে। এটি সেই ‘ওয়োক মাইন্ড ভাইরাস’-এর ফল, যা দুর্বল শিশুদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমি এখনো জেভিয়ারকে ভালোবাসি এবং আশা করি সে সুস্থ হয়ে উঠবে।

মাস্ক ভিভিয়ানের রূপান্তরকে স্বীকার করতে না পেরে বলেন, তার মাত্র তিন কন্যা আছে, আজুর, এক্সা (Y নামে পরিচিত) এবং আর্কাডিয়া। ভিভিয়ানকে তিনি কন্যা হিসেবেও উল্লেখ করেননি।

ইলন মাস্ক দীর্ঘদিন ধরে লিঙ্গ পরিবর্তন ও ট্রান্স অধিকার নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়ে আসছেন। তিনি বারবার বলেছেন যে তার সন্তানের লিঙ্গ রূপান্তরের পেছনে একটি জাগ্রত মতাদর্শ কাজ করেছে।

তিনি দাবি করেন, চিকিৎসকেরা তাকে বুঝিয়েছিলেন যে লিঙ্গ পরিবর্তনের অনুমতি না দিলে তার সন্তান আত্মহত্যা করতে পারে, যার কারণে তিনি ছেলেকে হারিয়ে ফেলেছেন।

অন্যদিকে, ভিভিয়ান আগে জানান যে তার বাবা ছিলেন নিষ্ঠুর এবং তিনি তার সমকামিতা বা নারীসুলভ আচরণ মেনে নিতে পারেননি।

পুরো ঘটনাটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক চলছে, ট্রান্স অধিকার, পিতামাতার ভূমিকা এবং সামাজিক মতাদর্শের সংঘাত আবারও সামনে এসেছে। সূত্র এনডিটিভি