ঢাকা ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কৃষিপণ্যের আমদানি কমিয়ে উৎপাদন  বাড়ানোর তাগিদ  প্রধানমন্ত্রীর সংযুক্ত আরব  আমিরাতে ৪,৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রিসেট চায় বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফর হওয়া উচিত হুমায়ুন ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ভিশন অগ্রাধিকার তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ রামপালের এক ইউনিট বন্ধ বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে অর্ধেক শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ শেরপুরে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধের চালান জব্দ ‘আমেরিকানরা যোদ্ধা হলে ইরানের বীর বাহিনীর মুখোমুখি হোক’: পেজেশকিয়ান আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি’: প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎকেন্দ্রে একের পর এক কারিগরি ত্রুটি, নাশকতার আশঙ্কা রিজভীর

আসিম মুনিরের হাতে পাকিস্তানের পরমাণু ভান্ডারের নিয়ন্ত্রণ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৪৬:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৬২ বার পড়া হয়েছে

আসিম মুনিরের হাতে পাকিস্তানের পরমাণু ভান্ডারের নিয়ন্ত্রণ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পাকিস্তানের ক্ষমতার শীর্ষ কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন এনে ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনিরকে আরও পাঁচ বছরের জন্য দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সুপারিশে চিফ অব আর্মি স্টাফ (সিওএএস) এবং নবগঠিত চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস (সিডিএফ) পদে তার নিয়োগ অনুমোদন করা হয়। প্রেসিডেন্টের কার্যালয় বৃহস্পতিবার এক্সে প্রকাশিত বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সিডিএফ পদের মাধ্যমে মুনির পাকিস্তানের ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডের সর্বোচ্চ তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এ কমান্ডই পরিচালনা করে দেশটির পরমাণু অস্ত্র ভান্ডার ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা। অর্থাৎ কার্যত পাকিস্তানের পারমাণবিক সক্ষমতার ‘চাবিকাঠি’ এখন তার হাতেই। এনডিটিভি জানায়, তাকে আরও ক্ষমতাবান করতে সরকারের ভেতরে কিছু দ্বিধা থাকলেও শেষ পর্যন্ত শেহবাজ শরিফ তার নিয়োগে সবুজ সংকেত দেন।

গত মাসে গৃহীত পাকিস্তানের ২৭তম সাংবিধানিক সংশোধনীর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা বাহিনীর কমান্ড আরও কেন্দ্রীভূত করতে নতুন এই সিডিএফ পদটি সৃষ্টি করা হয়। শেহবাজ সরকারের পরিকল্পনা ছিল আগেই এই পদে নিয়োগ ঘোষণা করা, তবে ঘোষণার দিনই সেনাপ্রধান হিসেবে মুনিরের তিন বছরের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়।

এদিকে প্রেসিডেন্ট জারদারি পাকিস্তান বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আহমাদ বাবর সিধুর মেয়াদও দুই বছর বাড়িয়েছেন। এই মেয়াদ বৃদ্ধির কার্যকারিতা শুরু হবে আগামী বছরের ১৯ মার্চ থেকে।

চলতি বছর মুনির পাকিস্তানের দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে ফিল্ড মার্শাল খেতাবে ভূষিত হয়েছেন। এর আগে শুধু ১৯৬৫ সালের ভারত–পাকিস্তান যুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য জেনারেল আইয়ুব খান এই সম্মান অর্জন করেছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আসিম মুনিরের হাতে পাকিস্তানের পরমাণু ভান্ডারের নিয়ন্ত্রণ

আপডেট সময় : ১১:৪৬:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

পাকিস্তানের ক্ষমতার শীর্ষ কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন এনে ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনিরকে আরও পাঁচ বছরের জন্য দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সুপারিশে চিফ অব আর্মি স্টাফ (সিওএএস) এবং নবগঠিত চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস (সিডিএফ) পদে তার নিয়োগ অনুমোদন করা হয়। প্রেসিডেন্টের কার্যালয় বৃহস্পতিবার এক্সে প্রকাশিত বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সিডিএফ পদের মাধ্যমে মুনির পাকিস্তানের ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডের সর্বোচ্চ তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এ কমান্ডই পরিচালনা করে দেশটির পরমাণু অস্ত্র ভান্ডার ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা। অর্থাৎ কার্যত পাকিস্তানের পারমাণবিক সক্ষমতার ‘চাবিকাঠি’ এখন তার হাতেই। এনডিটিভি জানায়, তাকে আরও ক্ষমতাবান করতে সরকারের ভেতরে কিছু দ্বিধা থাকলেও শেষ পর্যন্ত শেহবাজ শরিফ তার নিয়োগে সবুজ সংকেত দেন।

গত মাসে গৃহীত পাকিস্তানের ২৭তম সাংবিধানিক সংশোধনীর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা বাহিনীর কমান্ড আরও কেন্দ্রীভূত করতে নতুন এই সিডিএফ পদটি সৃষ্টি করা হয়। শেহবাজ সরকারের পরিকল্পনা ছিল আগেই এই পদে নিয়োগ ঘোষণা করা, তবে ঘোষণার দিনই সেনাপ্রধান হিসেবে মুনিরের তিন বছরের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়।

এদিকে প্রেসিডেন্ট জারদারি পাকিস্তান বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আহমাদ বাবর সিধুর মেয়াদও দুই বছর বাড়িয়েছেন। এই মেয়াদ বৃদ্ধির কার্যকারিতা শুরু হবে আগামী বছরের ১৯ মার্চ থেকে।

চলতি বছর মুনির পাকিস্তানের দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে ফিল্ড মার্শাল খেতাবে ভূষিত হয়েছেন। এর আগে শুধু ১৯৬৫ সালের ভারত–পাকিস্তান যুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য জেনারেল আইয়ুব খান এই সম্মান অর্জন করেছিলেন।