বঙ্গবন্ধু ছিলেন শান্তির বড় অগ্রদূত: ড. মোমেন
- আপডেট সময় : ১০:১১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ নভেম্বর ২০২১ ২৬৬ বার পড়া হয়েছে
বিদেশমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন শান্তির সবচেয়ে বড় অগ্রদূত। উপমহাদেশসহ সারা পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু আজীবন কাজ করে গিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু নিজেই বলেছেন, পিস ইজ ইম্পারেটিভ ফর
ডেভেলপমেন্ট (তিনি আমাদের বৈদেশিক নীতি করেছেন সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়) বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাও বঙ্গবন্ধুর অনুসরণ করে বিদেশনীতি গ্রহণ করেছেন। তিনিও সবসময় শান্তির অগ্রদূত হিসেবে বিবেচিত। বিদেশমন্ত্রকের এক সংবাদ বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
বুধবার গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে এথিক্স অ্যাডভান্স টেকনোলজি লিমিটেড (ইএটিএল)-এর ইনোভেশন হাব ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আসছে ৪ ও ৫ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য শান্তি সম্মেলন সম্পর্কে বিদেশমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথিবীতে সংঘাত, যুদ্ধ-বিগ্রহ কমানোর জন্য একটি প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সেটি হচ্ছে শান্তির সংস্কৃতি এবং এই প্রস্তাবটি পৃথিবীর সব দেশ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ধর্ম, বর্ণের ঊর্ধ্বে থেকে মানুষে মানুষে একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বাড়ালে টেকসই শান্তি সারা পৃথিবীতে স্থাপিত হবে। বাংলাদেশ সারা পৃথিবীর জন্য শান্তির একটি মডেল-এই সম্মেলনে সেটা তুলে ধরা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, বিদেশমন্ত্রী কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে এথিক্স অ্যাডভান্স টেকনোলজি লিমিটেড (ইএটিএল)-এর ইনোভেশন হাব ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মোমেন বলেন, আমাদের মানবসম্পদ বিশেষ
করে আমাদের সৃষ্টিশীল নতুন প্রজন্মকে আরো দক্ষ করে গড়ে তুলতে ইএটিএল যে ইনোভেশন হাব তৈরি করছে তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি বিপুল সংখ্যক মানুষকে দক্ষ করে গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টির জন্য প্রতিষ্ঠানটির সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
ইএটিএল ইনোভেশন হাবের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মূখ্যসচিব মো. আবদুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর স্পেশালিষ্ট এ কে এম আব্দুল্লাহ, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক অথোরিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিক্রম কুমার ঘোষ, ইএটিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মুবিন খান এবং বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক অথোরিটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।





















