ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাড়ির দরজা খুলেই প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘চলুন, যুদ্ধে যাই’ দেশে নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি স্থাপন করেন জিয়াউর রহমান : রাষ্ট্রপতি ইউনূস জমানায় চুক্তিতে নিয়োগ ৪ কূটনীতিককে ঢাকায় ফেরানো হলো অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে অন্ধকারে: টিআইবি ১০ মাসের সর্বোচ্চে মূল্যস্ফীতি, চাপে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা এক বছরে ধর্ষণ মামলা বেড়েছে ২৭ শতাংশ গুম হওয়া পরিবারের সন্তানদের জন্য ভাতা চালুর উদ্যোগ: মির্জা ফখরুল যুদ্ধের প্রভাব জ্বালানি খাতে, বাংলাদেশের তেলের জন্য লম্বা লাইন কুয়েতের আল-আদিরি ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের সংঘাতের আগে হরমুজ ত্যাগ করা জ্বালানিবাহী ১৫ জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছাতে শুরু করেছে

দেশে নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি স্থাপন করেন জিয়াউর রহমান : রাষ্ট্রপতি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:০৮:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনবলেছেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে নারী ক্ষমতায়নের যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, তা পরবর্তীতে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী রূপ দেন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া

রবিবার রাজধানীর ওসমানি মিলনায়তনে -এ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস–২০২৬’ উদযাপন ও ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী সম্মাননা প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, নারী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের গুরুত্ব অনুধাবন করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে প্রথম নারী বিষয়ক দপ্তর প্রতিষ্ঠা করেন। পরে ১৯৭৮ সালে মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া এটিকে বর্তমান মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে রূপান্তর করেন। জিয়াউর রহমান যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, সেটিকে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী রূপ দেন খালেদা জিয়া।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া মেয়েদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করেন এবং দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেন। নারী শিক্ষার হার বাড়াতে মেয়েদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচি চালু করা হয়, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে। বিশ্ব ব্যাংক সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এ উদ্যোগকে তৃতীয় বিশ্বের একটি সফল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকার নারী শিক্ষার প্রসারে আরও গুরুত্ব দিচ্ছে। স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ থেকে এ কর্মসূচি শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

রাষ্ট্র ও সমাজে নারীর অবদানের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি নারী। এই বিশাল নারী শক্তিকে রাষ্ট্র ও সমাজের মূলধারা থেকে দূরে রেখে জাতীয় অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি অর্জন কখনোই সম্ভব নয়।

এ প্রসঙ্গে তিনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর অমর বাণী স্মরণ করেন—


“বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চিরকল্যাণকর,
অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দেশে নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি স্থাপন করেন জিয়াউর রহমান : রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় : ০৮:০৮:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনবলেছেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে নারী ক্ষমতায়নের যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, তা পরবর্তীতে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী রূপ দেন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া

রবিবার রাজধানীর ওসমানি মিলনায়তনে -এ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস–২০২৬’ উদযাপন ও ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী সম্মাননা প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, নারী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের গুরুত্ব অনুধাবন করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে প্রথম নারী বিষয়ক দপ্তর প্রতিষ্ঠা করেন। পরে ১৯৭৮ সালে মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া এটিকে বর্তমান মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে রূপান্তর করেন। জিয়াউর রহমান যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, সেটিকে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী রূপ দেন খালেদা জিয়া।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া মেয়েদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করেন এবং দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেন। নারী শিক্ষার হার বাড়াতে মেয়েদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচি চালু করা হয়, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে। বিশ্ব ব্যাংক সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এ উদ্যোগকে তৃতীয় বিশ্বের একটি সফল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকার নারী শিক্ষার প্রসারে আরও গুরুত্ব দিচ্ছে। স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ থেকে এ কর্মসূচি শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

রাষ্ট্র ও সমাজে নারীর অবদানের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি নারী। এই বিশাল নারী শক্তিকে রাষ্ট্র ও সমাজের মূলধারা থেকে দূরে রেখে জাতীয় অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি অর্জন কখনোই সম্ভব নয়।

এ প্রসঙ্গে তিনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর অমর বাণী স্মরণ করেন—


“বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চিরকল্যাণকর,
অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।”