ঢাকা ১২:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচন কমিশনের সামনে বিজিবি মোতায়েন, ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত মাদারীপুরে বাস অটোরিকশা সংঘর্ষ প্রাণ গেল ৬জনের বাংলাদেশে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার ব্যাখ্যা দিল অন্তর্বর্তী সরকার রমজান সামনে আগেই চড়া বাজার: দামে লাগাম টানতে কড়া নজরদাবি জরুরি বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি ও এপার-ওপার যাতায়তে আয় জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি এখনও তাজা, শহীদ ও আহতরা শুধু সংখ্যার অংশ নয় পোস্টাল ব্যালট নিয়ে পক্ষপাতের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের সামনে ছাত্রদলের অবস্থান বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক

৬ মাসে তিন লাখেরও বেশি মেডিক্যাল ভিসা দিয়েছে ভারতীয়

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৮:০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ৩৬৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

করোনার ধাক্কায় বাংলাদেশ-ভারত যাতায়ত একটা লম্বা সময় বন্ধ থাকে। করোনার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে এমন ব্যবস্থার পথে হাটে উভয় দেশ। ফার্স্ট ও সেকেন্ড ওয়েভ সামাল দিয়ে পরিস্থিতি

যখন শান্তর দিকে তখনই ভারত চিকিৎসা ভিসার ঘোষণা দেয়। এ অবস্থআয় বিগত ৬মাসে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রায় তিন লাখের বেশি মানুষ মেডিক্যাল তথা চিকিৎসার জন্য ভিসা পেয়েছেন।

যদিও এটা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক কম। তারপরও উদ্যোগ থেমে নেই। করোনা মহামারি ঠেকাতে গত বছর মার্চ থেকে ভারত প্রবেশে সকল পর্যটক ভিসা স্থগিত রেখেছে। পর্যটক ভিসা ছাড়া ব্যবসা, কর্মসংস্থানসহ অন্য সব ক্যাটাগরিতে ভিসা প্রদান

চালু করেছে ভারত। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ভারত এখন শর্ত সাপেক্ষে পর্যটক ভিসা দেওয়া শুরু করার কথা বিবেচনা করছে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ৬

মাসে বাংলাদেশে প্রায় তিন লাখ ভিসা ইস্যু করেছে ভারতীয় হাইকমিশন। এসব ভিসার সিংহভাগ মেডিক্যাল। চলতি বছরের শুরুর দিকে পরিস্থিতি প্রায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরলেও মার্চের শেষ

দিক থেকে ফের মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে করোনা পরিস্থিতি। ভারতে পরিস্থিতি বলতে গেলে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এ অবস্থায় করোনার ডেল্টা ধরণ রুখতে ২৬ এপ্রিল থেকে স্থলবন্দরগুলো দিয়ে যাত্রী পারাপার বন্ধর ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ। যা দফায় দফায় বাড়ানো হয়।

বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। এ অবস্থায় পর্যটক ভিসা ছাড়া চিকিৎসাসহ অন্যান্য ভিসা চালুর সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। এরই ধারাবাহিকতায়

চিকিৎসার বাংলাদেশি নাগরিকদের তিন লাখ ভিসা দেয় ভারতীয় হাইকমিশন। করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ সরকার ঘোষিত কঠোর বিধি-নিষেধকালে ভারতীয়

ভিসা আবেদনকেন্দ্রগুলোও বন্ধ থাকে। বিধি-নিষেধ প্রত্যাহারের পর আবেদনকেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, ভিসা আবেদনকেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকার সময়ও জরুরি মেডিক্যাল ভিসা দেওয়া হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে ভিসার জন্য অনেকে ভারতীয় হাইকমিশনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ

করেছেন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে সেই ভিসা আবেদনগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তখন দু’দেশের মধ্যে ফ্লাইট বন্ধ থাকায় অনেক ক্ষেত্রে রোগীদের এয়ার

অ্যাম্বুল্যান্স ব্যবহার করতে হয়। বাংলাদেশ সরকার গত বৃহস্পতিবার থেকে স্থলবন্দর দিয়ে বৈধ যাতায়াতে বিধি-নিষেধ শিথিল করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

৬ মাসে তিন লাখেরও বেশি মেডিক্যাল ভিসা দিয়েছে ভারতীয়

আপডেট সময় : ০৮:০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১

ছবি সংগ্রহ

করোনার ধাক্কায় বাংলাদেশ-ভারত যাতায়ত একটা লম্বা সময় বন্ধ থাকে। করোনার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে এমন ব্যবস্থার পথে হাটে উভয় দেশ। ফার্স্ট ও সেকেন্ড ওয়েভ সামাল দিয়ে পরিস্থিতি

যখন শান্তর দিকে তখনই ভারত চিকিৎসা ভিসার ঘোষণা দেয়। এ অবস্থআয় বিগত ৬মাসে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রায় তিন লাখের বেশি মানুষ মেডিক্যাল তথা চিকিৎসার জন্য ভিসা পেয়েছেন।

যদিও এটা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক কম। তারপরও উদ্যোগ থেমে নেই। করোনা মহামারি ঠেকাতে গত বছর মার্চ থেকে ভারত প্রবেশে সকল পর্যটক ভিসা স্থগিত রেখেছে। পর্যটক ভিসা ছাড়া ব্যবসা, কর্মসংস্থানসহ অন্য সব ক্যাটাগরিতে ভিসা প্রদান

চালু করেছে ভারত। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ভারত এখন শর্ত সাপেক্ষে পর্যটক ভিসা দেওয়া শুরু করার কথা বিবেচনা করছে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ৬

মাসে বাংলাদেশে প্রায় তিন লাখ ভিসা ইস্যু করেছে ভারতীয় হাইকমিশন। এসব ভিসার সিংহভাগ মেডিক্যাল। চলতি বছরের শুরুর দিকে পরিস্থিতি প্রায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরলেও মার্চের শেষ

দিক থেকে ফের মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে করোনা পরিস্থিতি। ভারতে পরিস্থিতি বলতে গেলে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এ অবস্থায় করোনার ডেল্টা ধরণ রুখতে ২৬ এপ্রিল থেকে স্থলবন্দরগুলো দিয়ে যাত্রী পারাপার বন্ধর ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ। যা দফায় দফায় বাড়ানো হয়।

বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। এ অবস্থায় পর্যটক ভিসা ছাড়া চিকিৎসাসহ অন্যান্য ভিসা চালুর সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। এরই ধারাবাহিকতায়

চিকিৎসার বাংলাদেশি নাগরিকদের তিন লাখ ভিসা দেয় ভারতীয় হাইকমিশন। করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ সরকার ঘোষিত কঠোর বিধি-নিষেধকালে ভারতীয়

ভিসা আবেদনকেন্দ্রগুলোও বন্ধ থাকে। বিধি-নিষেধ প্রত্যাহারের পর আবেদনকেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, ভিসা আবেদনকেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকার সময়ও জরুরি মেডিক্যাল ভিসা দেওয়া হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে ভিসার জন্য অনেকে ভারতীয় হাইকমিশনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ

করেছেন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে সেই ভিসা আবেদনগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তখন দু’দেশের মধ্যে ফ্লাইট বন্ধ থাকায় অনেক ক্ষেত্রে রোগীদের এয়ার

অ্যাম্বুল্যান্স ব্যবহার করতে হয়। বাংলাদেশ সরকার গত বৃহস্পতিবার থেকে স্থলবন্দর দিয়ে বৈধ যাতায়াতে বিধি-নিষেধ শিথিল করেছে।