ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মার্কিন কমিশনের রিপোর্ট আরএসএস ও ‘র’-এর ওপর নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ, ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া ইরান যুদ্ধে সমর্থন নেই’ মার্কিন  এনসিটিসি প্রধানের পদত্যাগ পহেলা বৈশাখে  কৃষক কার্ড বিতরণের যুগান্তকারী উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মহাসড়ক উন্নয়নে দ্রুত সুখবরের আশ্বাস, গোমা সেতু উদ্বোধন শিলাবৃষ্টির আতঙ্কে ধর্মপাশা-মধ্যনগরের কৃষক, ফসল রক্ষায় দুশ্চিন্তা বাড়ছে কৃষকের কল্যাণে দোয়া ও ইফতার, ভোলায় মানবিকতা ও সংহতির অনন্য আয়োজন কোদাল হাতে খাল খননে প্রধানমন্ত্রী, কৃষিতে স্বনির্ভরতার ডাক ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার জাহাজ ফেরত চাইল ইরান ভারতের ‘বৃক্ষমাতা’ তুলসী গৌড়া, প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সহাবস্থানের অনন্য নজির ঈদে মহাসড়কে কড়াকড়ি, ৭ দিন বন্ধ থাকবে ট্রাক-লরি চলাচল

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে দিল্লীকে ঢাকার চিঠি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৩:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৭৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

৫ জুলাই থেকে ৫ অগাস্ট পর্যন্ত সময়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্যে দেশজুড়ে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অনেক অভিযোগ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশন অফিসে জমা পড়েছে

শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়া হচ্ছে বিচার ব্যবস্থার জন্য, সেটা জানিয়েছি, এ কথা জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ভারত সরকারকে চিঠি দেওয়ার কথা জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।

সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, ভারতকে আমরা জানিয়েছি ক্লিয়ারলি। আমরা শেখ হাসিনাকে যে ফেরত চাচ্ছি বিচার ব্যবস্থার জন্য, সেটা জানিয়েছি।

কোন প্রক্রিয়ায় ফেরত চাওয়া হয়েছে, এমন প্রশ্নের উত্তরে তৌহিদ বলেন, ভারত সরকারকে নোট ভারবাল (কূটনৈতিকপত্র) দেওয়া হয়েছে।

এদিন সকালে ঢাকায় অপর অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

গত ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে সেখানেই রয়েছেন শেখ হাসিনা। তার দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের কয়েকজন গ্রেপ্তার হলেও অধিকাংশই এখনও আত্মগোপনে।

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুবনাল গঠন করেছিল আওয়ামী লীগ সরকার। এখন ছাত্র-জনতার আন্দোলনের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকারের চালানো দমন পীড়নকে গণহত্যা বিবেচনা করে এ আদালতে বিচারের উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

গত ৫ জুলাই থেকে ৫ অগাস্ট পর্যন্ত সময়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্যে দেশজুড়ে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অনেক অভিযোগ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশন অফিসে জমা পড়েছে।

এর মধ্যে একটি মামলায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এবং আরেক মামলায় তার পরিবারের সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতাসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে দিল্লীকে ঢাকার চিঠি

আপডেট সময় : ০৮:১৩:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪

 

৫ জুলাই থেকে ৫ অগাস্ট পর্যন্ত সময়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্যে দেশজুড়ে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অনেক অভিযোগ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশন অফিসে জমা পড়েছে

শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়া হচ্ছে বিচার ব্যবস্থার জন্য, সেটা জানিয়েছি, এ কথা জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ভারত সরকারকে চিঠি দেওয়ার কথা জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।

সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, ভারতকে আমরা জানিয়েছি ক্লিয়ারলি। আমরা শেখ হাসিনাকে যে ফেরত চাচ্ছি বিচার ব্যবস্থার জন্য, সেটা জানিয়েছি।

কোন প্রক্রিয়ায় ফেরত চাওয়া হয়েছে, এমন প্রশ্নের উত্তরে তৌহিদ বলেন, ভারত সরকারকে নোট ভারবাল (কূটনৈতিকপত্র) দেওয়া হয়েছে।

এদিন সকালে ঢাকায় অপর অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

গত ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে সেখানেই রয়েছেন শেখ হাসিনা। তার দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের কয়েকজন গ্রেপ্তার হলেও অধিকাংশই এখনও আত্মগোপনে।

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুবনাল গঠন করেছিল আওয়ামী লীগ সরকার। এখন ছাত্র-জনতার আন্দোলনের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকারের চালানো দমন পীড়নকে গণহত্যা বিবেচনা করে এ আদালতে বিচারের উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

গত ৫ জুলাই থেকে ৫ অগাস্ট পর্যন্ত সময়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্যে দেশজুড়ে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অনেক অভিযোগ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশন অফিসে জমা পড়েছে।

এর মধ্যে একটি মামলায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এবং আরেক মামলায় তার পরিবারের সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতাসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল।