ঢাকা ১০:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ বেনাপোলে এক বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রী আটক বস্তিবাসীদের উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার আশ্বাস তারেক রহমানের চাপ তৈরি করে ভারতে খেলাতে বাধ্য করা যাবে না চানখাঁরপুল মামলার রায় ২৬ জানুয়ারি: মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার অপেক্ষায় দেশ ইরানে হামলা নিয়ে আবারও কঠোর হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে ঐতিহ্যবাহী শুভেচ্ছায় স্বাগত জানালেন মোদি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় শহীদ জিয়াউর রহমানের জন্মদিন উদ্যাপন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই ৪০০ ঘর, শত শত পরিবার আশ্রয়হীন আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবে বরাত শার্শায় র‌্যাবের অভিযানে ২৯৭০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

শীতে ত্বকের যত্ন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৪ ২৪১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ভয়েস হেলথ ডেস্ক

শীতে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। ত্বকে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। বয়স্ক মানুষের শুষ্ক ত্বকের ঝুঁকি বেশি। বয়স্ক ব্যক্তির ত্বকে

প্রাকৃতিক ত্বকের তেল ও লুব্রিকেন্টের পরিমাণ কম থাকে। শুষ্ক ত্বকে চুলকানি হতে পারে। বারবার চুলকানির ফলে ত্বক মোটা ও খসখসে হয়ে

সংক্রমণও হতে পারে। আবহাওয়ার কারণে অনেকের ত্বকে ফোসকা, ফুসকুড়ি, লালচে ভাবও দেখা দেয়। অনেকের আবার একজিমাও হয়।

শীতকালে কম জল পান, মুখ পরিষ্কার রাখতে ঘন ঘন সাবান ব্যবহার ত্বক শুষ্ক করে। সাবানে ইমালসিফায়ার উপাদান থাকে, যা ত্বকের প্রাকৃতিক

তেল দূর করে। ত্বকে স্ক্রাব ব্যবহার করলে তেল আরও কমে যায়। ত্বকের উপযোগী নয়, এমন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। শীত

পোশাকে থাকা বিভিন্ন উপাদান ত্বক শুষ্ক করতে ভূমিকা রাখে।

রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, অ্যালার্জি এবং ব্রণের কিছু ওষুধ সেবনকারীদের ত্বকও শুষ্ক হতে পারে। একজিমা, সোরিয়াসিস, ডায়াবেটিস,

হাইপোথাইরয়েডিজম ও অপুষ্টি (ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘ডি’র অভাব) শুষ্ক ত্বকের সঙ্গে সম্পর্কিত। হরমোনাল পরিবর্তনের কারণে, যেমন

মেনোপজ হলে ত্বক শীতের সময় আরও বেশি শুষ্ক হয়ে যায়।

 

কী করবেন

ত্বক শুষ্ক হয়ে চুলকানি হলে খুব বেশি শীতে বা ঠান্ডা বাতাসে বাইরে না বেরুনো ভালো।

বের হলে সোয়েটার, চাদর, গ্লাভস, স্কার্ফ বা টুপি ও মোজা পরিধান করা।

হাত ধোয়ার পর অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার এবং দিনে কয়েকবার ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

একজিমার জন্য ময়েশ্চারাইজিং স্কিনকেয়ার গুরুত্বপূর্ণ। শীতের সময় শিয়া বাটারের মতো ভারী ময়েশ্চারাইজার বা কোল্ড ক্রিম ব্যবহার

করা  যায়।

ত্বক পরিষ্কারে মাইল্ড ক্লিনজার বা ক্ষারবিহীন সাবান ভালো। কিছু সুগন্ধযুক্ত, ডিওডোরেন্ট, অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল সাবান শীতের সময়

উপযোগী নয়।

শীতে হারবাল পণ্য নিতে পারেন। সুগন্ধিবিহীন ময়েশ্চারাইজার শুষ্ক ত্বকের জন্য ভালো। গোসলের পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ময়েশ্চারাইজার

দেওয়া উচিত।

সূর্যের আলোতে থাকলে ত্বক প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন ‘ডি’ তৈরি করতে পারে। শীতে সূর্যের আলো কম থাকে বলে ‘ডি’র অভাবে ত্বকের

সমস্যা বাড়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শীতে ত্বকের যত্ন

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৪

 

ভয়েস হেলথ ডেস্ক

শীতে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। ত্বকে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। বয়স্ক মানুষের শুষ্ক ত্বকের ঝুঁকি বেশি। বয়স্ক ব্যক্তির ত্বকে

প্রাকৃতিক ত্বকের তেল ও লুব্রিকেন্টের পরিমাণ কম থাকে। শুষ্ক ত্বকে চুলকানি হতে পারে। বারবার চুলকানির ফলে ত্বক মোটা ও খসখসে হয়ে

সংক্রমণও হতে পারে। আবহাওয়ার কারণে অনেকের ত্বকে ফোসকা, ফুসকুড়ি, লালচে ভাবও দেখা দেয়। অনেকের আবার একজিমাও হয়।

শীতকালে কম জল পান, মুখ পরিষ্কার রাখতে ঘন ঘন সাবান ব্যবহার ত্বক শুষ্ক করে। সাবানে ইমালসিফায়ার উপাদান থাকে, যা ত্বকের প্রাকৃতিক

তেল দূর করে। ত্বকে স্ক্রাব ব্যবহার করলে তেল আরও কমে যায়। ত্বকের উপযোগী নয়, এমন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। শীত

পোশাকে থাকা বিভিন্ন উপাদান ত্বক শুষ্ক করতে ভূমিকা রাখে।

রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, অ্যালার্জি এবং ব্রণের কিছু ওষুধ সেবনকারীদের ত্বকও শুষ্ক হতে পারে। একজিমা, সোরিয়াসিস, ডায়াবেটিস,

হাইপোথাইরয়েডিজম ও অপুষ্টি (ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘ডি’র অভাব) শুষ্ক ত্বকের সঙ্গে সম্পর্কিত। হরমোনাল পরিবর্তনের কারণে, যেমন

মেনোপজ হলে ত্বক শীতের সময় আরও বেশি শুষ্ক হয়ে যায়।

 

কী করবেন

ত্বক শুষ্ক হয়ে চুলকানি হলে খুব বেশি শীতে বা ঠান্ডা বাতাসে বাইরে না বেরুনো ভালো।

বের হলে সোয়েটার, চাদর, গ্লাভস, স্কার্ফ বা টুপি ও মোজা পরিধান করা।

হাত ধোয়ার পর অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার এবং দিনে কয়েকবার ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

একজিমার জন্য ময়েশ্চারাইজিং স্কিনকেয়ার গুরুত্বপূর্ণ। শীতের সময় শিয়া বাটারের মতো ভারী ময়েশ্চারাইজার বা কোল্ড ক্রিম ব্যবহার

করা  যায়।

ত্বক পরিষ্কারে মাইল্ড ক্লিনজার বা ক্ষারবিহীন সাবান ভালো। কিছু সুগন্ধযুক্ত, ডিওডোরেন্ট, অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল সাবান শীতের সময়

উপযোগী নয়।

শীতে হারবাল পণ্য নিতে পারেন। সুগন্ধিবিহীন ময়েশ্চারাইজার শুষ্ক ত্বকের জন্য ভালো। গোসলের পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ময়েশ্চারাইজার

দেওয়া উচিত।

সূর্যের আলোতে থাকলে ত্বক প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন ‘ডি’ তৈরি করতে পারে। শীতে সূর্যের আলো কম থাকে বলে ‘ডি’র অভাবে ত্বকের

সমস্যা বাড়ে।