ঢাকা ০৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

রাজনাথের বক্তব্য কূটনৈতিক শালীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:১৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫ ১২০ বার পড়া হয়েছে

রাজনাথের বক্তব্য কূটনৈতিক শালীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে ‘ভুল’ এবং ‘কূটনৈতিক শালীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয়’ বলে অভিহিত করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রোববার (৯ নভেম্বর) এক প্রতিক্রিয়ায় মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এস এম মাহবুবুল আলম এ মন্তব্য করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সম্পর্কে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সাম্প্রতিক মন্তব্য আমাদের নজরে এসেছে। সার্বভৌমত্ব, সমতা, একে অপরের বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের প্রতি বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা বিশ্বাস করি, শ্রদ্ধার সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমেই সব ধরনের ইস্যুর সমাধান সম্ভব।

এর আগে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ভারতের নেটওয়ার্ক-১৮ গ্রুপের প্রধান সম্পাদক রাহুল যোশীকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপড়েন চায় না ভারত।  একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে বক্তব্যের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

গত শুক্রবার ফার্স্টপোস্ট নামের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সেই সাক্ষাৎকারে রাজনাথ সিং আরও বলেন, নয়াদিল্লি বাংলাদেশের সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক চায় না। ভারত যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হলেও আমাদের লক্ষ্য সব সময় প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা।

ফার্স্টপোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত বছর শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা টানাপড়েন সৃষ্টি হয়। শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন। বর্তমানে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, প্রতিবেশী ও বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও কূটনৈতিক শালীনতা রক্ষা করেই দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা উচিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজনাথের বক্তব্য কূটনৈতিক শালীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

আপডেট সময় : ০২:১৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে ‘ভুল’ এবং ‘কূটনৈতিক শালীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয়’ বলে অভিহিত করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রোববার (৯ নভেম্বর) এক প্রতিক্রিয়ায় মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এস এম মাহবুবুল আলম এ মন্তব্য করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সম্পর্কে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সাম্প্রতিক মন্তব্য আমাদের নজরে এসেছে। সার্বভৌমত্ব, সমতা, একে অপরের বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের প্রতি বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা বিশ্বাস করি, শ্রদ্ধার সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমেই সব ধরনের ইস্যুর সমাধান সম্ভব।

এর আগে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ভারতের নেটওয়ার্ক-১৮ গ্রুপের প্রধান সম্পাদক রাহুল যোশীকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপড়েন চায় না ভারত।  একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে বক্তব্যের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

গত শুক্রবার ফার্স্টপোস্ট নামের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সেই সাক্ষাৎকারে রাজনাথ সিং আরও বলেন, নয়াদিল্লি বাংলাদেশের সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক চায় না। ভারত যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হলেও আমাদের লক্ষ্য সব সময় প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা।

ফার্স্টপোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত বছর শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা টানাপড়েন সৃষ্টি হয়। শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন। বর্তমানে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, প্রতিবেশী ও বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও কূটনৈতিক শালীনতা রক্ষা করেই দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা উচিত।