ঢাকা ০৪:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের প্রায় ১০ কোটি মানুষ এখনও নিরাপদ পানির বাইরে, পানি দিবসে বার্তা ইসরায়েলি শহর ও উপসাগরীয় ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, আইআরজিসির দাবি নিহত ২০০ ছড়িয়ে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে গেছে ফরিদপুর, বিপাকে পেঁয়াজ চাষিরা সড়কে পুলিশ সার্জেন্টের সঙ্গে কোলাকুলি, মানবিকতায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী ভোর রাতে কুমিল্লায় মৃত্যু মিছিল: বাস-ট্রেন সংঘর্ষে ঝরল ১২ প্রাণ দিয়েগো গার্সিয়ায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ইউরোপেও ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা  ‘প্রত্যাশিত বাংলাদেশ’ গড়তে দেশবাসীর সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী পরিবার নিয়ে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান ঈদ আনন্দ আর মানবিকতার উজ্জ্বল উৎসব আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর, আনন্দ আর মানবিকতার এক অনন্য মিলনমেলা

রক্ত দিয়ে গণতন্ত্র এনেছে আওয়ামী লীগ: শেখ হাসিনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৩ ২২১ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছবি: সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

আমাদের কিছু বুদ্ধিজীবী রয়েছে, যারা বুদ্ধি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে। জনগণ যাদের আন্দোলনের মাধ্যমে বিতাড়িত করেছে তাদেরকে তারা খুঁজে বের করে গণতন্ত্রের কথা বলার জন্য। তারা (বুদ্ধিজীবীরা) এদের পক্ষে কথা বলে।

বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের যৌথ উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীকে জীবন দিতে হয়েছে। আওয়ামী লীগ রক্ত দিয়ে দেশে গণতন্ত্র এনেছে। এরপরেও আমাদের হাতে গণতন্ত্র সুরক্ষিত নয় এমনটা শুনতে হচ্ছে। যারা গণতন্ত্রকে কখনও প্রতিষ্ঠিত হতে দেয়নি, তারাই এখন গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী হয়ে গেছে। এটাই হচ্ছে আমাদের জন্য দুর্ভাগ্যের।

শেখ হাসিনা বলেন, অবাক লাগে যখন বিএনপির মুখে গণতন্ত্রের কথা শুনি। যাদের সৃষ্টি হয়েছে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারীর হাত থেকে, কারচুপি করে জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়ার মধ্য দিয়ে। তাদের মুখে আর যা-ই হোক, গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না।

তাদের কিছু প্রভু আছে। তারাও তাদের সঙ্গে সুর মেলায় বাংলাদেশে গণতন্ত্র নাকি প্রতিষ্ঠিত করতেই হবে। জিয়াউর রহমান জাতির পিতাকে হত্যা করে মার্শাল ল জারি করে ক্ষমতা দখল করেছিল, এরশাদ করেছিল, আমরা যখন আন্দোলন সংগ্রাম করেছি সেসব লোক বা সেসব দেশের তখন সেই চেতনা দেখিনি। আজকে নির্বাচন সুষ্ঠু চায়।

কত পরিমাণ অর্থসম্পদ তারা লুটপাট করে নিয়ে গেছে যে সেই টাকা এখন বিদেশে বসে খরচ করে। এখানে আবার অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়। আর গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী কয়েকটি দেশ আছে, তারাও নাকি শুধু গণতন্ত্র খুঁজে বেড়ায়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থানের কারণে কেউ কেউ চায় এখানে পদলেহনকারী সরকার নিয়ে আসতে। এরা যাদের বন্ধু তাদের আর শত্রু লাগে না। ইউক্রেন বন্ধু হয়েছিল, আজকে ইউক্রেনের অবস্থাটা কী দাঁড়িয়েছে? সেখানকার মেয়েরা, বাচ্চারা আজ কী কষ্ট পাচ্ছে? এমনই বন্ধুত্ব যে, সেই বন্ধুত্বের কারণে তাদের দেশও শেষ। সেখানকার নারী-শিশুরা মানবেতর জীবন-যাপন করে। এটা হলো বাস্তবতা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রক্ত দিয়ে গণতন্ত্র এনেছে আওয়ামী লীগ: শেখ হাসিনা

আপডেট সময় : ১০:০০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

আমাদের কিছু বুদ্ধিজীবী রয়েছে, যারা বুদ্ধি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে। জনগণ যাদের আন্দোলনের মাধ্যমে বিতাড়িত করেছে তাদেরকে তারা খুঁজে বের করে গণতন্ত্রের কথা বলার জন্য। তারা (বুদ্ধিজীবীরা) এদের পক্ষে কথা বলে।

বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের যৌথ উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীকে জীবন দিতে হয়েছে। আওয়ামী লীগ রক্ত দিয়ে দেশে গণতন্ত্র এনেছে। এরপরেও আমাদের হাতে গণতন্ত্র সুরক্ষিত নয় এমনটা শুনতে হচ্ছে। যারা গণতন্ত্রকে কখনও প্রতিষ্ঠিত হতে দেয়নি, তারাই এখন গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী হয়ে গেছে। এটাই হচ্ছে আমাদের জন্য দুর্ভাগ্যের।

শেখ হাসিনা বলেন, অবাক লাগে যখন বিএনপির মুখে গণতন্ত্রের কথা শুনি। যাদের সৃষ্টি হয়েছে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারীর হাত থেকে, কারচুপি করে জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়ার মধ্য দিয়ে। তাদের মুখে আর যা-ই হোক, গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না।

তাদের কিছু প্রভু আছে। তারাও তাদের সঙ্গে সুর মেলায় বাংলাদেশে গণতন্ত্র নাকি প্রতিষ্ঠিত করতেই হবে। জিয়াউর রহমান জাতির পিতাকে হত্যা করে মার্শাল ল জারি করে ক্ষমতা দখল করেছিল, এরশাদ করেছিল, আমরা যখন আন্দোলন সংগ্রাম করেছি সেসব লোক বা সেসব দেশের তখন সেই চেতনা দেখিনি। আজকে নির্বাচন সুষ্ঠু চায়।

কত পরিমাণ অর্থসম্পদ তারা লুটপাট করে নিয়ে গেছে যে সেই টাকা এখন বিদেশে বসে খরচ করে। এখানে আবার অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়। আর গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী কয়েকটি দেশ আছে, তারাও নাকি শুধু গণতন্ত্র খুঁজে বেড়ায়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থানের কারণে কেউ কেউ চায় এখানে পদলেহনকারী সরকার নিয়ে আসতে। এরা যাদের বন্ধু তাদের আর শত্রু লাগে না। ইউক্রেন বন্ধু হয়েছিল, আজকে ইউক্রেনের অবস্থাটা কী দাঁড়িয়েছে? সেখানকার মেয়েরা, বাচ্চারা আজ কী কষ্ট পাচ্ছে? এমনই বন্ধুত্ব যে, সেই বন্ধুত্বের কারণে তাদের দেশও শেষ। সেখানকার নারী-শিশুরা মানবেতর জীবন-যাপন করে। এটা হলো বাস্তবতা।