বাংলাদেশিদের জন্য ব্যবসায়িক ভিসা পুনরায় চালু করলো ভারত
- আপডেট সময় : ০৭:০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫ ১২৬ বার পড়া হয়েছে
ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা জানিয়েছেন, সীমিত মানবসম্পদ ও সক্ষমতার মাঝেও বাংলাদেশিদের জন্য ব্যবসায়িক ভিসা ইস্যু কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে। বিশেষ করে জরুরি প্রয়োজনের আবেদনগুলো অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
বুধবার রাজধানীর বারিধারায় ভারতীয় হাইকমিশনের প্রাঙ্গণে আয়োজিত নেটওয়ার্কিং ও জ্ঞান–বিনিময় অনুষ্ঠান ‘ফার্মা কানেক্ট’ আয়োজনে এ তথ্য জানান ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের শীর্ষ ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলোর উদ্যোক্তা ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় ভিসা পেতে যে জটিলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে, তা দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানান। পাশাপাশি বাংলাদেশ–ভারত সড়কপথে পণ্য পরিবহন আরও সহজীকরণের দাবিও তোলেন।
ভারতের বিশ্ববিখ্যাত ফার্মাসিউটিক্যাল প্রদর্শনী সিপিএইচআই–পিএমইসি ইন্ডিয়া ২০২৫–এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সামনে রেখে এই আয়োজন করে ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশন। আগামী ২৫–২৭ নভেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে এ প্রদর্শনী।
হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, দেশের সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে কিছু ভিসা আবেদন কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছিল। তবে এখন সীমিত কর্মী দিয়েও প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভিসা ইস্যু করা হচ্ছে।
হাইকমিশনার আরও জানান, ব্যবসায়িক ভিসা পুনরায় ইস্যু শুরু হয়েছে এবং জরুরি ভিসা আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তিতে হাইকমিশন বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রয়োজনে আবেদনকারীরা হাইকমিশনের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সুবিধা পাবেন।
বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ফার্মা কানেক্ট উদ্যোগ দু’দেশের মধ্যে প্রযুক্তি হস্তান্তর, গবেষণা ও উন্নয়ন সহযোগিতা এবং সাপ্লাই চেইন সংযুক্তিকরণ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি জানান, বাংলাদেশে কাঁচামাল শিল্প বাড়ছে এবং ভারত এ খাতে আরও অগ্রসর হওয়ায় স্থলসীমান্ত ব্যবহারে আমদানি খরচ কমবে।
অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ডা. জাকির হোসেন জানান, ভিসা জটিলতার কারণে এ বছর সিপিএইচআই–পিএমইসি প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিধির সংখ্যা অনেক কমে গেছে। সাধারণত কয়েকশ পেশাজীবী অংশ নিলেও এবার মাত্র ৮৩ জন আবেদন করেছেন।



















