ঢাকা ১২:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া ঠেকাতে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নাহিদ রানার ঝড়ো বোলিংয়ে পাকিস্তান পুড়ল, ২০৯ বল বাকি রেখে জয় বাংলাদেশের বড়পুকুরিয়া কয়লার পাহাড়, আগুনে নষ্ট হচ্ছে বিপুল মজুদ সূর্যমুখীর হলুদ হাসিতে ভরেছে টাঙ্গাইলের মাঠ, স্বপ্ন দেখছেন কৃষক ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম দিনেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত, শপথ নেবেন স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার ভোলার চরাঞ্চলে ৫০ হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ: কৃষকের স্বপ্নে অর্থনৈতিক মুক্তির সম্ভাবনা প্রান্তিক নারীদের আয়বৃদ্ধিমূলক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিতে হবে: বিএনপিএস নদী ভাঙনের হুমকিতে মধ্যনগরের মহিষখলা জাতীয় স্মৃতিসৌধ ট্রাম্প-পুতিনের ফোন আলোচনা ইরান যুদ্ধ ও তেল বাজার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, ১,৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা বাংলাদেশের

ফিরোজ আলম মিলন-এর কবিতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫ ৯৯ বার পড়া হয়েছে

ফিরোজ আলম মিলন

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হাসপাতাল 

দালান কোঠা সবই আছে নাই শুধু দক্ষ জনবল রোগী গেলে একেই আওয়াজ যন্ত্রপাতি সব বিকল।

কাগজে পত্রে পদায়ন আছে ডাক্তার বিহীন হাসপাতাল

জেলা সদরে থাকেন বাবু যাইতে চায়না মফস্বল।

কর্মস্থলে না গিয়েও বেতন তোলেন আছে উপরে তদবির

এই হলো আমাদের অসহায় দরিদ্রদের তকদির।

কোম্পানিরা পালন করে ডাক্তার বাবুর সব আবদার এ জন্য বাবু হয় কমিশনের বড় ভাগীদার।

হাসপাতালে রোগী গেলে খালি পায় না আসন বিনিময়ে মাস শেষে ক্লিনিক থেকে পায় কার্টুন।

দালালরা সব তাকিয়ে থাকে ভাগিয়ে নিতে রোগী স্বাস্থ্য সেবায় অতিষ্ঠ দিশেহারা আমরা ভুক্তভোগী।

লুটেরারা চিকিৎসার নামে জমায় বিদেশে পাড়ি এই তালিকায় যোগ হয় যাদের আছে কাড়ি কাড়ি।

স্বাস্থ্য খাতের ব্যবস্থাপনায় অবহেলা সকলেরই জানা দায়িত্বের আসনে বসে জাতির সাথে এ যেন প্রতারণা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ফিরোজ আলম মিলন-এর কবিতা

আপডেট সময় : ০৪:০১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

হাসপাতাল 

দালান কোঠা সবই আছে নাই শুধু দক্ষ জনবল রোগী গেলে একেই আওয়াজ যন্ত্রপাতি সব বিকল।

কাগজে পত্রে পদায়ন আছে ডাক্তার বিহীন হাসপাতাল

জেলা সদরে থাকেন বাবু যাইতে চায়না মফস্বল।

কর্মস্থলে না গিয়েও বেতন তোলেন আছে উপরে তদবির

এই হলো আমাদের অসহায় দরিদ্রদের তকদির।

কোম্পানিরা পালন করে ডাক্তার বাবুর সব আবদার এ জন্য বাবু হয় কমিশনের বড় ভাগীদার।

হাসপাতালে রোগী গেলে খালি পায় না আসন বিনিময়ে মাস শেষে ক্লিনিক থেকে পায় কার্টুন।

দালালরা সব তাকিয়ে থাকে ভাগিয়ে নিতে রোগী স্বাস্থ্য সেবায় অতিষ্ঠ দিশেহারা আমরা ভুক্তভোগী।

লুটেরারা চিকিৎসার নামে জমায় বিদেশে পাড়ি এই তালিকায় যোগ হয় যাদের আছে কাড়ি কাড়ি।

স্বাস্থ্য খাতের ব্যবস্থাপনায় অবহেলা সকলেরই জানা দায়িত্বের আসনে বসে জাতির সাথে এ যেন প্রতারণা।