ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিশ্বকাপ ইস্যুতে ট্রাম্পকে ইরানের কড়া জবাব পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় চরম হতাশায় কৃষকরা পাবনায় পেঁয়াজের বাজার ধস, কৃষকেরা এক্ষুণি লোকসানে বেনাপোলে বিজিবির অভিযানে চোরাচালান পণ্য আটক এভারকেয়ার হাসপাতালে মির্জা আব্বাসের  শয্যাপাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৮ মাসে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ৩,১০০ সহিংসতার তথ্য ভারতের রাজ্যসভায় স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার: রেলমন্ত্রী জামায়াতের শফিকুর রহমান বিরোধী দলীয় নেতা, তাহের উপনেতা মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: ৫ বাংলাদেশি নিহত, আশঙ্কাজনক আরও ২ তুরস্কে ন্যাটোর ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা: যা জানা গেছে

পাবনায় পেঁয়াজের বাজার ধস, কৃষকেরা এক্ষুণি লোকসানে

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:০৮:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

পাবনায় পেঁয়াজের বাজার ধস, কৃষকেরা এক্ষুণি লোকসানে

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পাবনা জেলা দেশের অন্যতম প্রধান পেঁয়াজ উৎপাদনকারী এলাকা। জেলার সাঁথিয়া সুজানগর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ চাষ হয়। প্রতি বছর এখানে প্রায় .৪৫ থেকে .৮২ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপন্ন হয়, যা দেশের মোট উৎপাদনের প্রায় ২৫%

সাঁথিয়া উপজেলায় বছর ১৬ হাজার ৬৯০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদ লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, যার মধ্যে হাজার ৬১০ হেক্টর জমিতে মুড়িকাটা পদ্ধতিতে চাষ করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে সাঁথিয়ার বিভিন্ন হাটে প্রতি মণ মুড়িকাটা পেঁয়াজের দাম হঠাৎ কমে হাজার থেকে হাজার ২০০ টাকায় নেমে এসেছে। ছোট আকারের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে আরও কম দামে, ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়।

তুলনামূলকভাবে গত কয়েক সপ্তাহে দাম হাজার ৮০০ থেকে হাজার টাকায় পৌঁছেছিল, যেখানে কৃষকরা প্রতি মণে ২০০৩০০ টাকা লাভ করছিলেন। বর্তমানে এই অর্ধেক দামের কারণে কৃষকরা প্রতি মণে ৫০০৬০০ টাকা লোকসানে পড়ছেন।

মুড়িকাটা পেঁয়াজ অক্টোবরনভেম্বরে আবাদ করে ডিসেম্বরের শেষ থেকে মার্চের মধ্যে তোলা হয়। হালি পদ্ধতিতে ডিসেম্বরজানুয়ারিতে আবাদ করা হয় এবং মার্চএপ্রিলের মধ্যে ফসল ঘরে তোলা হয়।

সাঁথিয়ার কৃষক মনসুর আলী, বাবলু শেখ ইমদাদুল হক জানিয়েছেন, প্রতি মণ পেঁয়াজ উৎপাদন খরচ প্রায় হাজার ৬০০ টাকা, ফলে এই মুহূর্তে কৃষকরা তাদের উৎপাদন খরচও পূরণ করতে পারছেন না।

মাঠে এখনও প্রচুর পেঁয়াজ থাকায় লোকসান গুনতে গুনতে অনেক কৃষক হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরছেন। কেউ কেউ চরম দামের কারণে জমি থেকে পেঁয়াজ তোলা বন্ধ করে দিয়েছেন। বর্তমান পরিস্থিতি পাবনার পেঁয়াজ চাষিদের জন্য সংকটজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাবনায় পেঁয়াজের বাজার ধস, কৃষকেরা এক্ষুণি লোকসানে

আপডেট সময় : ০৫:০৮:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

পাবনা জেলা দেশের অন্যতম প্রধান পেঁয়াজ উৎপাদনকারী এলাকা। জেলার সাঁথিয়া সুজানগর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ চাষ হয়। প্রতি বছর এখানে প্রায় .৪৫ থেকে .৮২ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপন্ন হয়, যা দেশের মোট উৎপাদনের প্রায় ২৫%

সাঁথিয়া উপজেলায় বছর ১৬ হাজার ৬৯০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদ লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, যার মধ্যে হাজার ৬১০ হেক্টর জমিতে মুড়িকাটা পদ্ধতিতে চাষ করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে সাঁথিয়ার বিভিন্ন হাটে প্রতি মণ মুড়িকাটা পেঁয়াজের দাম হঠাৎ কমে হাজার থেকে হাজার ২০০ টাকায় নেমে এসেছে। ছোট আকারের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে আরও কম দামে, ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়।

তুলনামূলকভাবে গত কয়েক সপ্তাহে দাম হাজার ৮০০ থেকে হাজার টাকায় পৌঁছেছিল, যেখানে কৃষকরা প্রতি মণে ২০০৩০০ টাকা লাভ করছিলেন। বর্তমানে এই অর্ধেক দামের কারণে কৃষকরা প্রতি মণে ৫০০৬০০ টাকা লোকসানে পড়ছেন।

মুড়িকাটা পেঁয়াজ অক্টোবরনভেম্বরে আবাদ করে ডিসেম্বরের শেষ থেকে মার্চের মধ্যে তোলা হয়। হালি পদ্ধতিতে ডিসেম্বরজানুয়ারিতে আবাদ করা হয় এবং মার্চএপ্রিলের মধ্যে ফসল ঘরে তোলা হয়।

সাঁথিয়ার কৃষক মনসুর আলী, বাবলু শেখ ইমদাদুল হক জানিয়েছেন, প্রতি মণ পেঁয়াজ উৎপাদন খরচ প্রায় হাজার ৬০০ টাকা, ফলে এই মুহূর্তে কৃষকরা তাদের উৎপাদন খরচও পূরণ করতে পারছেন না।

মাঠে এখনও প্রচুর পেঁয়াজ থাকায় লোকসান গুনতে গুনতে অনেক কৃষক হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরছেন। কেউ কেউ চরম দামের কারণে জমি থেকে পেঁয়াজ তোলা বন্ধ করে দিয়েছেন। বর্তমান পরিস্থিতি পাবনার পেঁয়াজ চাষিদের জন্য সংকটজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে।