পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণের যুগান্তকারী উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৮:৩৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস বৈশাখ নতুন বছর, নতুন আশা ও নতুন সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে আসে। পহেলা বৈশাখ উদযাপনের মধ্য দিয়ে বাঙালির জীবনে যেমন উৎসবের আমেজ তৈরি হয়, তেমনি কৃষিজীবী মানুষের জন্য এটি নতুন ফসল ঘরে তোলার আনন্দের সময়।
ঐতিহাসিকভাবে মুঘল সম্রাট আকবর কৃষকদের খাজনা পরিশোধ সহজ করতে বাংলা সনের প্রবর্তন করেন, যার ধারাবাহিকতায় বৈশাখ মাসের গুরুত্ব আজও অম্লান।
এই প্রেক্ষাপটে কৃষকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এক যুগান্তকারী উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের প্রস্তুতি শচলছে। যা দেশের কৃষি খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আগামী পহেলা বৈশাখ ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এদিন তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় কৃষকদের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করবেন।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রি-পাইলটিং প্রকল্পের আওতায় এই কার্ড বিতরণ করতে যাচ্ছে সরকার।
মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কৃষক কার্ড প্রণয়ন সংক্রান্ত সেলের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।
এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সহজে ভর্তুকি, ঋণসহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা পাবেন, যা তাদের উৎপাদন বৃদ্ধি ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
আগামী পহেলা বৈশাখ থেকেই প্রাথমিক পর্যায়ে কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রস্তুতিমূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সরকারি ছুটির দিনেও প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদের সঙ্গে বৈঠক করে এ কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছেন। এতে সরকারের অগ্রাধিকার ও আন্তরিকতা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কৃষকরা মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য থেকে মুক্তি পাবেন এবং সরাসরি সরকারি সহায়তা পেয়ে উৎপাদনে আরও উৎসাহিত হবেন। ফলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও মজবুত হবে।
সব মিলিয়ে বৈশাখের নতুন সূচনায় কৃষক কার্ড বিতরণের এই উদ্যোগ কেবল একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, বরং এটি কৃষকের মর্যাদা ও আস্থার পুনর্গঠনের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।



















