ঢাকা ০৬:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি ও এপার-ওপার যাতায়তে আয় জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি এখনও তাজা, শহীদ ও আহতরা শুধু সংখ্যার অংশ নয় পোস্টাল ব্যালট নিয়ে পক্ষপাতের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের সামনে ছাত্রদলের অবস্থান বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা

দূতাবাস ঘিরে বিক্ষোভ: ভারতের ব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যান বাংলাদেশের  

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৩২:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৩৭ বার পড়া হয়েছে

দূতাবাস ঘিরে বিক্ষোভ: ভারতের ব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যান বাংলাদেশের  

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ হামলার চেষ্টার বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত প্রেসনোট সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ। রবিবার বিকেলে বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, ভারতের বক্তব্য বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

তিনি জানান, ভারতের দাবির বিপরীতে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশের হাইকমিশনের নিরাপত্তা বেষ্টনী ভাঙার কোনো চেষ্টা হয়নি। বরং ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল বাংলাদেশের ময়মনসিংহে দিপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে হাইকমিশনের সামনে এসে স্লোগান দেয়। ঘটনাকে ভারতের প্রেসনোটে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, বাংলাদেশ তা গ্রহণ করছে না।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “হিন্দু চরমপন্থী হিসেবে পরিচিত মাত্র ২০২৫ জনের একটি দল কীভাবে কূটনৈতিক এলাকায় এত গভীরে প্রবেশ করতে পারেতা আমাদের কাছে প্রশ্নসাপেক্ষ। এটি স্পষ্টতই কূটনৈতিক শিষ্টাচার ভিয়েনা কনভেনশনের চেতনার লঙ্ঘন।
তিনি আরও বলেন, একজন বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনাকে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ইস্যু হিসেবে উপস্থাপন করা অপ্রাসঙ্গিক এবং বিভ্রান্তিকর।

তৌহিদ হোসেন জানান, বিক্ষোভের সময় দূতাবাসের ভেতরে অবস্থানরত কর্মকর্তারা নিরাপত্তা শঙ্কা অনুভব করেছেন এবং সে সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে হাইকমিশনের কার্যক্রম সীমিত করার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।

এর আগে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে দাবি করে, বিক্ষোভ শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ স্লোগানদাতাদের সরিয়ে দেয় এবং ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী বিদেশি দূতাবাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

উল্লেখ্য, শনিবার রাতে দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনের সামনেঅখণ্ড হিন্দু রাষ্ট্র সেনাব্যানারে ২০২৫ জনের একটি দল বিক্ষোভ করে। সময় তারা বাংলাদেশবিরোধী স্লোগান দেয় এবং ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহকে উদ্দেশ করে হুমকিমূলক বক্তব্য দেয়। বাংলাদেশ হাউসের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে তারা বাংলা হিন্দি ভাষায় মিশ্রিত স্লোগান দেয়, যেখানে হিন্দুদের নিরাপত্তার দাবি হাইকমিশনারকে ধরার আহ্বানও শোনা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দূতাবাস ঘিরে বিক্ষোভ: ভারতের ব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যান বাংলাদেশের  

আপডেট সময় : ০৬:৩২:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ হামলার চেষ্টার বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত প্রেসনোট সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ। রবিবার বিকেলে বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, ভারতের বক্তব্য বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

তিনি জানান, ভারতের দাবির বিপরীতে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশের হাইকমিশনের নিরাপত্তা বেষ্টনী ভাঙার কোনো চেষ্টা হয়নি। বরং ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল বাংলাদেশের ময়মনসিংহে দিপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে হাইকমিশনের সামনে এসে স্লোগান দেয়। ঘটনাকে ভারতের প্রেসনোটে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, বাংলাদেশ তা গ্রহণ করছে না।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “হিন্দু চরমপন্থী হিসেবে পরিচিত মাত্র ২০২৫ জনের একটি দল কীভাবে কূটনৈতিক এলাকায় এত গভীরে প্রবেশ করতে পারেতা আমাদের কাছে প্রশ্নসাপেক্ষ। এটি স্পষ্টতই কূটনৈতিক শিষ্টাচার ভিয়েনা কনভেনশনের চেতনার লঙ্ঘন।
তিনি আরও বলেন, একজন বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনাকে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ইস্যু হিসেবে উপস্থাপন করা অপ্রাসঙ্গিক এবং বিভ্রান্তিকর।

তৌহিদ হোসেন জানান, বিক্ষোভের সময় দূতাবাসের ভেতরে অবস্থানরত কর্মকর্তারা নিরাপত্তা শঙ্কা অনুভব করেছেন এবং সে সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে হাইকমিশনের কার্যক্রম সীমিত করার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।

এর আগে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে দাবি করে, বিক্ষোভ শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ স্লোগানদাতাদের সরিয়ে দেয় এবং ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী বিদেশি দূতাবাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

উল্লেখ্য, শনিবার রাতে দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনের সামনেঅখণ্ড হিন্দু রাষ্ট্র সেনাব্যানারে ২০২৫ জনের একটি দল বিক্ষোভ করে। সময় তারা বাংলাদেশবিরোধী স্লোগান দেয় এবং ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহকে উদ্দেশ করে হুমকিমূলক বক্তব্য দেয়। বাংলাদেশ হাউসের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে তারা বাংলা হিন্দি ভাষায় মিশ্রিত স্লোগান দেয়, যেখানে হিন্দুদের নিরাপত্তার দাবি হাইকমিশনারকে ধরার আহ্বানও শোনা যায়।