ঢাকা ০৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিশ্বকাপ ইস্যুতে ট্রাম্পকে ইরানের কড়া জবাব পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় চরম হতাশায় কৃষকরা পাবনায় পেঁয়াজের বাজার ধস, কৃষকেরা এক্ষুণি লোকসানে বেনাপোলে বিজিবির অভিযানে চোরাচালান পণ্য আটক এভারকেয়ার হাসপাতালে মির্জা আব্বাসের  শয্যাপাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৮ মাসে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ৩,১০০ সহিংসতার তথ্য ভারতের রাজ্যসভায় স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার: রেলমন্ত্রী জামায়াতের শফিকুর রহমান বিরোধী দলীয় নেতা, তাহের উপনেতা মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: ৫ বাংলাদেশি নিহত, আশঙ্কাজনক আরও ২ তুরস্কে ন্যাটোর ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা: যা জানা গেছে

তুরস্কে ন্যাটোর ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা: যা জানা গেছে

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:২৪:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

তুরস্কে ন্যাটোর ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা: যা জানা গেছে

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত ন্যাটোর গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ইনসিরলিক বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় শুক্রবার ভোরে সতর্কতা সাইরেন বেজে ওঠে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আকাশে জ্বলন্ত বস্তু উড়ে যাওয়ার দৃশ্য ছড়িয়ে পড়লেও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ।

তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর আদানার কাছে অবস্থিত ইনসিরলিক বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রসহ নেটো-র সেনা সদস্যরা অবস্থান করছেন। শুক্রবার স্থানীয় সময় ভোর প্রায় ৩টা ২৫ মিনিটে ঘাঁটিটিতে কয়েক মিনিট ধরে সতর্কতা সাইরেন বাজতে শোনা যায় বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম।

ঘটনার সময় ঘাঁটিটিতে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়। আদানার বাসিন্দাদের কেউ কেউ জানান, তারা আকাশে জ্বলন্ত একটি বস্তু উড়ে যেতে দেখেছেন, যা সম্ভবত ঘাঁটির দিকে ধেয়ে আসা একটি ক্ষেপণাস্ত্র হতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ছবিতে আকাশে জ্বলতে থাকা বস্তুর ধ্বংসাবশেষ পরে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, সেগুলো সম্ভবত একটি ক্ষেপণাস্ত্রের অংশ, যা বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে জ্বলে ওঠার পর ভেঙে পড়ে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি মন্ত্রণালয়।

এদিকে চলমান সংঘাত শুরুর পর ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের এটি তৃতীয় ঘটনা বলে জানা গেছে। এর আগে ছোড়া দুটি ক্ষেপণাস্ত্র পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন থাকা ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় প্রতিহত করা হয় এবং সেগুলোর ধ্বংসাবশেষ তুরস্কের ভেতরে পড়ে।

এর আগে ন্যাটো জানিয়েছিল, তুরস্কের আকাশসীমায় প্রবেশ করা ইরান থেকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তাদের আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়। ওই ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় গাজিয়ানটেপ প্রদেশএর একটি খালি জমিতে পড়ে, তবে এতে কোনো হতাহত হয়নি।

তুরস্কের কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, ক্ষেপণাস্ত্রটি সম্ভবত ইনসিরলিক এয়ারবেসে অবস্থানরত ন্যাটো বাহিনীকে লক্ষ্য করেই ছোড়া হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তুরস্কে ন্যাটোর ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা: যা জানা গেছে

আপডেট সময় : ০৩:২৪:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত ন্যাটোর গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ইনসিরলিক বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় শুক্রবার ভোরে সতর্কতা সাইরেন বেজে ওঠে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আকাশে জ্বলন্ত বস্তু উড়ে যাওয়ার দৃশ্য ছড়িয়ে পড়লেও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ।

তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর আদানার কাছে অবস্থিত ইনসিরলিক বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রসহ নেটো-র সেনা সদস্যরা অবস্থান করছেন। শুক্রবার স্থানীয় সময় ভোর প্রায় ৩টা ২৫ মিনিটে ঘাঁটিটিতে কয়েক মিনিট ধরে সতর্কতা সাইরেন বাজতে শোনা যায় বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম।

ঘটনার সময় ঘাঁটিটিতে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়। আদানার বাসিন্দাদের কেউ কেউ জানান, তারা আকাশে জ্বলন্ত একটি বস্তু উড়ে যেতে দেখেছেন, যা সম্ভবত ঘাঁটির দিকে ধেয়ে আসা একটি ক্ষেপণাস্ত্র হতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ছবিতে আকাশে জ্বলতে থাকা বস্তুর ধ্বংসাবশেষ পরে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, সেগুলো সম্ভবত একটি ক্ষেপণাস্ত্রের অংশ, যা বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে জ্বলে ওঠার পর ভেঙে পড়ে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি মন্ত্রণালয়।

এদিকে চলমান সংঘাত শুরুর পর ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের এটি তৃতীয় ঘটনা বলে জানা গেছে। এর আগে ছোড়া দুটি ক্ষেপণাস্ত্র পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন থাকা ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় প্রতিহত করা হয় এবং সেগুলোর ধ্বংসাবশেষ তুরস্কের ভেতরে পড়ে।

এর আগে ন্যাটো জানিয়েছিল, তুরস্কের আকাশসীমায় প্রবেশ করা ইরান থেকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তাদের আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়। ওই ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় গাজিয়ানটেপ প্রদেশএর একটি খালি জমিতে পড়ে, তবে এতে কোনো হতাহত হয়নি।

তুরস্কের কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, ক্ষেপণাস্ত্রটি সম্ভবত ইনসিরলিক এয়ারবেসে অবস্থানরত ন্যাটো বাহিনীকে লক্ষ্য করেই ছোড়া হয়েছিল।