জিয়ার আমলে কারাগারে কত লোককে হত্যা করা হয়েছে, খুঁজে দেখতে বললেন শেখ হাসিনা
- আপডেট সময় : ১০:৫৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২১৭ বার পড়া হয়েছে
ছবি সংগ্রহ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বলেছেন, সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের আমলে দেশে ‘সামরিক ক্যু’র ওজর তুলে বিভিন্ন কারাগারে কি পরিমান মানুষ হত্যা করা হয়েছে, তা খুঁজে বের করুন। জিয়াউর রহমানের শাসনামলে
সারাদেশের কারাগারগুলোতে কত লোককে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে, তা খুঁজে দেখতে সংসদ সদস্যদের পরামর্শ দেন শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার একাদশ সংসদের চতুর্দশ অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি আমাদের সংসদ সদস্যদের একটা উদ্যোগ নেয়া উচিত, জিয়ার আমলে প্রত্যেকটা কারাগারে কত মানুষকে ফাঁসি দিয়ে মারা হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা, বগুড়া,
রাজশাহী, খুলনা এবং কুমিল্লায়। একটার পর একটা ক্যু আর শত শত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। সেগুলো একটু খুঁজে বের করে দেখেন।’
শেখ হাসিনা বলেন, একেকটা ক্যু, আর শত শত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। আর্মি অফিসার, আর্মি সোলজার, বিমান বাহিনীর ৫৬৫ জন অফিসার এবং সোলজার এবং সব মিলে এই রকম
কত মারা হয়েছে। এদের কাছ থেকে মানবাধিকারের কথা শুনতে হয়! এদের কাছে জ্ঞানের কথা শুনতে হয়! এদের কাছে আইনের শাসনের কথা শুনতে হয়!
তিনি বলেন, সেনাবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর কত শত সৈনিক-কর্মকর্তা এবং মানুষকে সে সময় হত্যা করা হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এগুলোতো (রেকর্ড) থেকে যায় সেগুলো একটু খুঁজে বের
করে দেখেন। একেক রাতে ফাঁসি দিতে দিতে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিল, এখনও এরকম লোক আছে।’
সরকারের সমালোচনা করা একটি শ্রেণির অভ্যাস উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশের মানুষের একটা বদঅভ্যাস আছে। কথায় কথায় হতাশ হওয়া। যতই কাজ করি তারপরও
বলে এটা হলো না কেন? ওটা হলো না কেন? আমি বলতে চাই, এসব না করে আগে কী ছিল আর এখন কী হয়েছে সেটা দেখলে তো হয়ে যায়।’
তিনি বলেন, যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা-এই অবস্থায় কিছু লোক ভোগে, আর কিছু লোক এমনিতেই ভোগে। আর মিডিয়া কী লিখলো আর টকশোতে কী বললো সেটা শুনে আমি কখনও
দেশ পরিচালনা করি না। দেশ পরিচালনা করি অন্তর থেকে। কারণ, আমার বাবা এই দেশ স্বাধীন করেছেন। দরিদ্র মানুষের জন্য তিনি বছরের পর বছর জেল খেটেছেন। নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। সেই মানুষগুলোর জন্য কী কাজ করতে হবে। সেটা আমি বাবা-মায়ের থেকে শিখেছি।
আমি সেটাই কাজে লাগাই। মানুষ তার সুফল পাচ্ছে কী না তা যাচাই করি। কে কী বললো, ওটা শুনে হতাশ হওয়া বা উৎসাহিত হওয়া আমার সাজে না। আমি তা করি না।





















