ঢাকা ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবে বরাত শার্শায় র‌্যাবের অভিযানে ২৯৭০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক খুব শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে-চীনা রাষ্ট্রদূত তৈরি পোশাকখাত এখন পোশাক খাত এখন আইসিইউতে: মোহাম্মদ হাতেম তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ব্যবসা মন্দা, আয় সংকোচন ও রাজস্ব ঘাটতি ৪৬ হাজার কোটি  নির্বাচন কমিশনের সামনে বিজিবি মোতায়েন, ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত মাদারীপুরে বাস অটোরিকশা সংঘর্ষ প্রাণ গেল ৬জনের বাংলাদেশে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার ব্যাখ্যা দিল অন্তর্বর্তী সরকার রমজান সামনে আগেই চড়া বাজার: দামে লাগাম টানতে কড়া নজরদাবি জরুরি

ঘূর্ণিঝড় মোখা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৬:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ মে ২০২৩ ২৬০ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্লোবাল ডিজাস্টার অ্যালার্ট অ্যান্ড কো-অর্ডিনেশন সিস্টেম (জিডিএসিএস) বিশ্বে চলমান দুর্যোগগুলোর মধ্যে ঘূর্ণিঝড় মোখাকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। কোখা অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এনিয়ে নিয়ে রেড অ্যালার্ট জারি করল সংস্থাটি।

জিডিএসিএস বিশ্বব্যাপী দুর্যোগ মোকাবিলায় তথ্য সহযোগিতা দিয়ে থাকে। শুক্রবার সংস্থাটির ওয়েবসাইটে ঘূর্ণিঝড় মোখা নিয়ে এসব তথ্য উল্লেখ করে বলেছে, ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশ ও মিয়ানমার উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এ সময় বাতাসের গতি সর্বোচ্চ ২০৪ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে এবং দুই মিটার (৬ ফুটের বেশি) পর্যন্ত জলোচ্ছ্বাস হতে পারে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস ও প্রস্তুতি নিয়ে জাতিসংঘের আওতায় পরিচালিত মানবিক সহায়তা বিষয়ক সংস্থা-ওসিএইচএ এবং বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরসহ দুর্যোগ বিষয়ক সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে গত দুই দিনে তিনটি সভা করেছে।

সেখানে ঘূর্ণিঝড় মোখা মোকাবিলায় বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও ভারতে নিয়োজিত জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা এবং আবহাওয়া দপ্তরগুলোর পূর্বাভাসের মধ্যে সমন্বয় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ঝড়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করার জন্য সভায় সিদ্ধান্ত হয়।

ঘূর্ণিঝড়টি নিয়ে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি), ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি), ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর মিডিয়াম রেঞ্জ ওয়েদার ফোরকাস্ট এবং গ্লোবাল ফোরকাস্ট সিষ্টেম আলাদা আলাদা পূর্বাভাস দিয়েছে। সবগুলো সংস্থার পূর্বাভাসে ঘূর্ণিঝড়টি ঘন্টায় ১৬০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার গতি নিয়ে আঘাত হানতে পারে বলে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঘূর্ণিঝড় মোখা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ মে ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্লোবাল ডিজাস্টার অ্যালার্ট অ্যান্ড কো-অর্ডিনেশন সিস্টেম (জিডিএসিএস) বিশ্বে চলমান দুর্যোগগুলোর মধ্যে ঘূর্ণিঝড় মোখাকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। কোখা অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এনিয়ে নিয়ে রেড অ্যালার্ট জারি করল সংস্থাটি।

জিডিএসিএস বিশ্বব্যাপী দুর্যোগ মোকাবিলায় তথ্য সহযোগিতা দিয়ে থাকে। শুক্রবার সংস্থাটির ওয়েবসাইটে ঘূর্ণিঝড় মোখা নিয়ে এসব তথ্য উল্লেখ করে বলেছে, ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশ ও মিয়ানমার উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এ সময় বাতাসের গতি সর্বোচ্চ ২০৪ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে এবং দুই মিটার (৬ ফুটের বেশি) পর্যন্ত জলোচ্ছ্বাস হতে পারে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস ও প্রস্তুতি নিয়ে জাতিসংঘের আওতায় পরিচালিত মানবিক সহায়তা বিষয়ক সংস্থা-ওসিএইচএ এবং বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরসহ দুর্যোগ বিষয়ক সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে গত দুই দিনে তিনটি সভা করেছে।

সেখানে ঘূর্ণিঝড় মোখা মোকাবিলায় বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও ভারতে নিয়োজিত জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা এবং আবহাওয়া দপ্তরগুলোর পূর্বাভাসের মধ্যে সমন্বয় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ঝড়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করার জন্য সভায় সিদ্ধান্ত হয়।

ঘূর্ণিঝড়টি নিয়ে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি), ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি), ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর মিডিয়াম রেঞ্জ ওয়েদার ফোরকাস্ট এবং গ্লোবাল ফোরকাস্ট সিষ্টেম আলাদা আলাদা পূর্বাভাস দিয়েছে। সবগুলো সংস্থার পূর্বাভাসে ঘূর্ণিঝড়টি ঘন্টায় ১৬০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার গতি নিয়ে আঘাত হানতে পারে বলে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।