ঢাকা ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংঘাতের আগে হরমুজ ত্যাগ করা জ্বালানিবাহী ১৫ জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছাতে শুরু করেছে ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন তেহরানের বিমানবন্দরে বিস্ফোরণ, পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের ইরান যুদ্ধের প্রথম ১০০ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩.৭ বিলিয়ন ডলার ইরান জয়ের ভাবনায় ট্রাম্পের সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে যাচ্ছে সাবেক দুই উপদেষ্টার গ্রেপ্তার দাবিতে উত্তাল কর্মসূচি ঘোষণা, রাজপথে নামছে জামায়াত চলমান জীবনের গল্প: কফির ধোঁয়ায় তিন বন্ধুর আড্ডা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় যুক্ত হবেন না, সাফ জানালেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্কিন তেলবাহী জাহাজে হামলার দাবি আইআরজিসির ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে চরম মাশুল গুনছে ইসরায়েল, সপ্তাহে ক্ষতি ৯ বিলিয়ন শেকেল

কত বছর বয়স আপনার শিশুকে আলাদা শোয়াবেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৬:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৪ ৩১১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

১৮ মাসের পর থেকেই শিশুকে আলাদা বিছানায় ঘুমানোর অভ্যাস করানোর কথা বলেছেন গবেষকেরা

জন্মের পর মা-বাবার সঙ্গেই ঘুমায় শিশু। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলায় তাদের ঘুমের সময় ও ধরন। তখন ঘুমানোর পরিবেশ পরিবর্তনেরও প্রয়োজনীয়তা পড়ে। একটু বড় হওয়ার পর সন্তানকে আলাদা বিছানায় শোয়ানোর অভ্যাস করলে যেমন তার আত্মনির্ভরশীলতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়ে, তেমনি মা-বাবার বিশ্রাম ও ঘুমের জন্যও তা প্রয়োজন। এমন পরামর্শ চিকিৎসা বিজ্ঞানিদের।

মা-বাবা ভাবেন, রাতে শিশুরা মা-বাবার সঙ্গে ঘুমালে ভয় পাবে না, ভালো ঘুম হবে। আর সে রাতে ঠিকমতো ঘুমাচ্ছে কি না, সে বিষয়েও নজর রাখতে পারবেন।


বিশেষজ্ঞদের মতে ১৮ মাসের পর থেকেই শিশুকে আলাদা বিছানায় ঘুমানোর অভ্যাস করানোর কথা বলেছেন গবেষকেরা। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, বেশি দিন এক বিছানায় থাকার ফলে শিশুদের স্বাধীনভাবে ঘুমানোর অভ্যাস বাধাগ্রস্ত হয়, শিশু ঘুমের মধ্যে স্বাধীনভাবে নড়াচড়া করতে পারে না, যেগুলো শিশু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘুমানো ও জেগে ওঠার স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।

কিছু ক্ষেত্রে বড়দের সঙ্গে এক বিছানায় ঘুমানোর ফলে শিশুদের ক্ষেত্রে সাডেন ইনফ্যান্ট ডেথ সিনড্রোম বা ঘুমের মধ্যে আচমকা মৃত্যুঝুঁকিও থাকে।

দুই বছর বয়সের আগেই শিশুকে মা-বাবার কাছ থেকে আলাদা শোয়ার ব্যবস্থা করা উচিত। অনেক সময় এই অভ্যাস তৈরি করতে মা-বাবাকে বেশ বেগ পেতে হয়।

এ জন্য ধাপে ধাপে আলাদা ঘুমানোর অভ্যাস করানো যায়। প্রথমেই আলাদা ঘরে শোয়ার ব্যবস্থা না করে শুরুতে তাকে মা-বাবা ঘরেই আলাদা বিছানা করে দেওয়া উচিত। এরপর তিন-চার বছর বয়সের দিকে আলাদা ঘরে ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

খেয়াল রাখতে হবে, শিশুর পছন্দের আসবাব দিয়ে যেন সাজানো হয় ঘর, এখানে থাকতে তখন সে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবে। দেয়ালে তার পছন্দের ছবি রাখা যেতে পারে, সাজিয়ে রাখা যেতে পারে তার পছন্দের খেলনা। খাটের উচ্চতা যেন শিশুদের নাগালের মধ্যে থাকে। পড়ার জায়গা হওয়া উচিত আরামদায়ক আর খোলামেলা। শিশু যেন রাতে ভয় না পায়, সে জন্য ডিমলাইটের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

প্রয়োজনে সহজেই যেন ডাকতে পারে, সে জন্য মা-বাবার কাছাকাছি রুমেই শিশুর থাকার ব্যবস্থা করলে ভালো। দুই কক্ষের মধ্যে যাতায়াত যেন সহজ হয়। তাহলে মা-বাবা যেমন সহজে শিশুর দিকে নজর রাখতে পারবেন, তেমনি আবার সন্তানও প্রয়োজনে দ্রুত তাদের কাছে আসতে পারে। খেয়াল রাখতে হবে শিশুর ঘর থেকে মা-বাবার ঘরে যাওয়ার পথে যেন এমন কিছু না থাকে, যাতে শিশুটি অসতর্কতায় ব্যথা পেতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কত বছর বয়স আপনার শিশুকে আলাদা শোয়াবেন

আপডেট সময় : ০৯:১৬:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৪

 

১৮ মাসের পর থেকেই শিশুকে আলাদা বিছানায় ঘুমানোর অভ্যাস করানোর কথা বলেছেন গবেষকেরা

জন্মের পর মা-বাবার সঙ্গেই ঘুমায় শিশু। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলায় তাদের ঘুমের সময় ও ধরন। তখন ঘুমানোর পরিবেশ পরিবর্তনেরও প্রয়োজনীয়তা পড়ে। একটু বড় হওয়ার পর সন্তানকে আলাদা বিছানায় শোয়ানোর অভ্যাস করলে যেমন তার আত্মনির্ভরশীলতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়ে, তেমনি মা-বাবার বিশ্রাম ও ঘুমের জন্যও তা প্রয়োজন। এমন পরামর্শ চিকিৎসা বিজ্ঞানিদের।

মা-বাবা ভাবেন, রাতে শিশুরা মা-বাবার সঙ্গে ঘুমালে ভয় পাবে না, ভালো ঘুম হবে। আর সে রাতে ঠিকমতো ঘুমাচ্ছে কি না, সে বিষয়েও নজর রাখতে পারবেন।


বিশেষজ্ঞদের মতে ১৮ মাসের পর থেকেই শিশুকে আলাদা বিছানায় ঘুমানোর অভ্যাস করানোর কথা বলেছেন গবেষকেরা। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, বেশি দিন এক বিছানায় থাকার ফলে শিশুদের স্বাধীনভাবে ঘুমানোর অভ্যাস বাধাগ্রস্ত হয়, শিশু ঘুমের মধ্যে স্বাধীনভাবে নড়াচড়া করতে পারে না, যেগুলো শিশু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘুমানো ও জেগে ওঠার স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।

কিছু ক্ষেত্রে বড়দের সঙ্গে এক বিছানায় ঘুমানোর ফলে শিশুদের ক্ষেত্রে সাডেন ইনফ্যান্ট ডেথ সিনড্রোম বা ঘুমের মধ্যে আচমকা মৃত্যুঝুঁকিও থাকে।

দুই বছর বয়সের আগেই শিশুকে মা-বাবার কাছ থেকে আলাদা শোয়ার ব্যবস্থা করা উচিত। অনেক সময় এই অভ্যাস তৈরি করতে মা-বাবাকে বেশ বেগ পেতে হয়।

এ জন্য ধাপে ধাপে আলাদা ঘুমানোর অভ্যাস করানো যায়। প্রথমেই আলাদা ঘরে শোয়ার ব্যবস্থা না করে শুরুতে তাকে মা-বাবা ঘরেই আলাদা বিছানা করে দেওয়া উচিত। এরপর তিন-চার বছর বয়সের দিকে আলাদা ঘরে ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

খেয়াল রাখতে হবে, শিশুর পছন্দের আসবাব দিয়ে যেন সাজানো হয় ঘর, এখানে থাকতে তখন সে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবে। দেয়ালে তার পছন্দের ছবি রাখা যেতে পারে, সাজিয়ে রাখা যেতে পারে তার পছন্দের খেলনা। খাটের উচ্চতা যেন শিশুদের নাগালের মধ্যে থাকে। পড়ার জায়গা হওয়া উচিত আরামদায়ক আর খোলামেলা। শিশু যেন রাতে ভয় না পায়, সে জন্য ডিমলাইটের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

প্রয়োজনে সহজেই যেন ডাকতে পারে, সে জন্য মা-বাবার কাছাকাছি রুমেই শিশুর থাকার ব্যবস্থা করলে ভালো। দুই কক্ষের মধ্যে যাতায়াত যেন সহজ হয়। তাহলে মা-বাবা যেমন সহজে শিশুর দিকে নজর রাখতে পারবেন, তেমনি আবার সন্তানও প্রয়োজনে দ্রুত তাদের কাছে আসতে পারে। খেয়াল রাখতে হবে শিশুর ঘর থেকে মা-বাবার ঘরে যাওয়ার পথে যেন এমন কিছু না থাকে, যাতে শিশুটি অসতর্কতায় ব্যথা পেতে পারে।