ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তারেক রহমানের নেতৃত্বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের নতুন অভিযাত্রা বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে আইসিসির সিদ্ধান্ত এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত ইউএপির দুই শিক্ষককে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ইস্যুতে আজ কী সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি? ২২ জানুয়ারী মওলানা ভাসানীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৫৪তম বার্ষিকী বাংলাদেশে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংক থাকলেই যথেষ্ট: কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর মব সৃষ্টি করে জনমত প্রভাবিত করার দিন আর নেই: জামায়াত আমির বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ বেনাপোলে এক বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রী আটক বস্তিবাসীদের উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার আশ্বাস তারেক রহমানের চাপ তৈরি করে ভারতে খেলাতে বাধ্য করা যাবে না

উইঘুর ইস্যুতে দৃঢ় অবস্থানের পরিকল্পনা করছে জাপান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪২:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ মে ২০২১ ২৩৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

সম্প্রতি চিনের জিনজিয়াং প্রদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মধ্যে জাপানি কোম্পানিগুলো উইঘুর মুসলমানদের কাজ করতে বাধ্য করছে এমন অংশীদারদের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত করার পরিকল্পনা করছে। জাপান ফরোয়ার্ড নিউজ পোর্টালের খবরে বলা হয়েছে, পণ্য বয়কট নিয়ে জাপানি কোম্পানিগুলো চীনের হুমকির মুখে রয়েছে। এ হুমকি জাপানি কোম্পানিগুলোকে কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলেছে।

অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনস্টিটিউটের (এএসআইপি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উইঘুরদের বাধ্যতামূলক শ্রমের সঙ্গে জড়িত চীনা ফ্যাক্টরির সঙ্গে ব্যবসা করেছে এমন শীর্ষস্থানীয় ৮০ টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মোট ১৪ টি জাপানি কোম্পানি রয়েছে।

গত মাসে জাপানের শীর্ষস্থানীয় কেচআপ(চাটনি) প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান‘কাগমি’, উইঘুরদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি নিয়ে জিনজিয়াং প্রদেশ থেকে কাঁচামাল আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে। জনপ্রিয় পাশ্চাত্য ব্র্যান্ডের ক্রমবর্ধমান সংখ্যায় যোগদান করে, শীর্ষস্থানীয় এ জাপানি কেচাপ প্রস্তুতকারক গত বছর তার কিছু সস পণ্যতে ব্যবহৃত জিনজিয়াং-এ উৎপাদিত টমেটো পেস্টের আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে।

কাগমির একজন প্রতিনিধি বলেন, খরচ এবং মানের পাশাপাশি “মানবাধিকার সমস্যাগুলি নিয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে”। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উইঘুর ইস্যু নিয়ে এই অঞ্চলের সঙ্গে ব্যবসা বন্ধ করা প্রথম জাপানি কর্পোরেশন হিসাবে কাগমিকে গণ্য করা হয়।

এর আগে, এইচএন্ডএম এবং নাইকিসহ বেশ কয়েকটি পশ্চিমা ব্র্যান্ড এই অঞ্চলে তৈরি কাঁচামাল ও উপকরণ ব্যাবহার করা বন্ধ করে দেয়। এর ফলেই চীনা পণ্যের গ্রাহকদের ভেতর উইঘুর ইস্যু নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। জোর করে শ্রমের বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ইতোমধ্যে, বেইজিং উইঘুর বাধ্যতামূলক শ্রমের ইস্যু নিয়ে যারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এমন পশ্চিমা সংস্থাগুলি বয়কট করার চেষ্টায় রয়েছে।

সূত্র: এএনআই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

উইঘুর ইস্যুতে দৃঢ় অবস্থানের পরিকল্পনা করছে জাপান

আপডেট সময় : ১০:৪২:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ মে ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

সম্প্রতি চিনের জিনজিয়াং প্রদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মধ্যে জাপানি কোম্পানিগুলো উইঘুর মুসলমানদের কাজ করতে বাধ্য করছে এমন অংশীদারদের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত করার পরিকল্পনা করছে। জাপান ফরোয়ার্ড নিউজ পোর্টালের খবরে বলা হয়েছে, পণ্য বয়কট নিয়ে জাপানি কোম্পানিগুলো চীনের হুমকির মুখে রয়েছে। এ হুমকি জাপানি কোম্পানিগুলোকে কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলেছে।

অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনস্টিটিউটের (এএসআইপি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উইঘুরদের বাধ্যতামূলক শ্রমের সঙ্গে জড়িত চীনা ফ্যাক্টরির সঙ্গে ব্যবসা করেছে এমন শীর্ষস্থানীয় ৮০ টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মোট ১৪ টি জাপানি কোম্পানি রয়েছে।

গত মাসে জাপানের শীর্ষস্থানীয় কেচআপ(চাটনি) প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান‘কাগমি’, উইঘুরদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি নিয়ে জিনজিয়াং প্রদেশ থেকে কাঁচামাল আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে। জনপ্রিয় পাশ্চাত্য ব্র্যান্ডের ক্রমবর্ধমান সংখ্যায় যোগদান করে, শীর্ষস্থানীয় এ জাপানি কেচাপ প্রস্তুতকারক গত বছর তার কিছু সস পণ্যতে ব্যবহৃত জিনজিয়াং-এ উৎপাদিত টমেটো পেস্টের আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে।

কাগমির একজন প্রতিনিধি বলেন, খরচ এবং মানের পাশাপাশি “মানবাধিকার সমস্যাগুলি নিয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে”। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উইঘুর ইস্যু নিয়ে এই অঞ্চলের সঙ্গে ব্যবসা বন্ধ করা প্রথম জাপানি কর্পোরেশন হিসাবে কাগমিকে গণ্য করা হয়।

এর আগে, এইচএন্ডএম এবং নাইকিসহ বেশ কয়েকটি পশ্চিমা ব্র্যান্ড এই অঞ্চলে তৈরি কাঁচামাল ও উপকরণ ব্যাবহার করা বন্ধ করে দেয়। এর ফলেই চীনা পণ্যের গ্রাহকদের ভেতর উইঘুর ইস্যু নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। জোর করে শ্রমের বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ইতোমধ্যে, বেইজিং উইঘুর বাধ্যতামূলক শ্রমের ইস্যু নিয়ে যারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এমন পশ্চিমা সংস্থাগুলি বয়কট করার চেষ্টায় রয়েছে।

সূত্র: এএনআই।