ঢাকা ১০:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রান্তিক নারীদের আয়বৃদ্ধিমূলক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিতে হবে: বিএনপিএস নদী ভাঙনের হুমকিতে মধ্যনগরের মহিষখলা জাতীয় স্মৃতিসৌধ ট্রাম্প-পুতিনের ফোন আলোচনা ইরান যুদ্ধ ও তেল বাজার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, ১,৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভ্যন্তরীণ তদন্ত দেড় কোটি মানুষ ছাড়ছে ঢাকা, ঈদে জনস্রোত সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ কমার একদিন পরই বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে বেড়েছে ৩,২৬৬ টাকা বিশ্ব ঐতিহ্যের জামদানি বুনেও কষ্টের জীবন রূপগঞ্জের তাঁতিদের ফ্যামিলি কার্ড নারীর ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে: সিপিডি ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য সরকারের: প্রধানমন্ত্রী

ইসলাম বিদ্বেষের কারণ ইমরান খান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩০:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২০ ৬২০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বর্তমান বিশ্বে ইসলাম বিদ্বেষ সৃষ্টি হওয়ার মূল কারণ। এমনটিই দাবি করছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনিস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞ মাইকেল রুবিন। সম্প্রতি ফ্রান্সে মহানবী (সা.)-কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করার পর মুসলিম নেতাদের উদ্দেশ্যে একটি চিঠি লেখেন ইমরান। সেই চিঠির সমালোচনাতেই এই মন্তব্য করেছেন মার্কিন বিশেষজ্ঞ, জানিয়েছে ডেইলিহান্ট।

মাইকেল রুবিন বলেন, পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী মূলত ভণ্ডামি করছেন। কারণ চীনের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গণহত্যাটি হয়েছে উইঘুর মুসলিমদের ওপর। কিন্তু সেখানে তিনি নীরব ভূমিকা পালন করে উল্টো চীনকে সমর্থন করে যাচ্ছেন। মুসলিমদের জন্যে তার এতোই দরদ থাকলে সেখানে তিনি কেনো নিশ্চুপ? ফ্রান্সের ঘটনার পর তিনি মুসলিম নেতাদের উদ্দেশ্যে যে চিঠি পাঠিয়েছেন তাতে বিদ্বেষ ছাড়া আর কিছুই নেই আমার মতে।

তিনি বলেন, চীনে উইঘুর মুসলিম নারীদের জোরপূর্বক বন্ধা করে দেয়া হচ্ছে। তাদের ধর্ষণ করা হচ্ছে। মাথা ন্যাড়া করে দেয়া হচ্ছে। সেই চুল দিয়ে উইগ বানানো হচ্ছে যা চীন-পাকিস্তান সীমান্ত দিয়ে রপ্তানী হয়। এসব জানার পরেও নীরব পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, ইমরান খান যদি সত্যিই মুসলিম জাতি ও ইসলামের সম্মান করতেন তাহলে অবশ্যই এই ঘটনার প্রতিবাদ করে দেখাতেন। কিন্তু ব্যক্তি স্বার্থের জন্যে তিনি তা করেননি।

মার্কিন এই বিশেষজ্ঞ বলেন, তিনি সত্যিকারের নেতা হলে ইসলাম বিদ্বেষ মেটানোর চেষ্টা করতেন। জঙ্গীবাদ দমনে পদক্ষেপ গ্রহণ করতেন। অথচ তিনি ফ্রান্স প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোর ওপর ঢালাওভাবে সব দোষ চাপিয়ে গেলেন। চিঠিটি পড়ে এমন মনে হচ্ছে যেন, ইসলাম বিদ্বেষের জন্যে কেবলমাত্র ফ্রান্স প্রেসিডেন্ট দায়ী। তিনি বলেন, ইমরান খানের উচিৎ নিজের চেহারা আগে আয়নায় দেখা। কারণ ইউরোপীয় নেতাদের তুলনায় তিনি একাই কয়েকগুণ বেশি ইসলাম বিদ্বেষ ছড়িয়েছেন। তিনি ইসলাম বিদ্বেষের কারণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ইসলাম বিদ্বেষের কারণ ইমরান খান

আপডেট সময় : ১০:৩০:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২০

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বর্তমান বিশ্বে ইসলাম বিদ্বেষ সৃষ্টি হওয়ার মূল কারণ। এমনটিই দাবি করছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনিস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞ মাইকেল রুবিন। সম্প্রতি ফ্রান্সে মহানবী (সা.)-কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করার পর মুসলিম নেতাদের উদ্দেশ্যে একটি চিঠি লেখেন ইমরান। সেই চিঠির সমালোচনাতেই এই মন্তব্য করেছেন মার্কিন বিশেষজ্ঞ, জানিয়েছে ডেইলিহান্ট।

মাইকেল রুবিন বলেন, পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী মূলত ভণ্ডামি করছেন। কারণ চীনের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গণহত্যাটি হয়েছে উইঘুর মুসলিমদের ওপর। কিন্তু সেখানে তিনি নীরব ভূমিকা পালন করে উল্টো চীনকে সমর্থন করে যাচ্ছেন। মুসলিমদের জন্যে তার এতোই দরদ থাকলে সেখানে তিনি কেনো নিশ্চুপ? ফ্রান্সের ঘটনার পর তিনি মুসলিম নেতাদের উদ্দেশ্যে যে চিঠি পাঠিয়েছেন তাতে বিদ্বেষ ছাড়া আর কিছুই নেই আমার মতে।

তিনি বলেন, চীনে উইঘুর মুসলিম নারীদের জোরপূর্বক বন্ধা করে দেয়া হচ্ছে। তাদের ধর্ষণ করা হচ্ছে। মাথা ন্যাড়া করে দেয়া হচ্ছে। সেই চুল দিয়ে উইগ বানানো হচ্ছে যা চীন-পাকিস্তান সীমান্ত দিয়ে রপ্তানী হয়। এসব জানার পরেও নীরব পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, ইমরান খান যদি সত্যিই মুসলিম জাতি ও ইসলামের সম্মান করতেন তাহলে অবশ্যই এই ঘটনার প্রতিবাদ করে দেখাতেন। কিন্তু ব্যক্তি স্বার্থের জন্যে তিনি তা করেননি।

মার্কিন এই বিশেষজ্ঞ বলেন, তিনি সত্যিকারের নেতা হলে ইসলাম বিদ্বেষ মেটানোর চেষ্টা করতেন। জঙ্গীবাদ দমনে পদক্ষেপ গ্রহণ করতেন। অথচ তিনি ফ্রান্স প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোর ওপর ঢালাওভাবে সব দোষ চাপিয়ে গেলেন। চিঠিটি পড়ে এমন মনে হচ্ছে যেন, ইসলাম বিদ্বেষের জন্যে কেবলমাত্র ফ্রান্স প্রেসিডেন্ট দায়ী। তিনি বলেন, ইমরান খানের উচিৎ নিজের চেহারা আগে আয়নায় দেখা। কারণ ইউরোপীয় নেতাদের তুলনায় তিনি একাই কয়েকগুণ বেশি ইসলাম বিদ্বেষ ছড়িয়েছেন। তিনি ইসলাম বিদ্বেষের কারণ।