ঢাকা ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিশ্বকাপ ইস্যুতে ট্রাম্পকে ইরানের কড়া জবাব পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় চরম হতাশায় কৃষকরা পাবনায় পেঁয়াজের বাজার ধস, কৃষকেরা এক্ষুণি লোকসানে বেনাপোলে বিজিবির অভিযানে চোরাচালান পণ্য আটক এভারকেয়ার হাসপাতালে মির্জা আব্বাসের  শয্যাপাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৮ মাসে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ৩,১০০ সহিংসতার তথ্য ভারতের রাজ্যসভায় স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার: রেলমন্ত্রী জামায়াতের শফিকুর রহমান বিরোধী দলীয় নেতা, তাহের উপনেতা মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: ৫ বাংলাদেশি নিহত, আশঙ্কাজনক আরও ২ তুরস্কে ন্যাটোর ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা: যা জানা গেছে

আইআরএফের রিপোর্ট : পাকিস্তানে ধর্মীয় স্বাধীনতার অবনতি অব্যাহত রয়েছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ মে ২০২১ ২৩৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

সরকার ব্লাসফেমি (খোদাদ্রোহ) আইন আর আহমদিয়া সম্প্রদায়বিরোধী আইন সুপরিকল্পিতভাবে প্রয়োগ করতে থাকায় পাকিস্তানে ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতি অবনতি অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম (আইআরএফ) কমিশনের বার্ষিক রিপোর্টে এ কথা বলা হয়।

বার্তা সংস্থা এএনআই জানায়, পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্বাধীনতা দিন দিন সংকুচিত হওয়ার কারণ সম্পর্কে রিপোর্টে বলা হয়, উগ্রবাদীদের হামলা থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দিচ্ছে না সরকার।

তাই ২০২০ সালে পাকিস্তানে বেড়েছে টার্গেট কিলিং, বেড়েছে ব্লাসফেমি মামলা, বেড়েছে জবরদস্তি ধর্মান্তরিতকরণের ঘটনা। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে ঘৃণা সঞ্চারক বক্তৃতাবাজিও অনেক বেড়েছে।

আইআরএফের রিপোর্টে বলা হয়, সংখ্যালঘুদের নির্যাতনের মাত্রা কতটা তীব্র তা উপলব্ধির জন্য আহমদিয়া সম্প্রদায়কে নিপীড়নের বিষয়টি বিবেচনা করাটাই যথেষ্ট। তারা নিজেদের ‘মুসলিম’ বলে পরিচয় দেওয়া মাত্রই সরকারি ও সামাজিক নির্যাতনের কবলে পড়ে।

২০২০ সালে এই নিপীড়ন ভয়ংকর পর্যায়ে উপনীত হয় জুন থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে। পাঁচজন আহমদিকে খুন করা হয়েছে এ সময়।

যারা খুন হয়েছেন তাদের মধ্যে ছিলেন মার্কিন নাগরিক তাহির নাসিম। ৫৭ বছর বয়সী এই ভদ্রলোক ব্লাসফেমি মামলার আসামি ছিলেন। জুলাই মাসে তিনি মামলার হাজিরা দিতে আদালতে এলে সেখানেই তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

রিপোর্টে অবস্থার প্রতিকারের জন্য দোষী ব্যক্তিদের দ্রুত শাস্তি বিধানের সুপারিশ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, হিংসাশ্রয়ী ধর্মীয় প্রচারণায় লিপ্তদের আইনের আওতায় আনা হলে খুন খারাপির ঘটনা ক্রমশ বন্ধ হয়ে যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আইআরএফের রিপোর্ট : পাকিস্তানে ধর্মীয় স্বাধীনতার অবনতি অব্যাহত রয়েছে

আপডেট সময় : ১০:৩৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ মে ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

সরকার ব্লাসফেমি (খোদাদ্রোহ) আইন আর আহমদিয়া সম্প্রদায়বিরোধী আইন সুপরিকল্পিতভাবে প্রয়োগ করতে থাকায় পাকিস্তানে ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতি অবনতি অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম (আইআরএফ) কমিশনের বার্ষিক রিপোর্টে এ কথা বলা হয়।

বার্তা সংস্থা এএনআই জানায়, পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্বাধীনতা দিন দিন সংকুচিত হওয়ার কারণ সম্পর্কে রিপোর্টে বলা হয়, উগ্রবাদীদের হামলা থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দিচ্ছে না সরকার।

তাই ২০২০ সালে পাকিস্তানে বেড়েছে টার্গেট কিলিং, বেড়েছে ব্লাসফেমি মামলা, বেড়েছে জবরদস্তি ধর্মান্তরিতকরণের ঘটনা। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে ঘৃণা সঞ্চারক বক্তৃতাবাজিও অনেক বেড়েছে।

আইআরএফের রিপোর্টে বলা হয়, সংখ্যালঘুদের নির্যাতনের মাত্রা কতটা তীব্র তা উপলব্ধির জন্য আহমদিয়া সম্প্রদায়কে নিপীড়নের বিষয়টি বিবেচনা করাটাই যথেষ্ট। তারা নিজেদের ‘মুসলিম’ বলে পরিচয় দেওয়া মাত্রই সরকারি ও সামাজিক নির্যাতনের কবলে পড়ে।

২০২০ সালে এই নিপীড়ন ভয়ংকর পর্যায়ে উপনীত হয় জুন থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে। পাঁচজন আহমদিকে খুন করা হয়েছে এ সময়।

যারা খুন হয়েছেন তাদের মধ্যে ছিলেন মার্কিন নাগরিক তাহির নাসিম। ৫৭ বছর বয়সী এই ভদ্রলোক ব্লাসফেমি মামলার আসামি ছিলেন। জুলাই মাসে তিনি মামলার হাজিরা দিতে আদালতে এলে সেখানেই তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

রিপোর্টে অবস্থার প্রতিকারের জন্য দোষী ব্যক্তিদের দ্রুত শাস্তি বিধানের সুপারিশ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, হিংসাশ্রয়ী ধর্মীয় প্রচারণায় লিপ্তদের আইনের আওতায় আনা হলে খুন খারাপির ঘটনা ক্রমশ বন্ধ হয়ে যাবে।