USA : যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় ৪০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান
- আপডেট সময় : ০৮:৪৩:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২২ ১৫৯ বার পড়া হয়েছে
দুর্নীতি ও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে নয় দেশের ৪০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতীকী ছবি: সংগ্রহ
‘দুর্নীতি ও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে নয় দেশের ৪০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের’
ভয়েস ডিজিটাল দেশ
দুর্নীতি ও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে নয় দেশের ৪০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আনল যুক্তরাষ্ট্র। তালিকায় রয়েছে, রাশিয়ার সরকারি দপ্তর, ইরানের সরকারি কর্মকর্তা, চীনা নাগরিকও। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের যুক্তরাষ্ট্রে সম্পদ থাকলে তা বাজেয়াপ্ত হবে। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সম্পৃক্ততা রাখতে পারবে না।
আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস ও মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে স্থানীয় সময় শুক্রবার মার্কিন অর্থ মন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে নতুন এ নিষেধাজ্ঞার কথা জানায়। তাতে বলা হয়েছে, চীনের নাগরিক লি ঝেনু ও ঝুও জিনরং এবং তাদের দু’জনের সঙ্গে সম্পৃক্ত পিংতান মেরিন এন্টারপ্রাইজসহ ও দালিয়ান ওশান ফিশিং কোম্পানিসহ ১০টি প্রতিষ্টানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
এই দুই ব্যক্তি এবং এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চীনভিত্তিক অবৈধ মাছ ব্যবসায় যুক্ত হয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে ওয়াশিংটন।
গত জুন মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন অবৈধ মাছ ধরাকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলেছিলেন। সেসময় তিনি অবৈধ মাছ ধরার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করে নিরাপত্তা স্মারকে সই করেন।
মাছ ধরার প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করেছে ওয়াশিংটনের চীনা দূতাবাস। দূতাবাসের মুখপাত্র লিউ পেনগিউ বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে এমন নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার এখতিয়ার ওয়াশিংটনের নেই। এটা বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশি কার্যক্রমের নজির।
এ ছাড়া চীনের তিব্বত অঞ্চলে ২০১৬ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য অভিযুক্ত দুই চীনা কর্মকর্তার ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
রাশিয়ার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে। সম্প্রতি গণভোট আয়োজন করে ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে রাশিয়া। এ গণভোট তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিল রাশিয়ার নির্বাচন কমিশন। ওয়াশিংটনের মতে, এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। তাই প্রতিষ্ঠান ও তার ১৫ জন সদস্যের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।





















