Cyclone Sitrang : ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’ ৭ নম্বর বিপদসংকেত
- আপডেট সময় : ১০:৪৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অক্টোবর ২০২২ ২১৮ বার পড়া হয়েছে
ছবি সংগ্রহ
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’। বাংলাদেশের উপকূলের ৫০০ কিলোমিটারের মধ্যে চলে এসেছে সিত্রাং। দফায় দফায় বাড়ানো হচ্ছে বিপদ সংকেত। মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৬ নম্বর বিপদসংকেত জারি করা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ১৯টি জেলায় তাণ্ডব চালিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যা নাগাদ বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে পারে সিত্রাং।
আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে জানানো হয়েছে, রবিবার মধ্যরাতে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫২৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড়টি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে মঙ্গলবার ভোর বা সকালে খেপুপাড়ার কাছ দিয়ে বরিশাল-চট্টগ্রাম বন্দর অতিক্রম করতে পারে।
রবিবার থেকেই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ঝড়ের প্রভাবে ঢাকাসহ উপকূলীয় এলাকা খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও বৃষ্টি হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় বইছে দমকা হাওয়া।
সিত্রাং ছোঁবল বসাবে উপকূলের ১৯ জেলায়। কক্সবাজার থেকে সাতক্ষীরা উপকূল অঞ্চলের প্রায় সাড়ে সাতশ’ কিলোমিটার। আঘাত হানার সময় থাকবে অমাবস্যা। ঝড়ের প্রভাবে স্বাভাবিকের চেয়ে কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ ফুট উচ্চতার জোয়ারে উপকূল প্লাবিত হবার আশঙ্কা। উপকূলবাসীর নিরাপত্তায় স্থানীয় প্রশাসন মাঠে নেমেছে। উপকূল বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। মাইকিং থেকে শুরু করে সব রকমের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাঠানো হয়েছে নগদ র্অথ ও শুকনো। বাংলাদেশের সন্দ্বীপ ও বরিশাল উপকূল দিয়ে সিত্রাং অতিক্রমের কথা রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা ও মেদিনীপুরে ঝড়ের প্রভাব পড়বে।
উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনীসহ দ্বীপ সমূহকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।
সিত্রাং হচ্ছে পাতা। থাইল্যাণ্ডের বিজ্ঞানিরা এই ঝড়ের নামকরণ করেছেন।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) অধীন জাতিসংঘের এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সাগর তীরের ১৩ দেশের (বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ভারত, পাকিস্তান, মালদ্বীপ, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, ওমান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরান, সৌদি আরব ও ইয়েমেন) আবহাওয়াবিদদের সংস্থা এস্কেপ ঘূর্ণিঝড়ের নাম দিয়ে থাকে।





















