C&F agents strike call : বাংলাদেশের সকল বন্দরে দুই দিনের কর্মবিরতির ডাক
- আপডেট সময় : ০২:২০:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৩ ১৮৩ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
কাস্টম এজেন্টস লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০২০ ও নিবর্তমূলক আইন বাতিলের দাবিতে বাংলাদেশের সকল বন্দরে ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি দুই দিনের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট এসোসিয়েশন।
এসময় কাস্টমস হাউজ, বন্দরসহ সকল স্থানে পণ্য ওঠানামা বন্ধ থাকবে।
আমদানি রপ্তানি ক্ষেত্রে বিশেষ করে দেশের অর্থনৈতিক চালিকা শক্তি হিসাবে কাজ করছে কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট ব্যবসায়ীরা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ২০২০ সালের আইন অনুসারে কোন প্রতিষ্ঠানের স্বাত্তাধিকারীর মৃত্যু সাথে সাথে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও বিলোপ হয়ে যাবে!
সাংবাদিক বৈঠকে ফেডারেশনের মহাসচিব সুলতান হোসেন খান বলেন, রাজস্ব বোর্ডের এমন আইনের বিষয়ে বিভিন্ন সময় কর্মবিরতি ছাড়াও নানা ধরণের আলোচনা , বৈঠক করেও এর কোন সুফল পাননি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। এ কারণে বাধ্য হয়েই দুই দিনের দর্মঘটের ডাক দিলেন তারা।
রবিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে এই ধর্মঘটের ঘোষণা করেন ফেডারেমন নেতৃবৃন্দ। চট্টগ্রাম, বেনাপোলসহ সারা বাংলাদেশের কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট ব্যবসায়ীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন। ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাদেরকে হয়রানি এবং সরকারের রাজস্ব আয়ের গতি কমিয়ে দিতে মৌলিক অধিকার পরিপন্থি আইন প্রবর্তন করেছে।
শুধু তাই নয়, লাইসেন্সিং বিধিমালার কতিফয় বিধির আওতায় কোন আমদানিকারকের শুল্ক বাকী থাকলে তার দায়ও সিএন্ডএফ এজেন্টের ওপর চালিয়ে দিয়ে লাইসেন্স নবায়ন না করা এবং উত্তরাধিকারীর অনুকুলে লাইসেন্স হস্তান্তর না করা ইত্যাদি স্বার্থবিরোধী আইনের প্রতিকার চেয়ে বিভিন্ন সময়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করেও কোন সুফল পাননি ব্যবসায়ীরা। ফলে বাধ্য হয়ে ধর্মঘটের ডাক দিতে হয়েছে বলে জানান সিএন্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ীরা।




















