Bangladesh : শারদীয় উৎসব ঘিরে নব আনন্দের জেগে ওঠেছে বাংলাদেশ
- আপডেট সময় : ০৬:৩০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ ৩১৮ বার পড়া হয়েছে
‘অতিমারির দুই বছর পর শারদীয় উৎসব পালনে নব আনন্দের জেগে ওঠেছে বাংলাদেশ, সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন, এবার নবীন মন্ত্রে হবে, জননী তোর উদ্বোধন’
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
এবার নবীন মন্ত্রে হবে জননী তোর উদ্বোধন। অতিমারির দুই বছর পর শারদীয় উৎসব পালনে নব আনন্দের জেগে ওঠেছে বাংলাদেশ। সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। শনিবার ষষ্ঠী পূজা দিয়ে পাঁচদিনের দুর্গোৎসবে মেতে ওঠবে সনাতনধর্মে মানুষ। সার্বজনীনতার স্রোতে মিশে যাবে সকল ধর্মবর্ণের পথ। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির চত্বরে পা রাখতেই দেখা গেল সাজ সাজ অবস্থা।
শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততায় কর্মীরা। নতুন ভবন ও রাস্তার পাশে দুর্গোৎসবকে স্বাগত জানিয়ে বসেছে ৩০ ফুট দীর্ঘ হোডিং। মন্দির ঘিরে ফেলা হয়েছে সিসি ক্যামেরায়। মন্দিরের ভেতরের চত্বরে বিনামূল্যে চা কফির স্টল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্প ও কন্ট্রোল রুম। গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের উপস্থিতি বেড়ে গিয়েছে। মূল মণ্ডপ ঘিরে অবস্থান নিয়েছেন আনসার ব্যাটালিয়ান সদস্যরা। নারী আনসার সদস্য-আধিকারীকেরাও রয়েছেন।
পোষাক ও সাদা পোশাকের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সংখ্যা বাড়ছে। উৎসব পালনে কোন ত্রুটি রাখেনি প্রশাসন। মহানগর পুজা উদযাপন পরষদের সাংবাদিক বৈঠকেও পরিষ্কারভাবে একথা জানালেন সাধারণ সম্পাদক রমেন মণ্ডল। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক , সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দুর্গাপূজায় যেকোন নাশকতা ঠেকাতে আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন। বাংলাদেশে সার্বজনিন পুজা উদযাপন পরষদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে একথা বলেন কাদের।
ঢাকায় শারদীয় দুর্গোৎসব ১ অক্টোবর শুরু হবে অকাল বোধনের মধ্য দিয়ে। আর ষষ্ঠী পূজা দিয়ে শুরু হবে মূল আনুষ্ঠানিকতা। আগামী ৫ অক্টোবর বিজয়াদশমীর মধ্য দিয়ে শেষ হবে। মহানগরীতে অস্থায়ী মণ্ডপের প্রতিমা দশমির দিনেই বিসর্জন দিতে হবে। সকল মন্দির-মণ্ডপে স্বেচ্ছসেবকদের বড় আকারের আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়ে দায়িত্ব পালন, নারী-পুরুষ দর্শনার্থীদের আলাদা লাইনে চলাচল করতে হবে, কাউকে সন্দেহ হলে সঙ্গে সঙ্গে আইনশৃংঙ্খলা বাহিনীর সদস্যকে অবহিত করা ইত্যাদি ২১ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে কমিটির তরফে।

তপন কুমার সরকার
সর্বোপরি নির্ঝঞ্চাট পুজো উদযাপনে যা করনীয় তার সকল ব্যবস্থাই নেওয়া হয়েছে। সারাদেশে ৩২ হাজার ১৬৮টি মণ্ডপে পুজা উদযাপন হবে। কোন ধর্ম, সম্প্রদায় বা দেশ-কালের গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না। বিবেক বৈষম্য ও সাম্প্রদায়িক ভেদবুদ্ধি মানুষের তৈরি, যারা মূলত আসুরিক শক্তি।
মহানগর সার্বজনীন পুজা কমিটির শেরে বাংলা নগর থানার সেক্রেটারি তপন কুমান সরকার বলেন, প্রত্যেক ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ধর্মের সার্বজনীন ভাবকেই তুলে ধরা হয়। ধর্ম যার যার উৎসব সবার। এই স্লোগানকে সঙ্গী করে সকল জাতিধর্মের মানুষ এক ছাতার তলায় দাড়িয়ে দুর্গোৎসব পালন করতে চাই, এমন প্রত্যাশার কথাই শোনালেন তপন বাবু।




















