ঢাকা ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতের হারে ইতিহাসের চাবিকাঠি বাংলাদেশের হাতে তরুণদের কর্মসংস্থান ও বস্তিবাসীর পুনর্বাসনে কাজ করবে বিএনপি: তারেক রহমান ঢাকায় অনুষ্ঠিত এশিয়ার সর্ববৃহৎ সরস্বতী পূজা, ‘গ্রিনেসবুকে’ নাম লিখানোর উদ্যোগ রমজানের আগে বাজারে মূল্যচাপ, নিত্যপণ্যে ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী  নির্বাচন বানচালে দেশজুড়ে গুপ্ত হামলা চালাচ্ছে: মির্জা ফখরুল যুদ্ধ বন্ধে প্রথমবার ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসছে রাশিয়া, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা, তারপরও ভারতে ম্যাচ! আইসিসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ফারুকীর ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাবে না বাংলাদেশ আগামী নির্বাচনে ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৫ জন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে এশিয়ার সর্ববৃহৎ সরস্বতী পূজা, ‘গ্রিনেসবুকে’ উদ্যোগ

Akhaura-Agartala railway: আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ  নির্মাণ কাজের অগ্রগতিতে হতাশ রেলমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২২:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল ২০২২ ২৭৪ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আখাউড়া-আগরতলা নির্মাণাধীন রেলপথ পরিদর্শণে রেলপথমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকশিনার

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বর্তমানে পাঁচটি রেলসংযোগ চালু রয়েছে। ষষ্ঠ রেলসংযোগ চালুর অপেক্ষায় আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ। কিন্তু দফায় দফায় সময় বাড়িয়েও মাত্র ন’কিলোমিটার রেলপথের অ্যামব্যাংকমেন্ট নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়নি। চলতি বছরের জুন মাস নাগাদ সময় বেধে দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে কাজ শেষ না হলে বিকল্প ঠিকদার নিয়োগ সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

কারণ তিন দফা সময় বাড়ানোর পরও কাজের কোন গতি আসেনি আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ নির্মাণে। রেলস্টেশন শুরু করে অবকাঠামো নির্মাণে এখন হাত লাগানো হয়নি। বৃহস্পতিবার আখাউড়া-আগরতলা এবং আখাউড়া-লাকসাম ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনে এসে কাজের ধীর গতির কারণে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

এ সময় ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ৬ষ্ঠ রেলসংযোগের কাজ দ্রুত সম্পন্নর তাগিদ দেন। বলেন, এই রেলপথটি সম্পন্ন হলে উভয় দেশের মধ্যেই বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। ভারতীয় হাই কমিশনার বলেন, এটি একটি বড় প্রকল্প। দু’দেশের প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পটির অগ্রাধিকার দিয়েছেন। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী এ প্রকল্পটির বিষয়ে আমাকে ফোন করেছেন।


রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ প্রকল্পটি ভারতের আর্থিক সহায়তায় বাস্তবায়ন হচ্ছে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পটি উদ্বোধন করেছেন। এটি উভয় দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমরা উভয় দেশই খুব হতাশ।

ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে যদি আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ নির্মাণ কাজ থেমে যায়, তাহলে চুক্তিভঙ্গের অভিযোগ এনে নতুন ঠিকাদার নিয়োগ করা হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বলেছে, আগামী জুনের মধ্যে রেলট্রেক বসানোর কাজ শেষ করতে পারবে। সিগন্যালিং, স্টেশন বিল্ডিংসহ অন্যান্য কাজ শেষ করতে হয়তো আরও সময় লাগবে। প্রকল্প বিলম্ব হওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ঠিকাদার বলেছে করোনার কারণে কাজ শেষ হতে দেরি হচ্ছে। ৩০ জুন পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কাজটি শেষ করতে পারলে আমরা খুশি হবো।


ভারতের ত্রিপুরার রাজ্যের আগরতলার সঙ্গে রেল যোগাযোগের জন্য আখাউড়া থেকে আগরতলা পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করেন। রেলপথ নির্মাণে কাজ করছে ভারতের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইরকন।

বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রকের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদার, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (কাঠামো) কামরুল আহসান, আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কান্ট্রি ডিরেক্টর শারজ শার্মা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক শাহগীর আলম ও আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আক্তার প্রমুখ মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Akhaura-Agartala railway: আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ  নির্মাণ কাজের অগ্রগতিতে হতাশ রেলমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:২২:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল ২০২২

আখাউড়া-আগরতলা নির্মাণাধীন রেলপথ পরিদর্শণে রেলপথমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকশিনার

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বর্তমানে পাঁচটি রেলসংযোগ চালু রয়েছে। ষষ্ঠ রেলসংযোগ চালুর অপেক্ষায় আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ। কিন্তু দফায় দফায় সময় বাড়িয়েও মাত্র ন’কিলোমিটার রেলপথের অ্যামব্যাংকমেন্ট নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়নি। চলতি বছরের জুন মাস নাগাদ সময় বেধে দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে কাজ শেষ না হলে বিকল্প ঠিকদার নিয়োগ সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

কারণ তিন দফা সময় বাড়ানোর পরও কাজের কোন গতি আসেনি আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ নির্মাণে। রেলস্টেশন শুরু করে অবকাঠামো নির্মাণে এখন হাত লাগানো হয়নি। বৃহস্পতিবার আখাউড়া-আগরতলা এবং আখাউড়া-লাকসাম ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনে এসে কাজের ধীর গতির কারণে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

এ সময় ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ৬ষ্ঠ রেলসংযোগের কাজ দ্রুত সম্পন্নর তাগিদ দেন। বলেন, এই রেলপথটি সম্পন্ন হলে উভয় দেশের মধ্যেই বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। ভারতীয় হাই কমিশনার বলেন, এটি একটি বড় প্রকল্প। দু’দেশের প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পটির অগ্রাধিকার দিয়েছেন। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী এ প্রকল্পটির বিষয়ে আমাকে ফোন করেছেন।


রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ প্রকল্পটি ভারতের আর্থিক সহায়তায় বাস্তবায়ন হচ্ছে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পটি উদ্বোধন করেছেন। এটি উভয় দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমরা উভয় দেশই খুব হতাশ।

ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে যদি আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ নির্মাণ কাজ থেমে যায়, তাহলে চুক্তিভঙ্গের অভিযোগ এনে নতুন ঠিকাদার নিয়োগ করা হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বলেছে, আগামী জুনের মধ্যে রেলট্রেক বসানোর কাজ শেষ করতে পারবে। সিগন্যালিং, স্টেশন বিল্ডিংসহ অন্যান্য কাজ শেষ করতে হয়তো আরও সময় লাগবে। প্রকল্প বিলম্ব হওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ঠিকাদার বলেছে করোনার কারণে কাজ শেষ হতে দেরি হচ্ছে। ৩০ জুন পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কাজটি শেষ করতে পারলে আমরা খুশি হবো।


ভারতের ত্রিপুরার রাজ্যের আগরতলার সঙ্গে রেল যোগাযোগের জন্য আখাউড়া থেকে আগরতলা পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করেন। রেলপথ নির্মাণে কাজ করছে ভারতের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইরকন।

বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রকের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদার, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (কাঠামো) কামরুল আহসান, আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কান্ট্রি ডিরেক্টর শারজ শার্মা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক শাহগীর আলম ও আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আক্তার প্রমুখ মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।