ঢাকা ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
উদ্যোক্তা উজ্জল কুন্ডু কৃষিবাংলা সম্মাননা পেলেন জৈবসার যানজট কমাতে বৃত্তাকার সড়কের কাজ দ্রুত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শিশুশ্রম নিরসনে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতি গুরুত্বারোপ আইনপ্রণেতা ও বিশেষজ্ঞদের প্রধানমন্ত্রী বাসভবনের সৌরবিদ্যুৎ থেকে জাতীয় গ্রিডে ১২শ ইউনিট সরবরাহ শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী ট্রাম্পের সঙ্গে নৈশভোজের ছবি শেয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু হাসপাতালে ভর্তি ১,৬০৮ স্কুলে যাওয়ার বাধা দূর হলো তুবা-অয়ন মিত্রের থানা নির্বাহী কর্মকর্তার মানবিক উদ্যোগের নজির বন্যা ও জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারে ১০ দিনের আল্টিমেটাম ক্র্যাবের

১০ শতাংশের নিচে নামল শনাক্ত হার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৪:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২১ ৩৩৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশে প্রায় দেড় মাস পর করোনা শনাক্ত হার ১০ শতাংশের নিচে নামল। গত ২৪ ঘন্টায় শনাক্ত কমে ২ হাজার ৩৪১ নেমে এসেছে। ২৪ হাজার ৯২৮টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তর হার ৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ। একই সময়ে ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ তথ্য জানায়।

বুধবার করোনায় ৭৭ জনের মৃত্যু এবং ২ হাজার ৯৫৫ জন শনাক্ত হয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত বছরের মে মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে সংক্রমণ উর্ধমুখি ছিল। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত শনাক্তের হার ছিল ২০ শতাংশের ওপরে। তারপর শনাক্তের হার কমতে শুরু করে। গত জুন থেকে আগস্ট এই তিন মাস করোনার সংক্রমণ ছিল তীব্র।

এ পর্যন্ত ৭ লাখ ৫৬ হাজার ৯৫৫ জন আক্রান্ত হয়েছে। মারা গেছেন ১১ হাজার ৩৯৩ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৭৭ হাজার ১০১ জন।

মাঝে নভেম্বর-ডিসেম্বরে কিছুটা বাড়লেও বাকি সময় সংক্রমণ নিম্নমুখী ছিল। এ বছরের মার্চে শুরু হয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। প্রথম ঢেউয়ের চেয়ে এবার সংক্রমণ বেশি তীব্র। মাঝে কয়েক মাস ধরে শনাক্তের চেয়ে সুস্থতার হার বেশি হওয়ায় দেশে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা কমে আসে। কিন্তু মার্চ থেকে চিকিৎসাধীন শনাক্ত সংখ্যা উর্ধমুখি রূপ নেয়।

কোনো দেশে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঠিক করা কিছু নির্দেশক থেকে বোঝা যায়। তার একটি হলো রোগী শনাক্তের হার। টানা দুই সপ্তাহের বেশি রোগী শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলে ধরা যায়। এ বছর ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শনাক্তের হার ৩ শতাংশের নিচে ছিল। দুই মাস পর গত ১০ মার্চ থেকে দৈনিক শনাক্ত ফের হাজার ছাড়িয়ে যায়।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ২৯ মার্চ বেশ কিছু বিধিনিষেধসহ ১৮ দফা নির্দেশনা জারি করে সরকার। এর মধ্যে ঘরের বাইরে বেরুলে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক।

কিন্তু সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকলেও জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে এখনো উদাসীনতা লক্ষ করা যায়। সংক্রমণের লাগাম টানতে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মানার বিকল্প নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :