ঢাকা ১২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতের উদ্বেগকে গুরুত্ব দিচ্ছে না চীন তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী ঋণনির্ভর নয়, বাংলাদেশ বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির পথে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পথ বন্ধ বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার: ইনুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় দুপুরে জাপানিজ রক্ষণের দুর্ভেদ্য দেয়াল ভেঙে ব্রাজিলের জয়ের হাসি নকআউটের আগে আর্জেন্টিনার স্বস্তির খবর কর্ণফুলী নদীতে আবারও লাইটার জাহাজ ডুবি প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে বড় সাফল্য বাংলাদেশে ৯.২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহ ১১ চীনা প্রতিষ্ঠানের জামালপুর জিরো লাইনে ভারতীয়দের মাটি কাটার চেষ্টা, বাংলাদেশিদের বাধা মাদক পাচারে বদির জায়গা কে নিয়েছে? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে গয়েশ্বর রায়ের প্রশ্ন

আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পথ বন্ধ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:০৯:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে

আসলাম চৌধুরী

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম-৪ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন। এর ফলে তার নির্বাচনী ফলাফল আর প্রকাশ করা যাবে না এবং সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার সুযোগও থাকছে না।

এর আগে গত ১৫ জুন আপিল বিভাগের শুনানি শেষে রায়ের জন্য ৩০ জুন দিন ধার্য করা হয়েছিল। আদালতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আনোয়ার সিদ্দিকীর পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির। তাদের সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী। অন্যদিকে আসলাম চৌধুরীর পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী এবং ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।

ঋণখেলাপির অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন গত ১৮ জানুয়ারি আপিল শুনানির শেষ দিনে আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে। ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক রিট আবেদন করলে হাইকোর্ট তা খারিজ করে দেন। পরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আপিল বিভাগে গেলে একই সঙ্গে জামায়াতের প্রার্থী মো. আনোয়ার সিদ্দিকীও হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন।

গত ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে আসলাম চৌধুরীকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিলেও আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল প্রকাশে স্থগিতাদেশ দেন। পরবর্তীতে ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বেসরকারিভাবে বিজয়ী হলেও আদালতের নির্দেশে ফলাফল প্রকাশিত হয়নি। সর্বশেষ আপিল বিভাগের রায়ে তার প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশ এবং সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সব সাংবিধানিক সুযোগের অবসান ঘটল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পথ বন্ধ

আপডেট সময় : ১০:০৯:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

চট্টগ্রাম-৪ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন। এর ফলে তার নির্বাচনী ফলাফল আর প্রকাশ করা যাবে না এবং সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার সুযোগও থাকছে না।

এর আগে গত ১৫ জুন আপিল বিভাগের শুনানি শেষে রায়ের জন্য ৩০ জুন দিন ধার্য করা হয়েছিল। আদালতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আনোয়ার সিদ্দিকীর পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির। তাদের সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী। অন্যদিকে আসলাম চৌধুরীর পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী এবং ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।

ঋণখেলাপির অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন গত ১৮ জানুয়ারি আপিল শুনানির শেষ দিনে আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে। ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক রিট আবেদন করলে হাইকোর্ট তা খারিজ করে দেন। পরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আপিল বিভাগে গেলে একই সঙ্গে জামায়াতের প্রার্থী মো. আনোয়ার সিদ্দিকীও হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন।

গত ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে আসলাম চৌধুরীকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিলেও আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল প্রকাশে স্থগিতাদেশ দেন। পরবর্তীতে ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বেসরকারিভাবে বিজয়ী হলেও আদালতের নির্দেশে ফলাফল প্রকাশিত হয়নি। সর্বশেষ আপিল বিভাগের রায়ে তার প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশ এবং সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সব সাংবিধানিক সুযোগের অবসান ঘটল।