বিএনপির জবাবদিহিতা জনগণের কাছে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নয় : রুমিন ফারহানা
- আপডেট সময় : ০৮:৩৩:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬ ৪৩ বার পড়া হয়েছে
বিএনপির জবাবদিহিতা দেশের জনগণের কাছে, কোনো বিদেশি শক্তির কাছে নয় বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ও বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক নেত্রী রুমিন ফারহানা।
শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি সরকারের তিন মাস : প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিষদ।
অনুষ্ঠানে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, পানি বণ্টন এবং অর্থনৈতিক চুক্তি নিয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন রুমিন ফারহানা।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ চুক্তিগুলোর একটি।
তার দাবি, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি করার আগে জাতীয় সংসদে ব্যাপক আলোচনা হওয়া প্রয়োজন ছিল। জাতীয় ঐকমত্য ছাড়া এমন সিদ্ধান্ত দেশের স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রুমিন ফারহানা মনে করেন, দেশের সার্বভৌম স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজন হলে ওই চুক্তি থেকে সরে আসার বিষয়েও আলোচনা হওয়া উচিত।
রাজনৈতিক প্রসঙ্গে তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তারেক রহমান একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে সক্ষম হবেন।
দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পারস্পরিক সহনশীলতা ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ তৈরির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
এ সময় পানি বণ্টন ইস্যুতেও গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই গঙ্গার পানি চুক্তি সম্পন্ন করা জরুরি। পাশাপাশি পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পকে ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে তিস্তা পানি ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেন।
তার মতে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন ৫৪টি নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার বিকল্প নেই।
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সমতা ও ন্যায্য অধিকারের ভিত্তিতে দুই দেশের অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধান হওয়া উচিত। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উত্থানের পর কিছু মহল উস্কানিমূলক পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তবে এসব উস্কানিতে পা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে রুমিন বলেন, উত্তেজনা বাড়লে শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশই। তাই কূটনৈতিক সংযম ও বাস্তবভিত্তিক আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে হবে।



















