ঢাকা ০২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদ কমপ্লেক্সে হামলায় নিহত ৩, দুই হামলাকারীর দেহ উদ্ধার পাকিস্তানে হামলার দুঃসাহস দেখালে ভারতের মানচিত্রই বদলে যাবে: ইসলামাবাদ হবিগঞ্জে জাল কাস্টমস নথিসহ কোটি টাকার ভারতীয় জিরা জব্দ, আটক ২ সিলেটের  সোনারহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলি, পাল্টা জবাব বিজিবির রাজনৈতিক ব্যবহারের অবসান চায় সরকার, আসছে নতুন এলিট ফোর্স রাতে মদের আসরে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, সকালে ধৃত ৩ ধর্ষক ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এডিপির আকার নির্ধারণ ৩ লাখ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী পালনে বিএনপির ৮ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের  হত্যার ফরমান নিয়ে দিনযাপন করছেন, জুলাই যোদ্ধা আমিরুল সীমান্তে অবৈধ গবাদিপশু প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবিকে কঠোর নজরদারির নির্দেশ

যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদ কমপ্লেক্সে হামলায় নিহত ৩, দুই হামলাকারীর দেহ উদ্ধার

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৪১:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদ কমপ্লেক্সে হামলায় নিহত ৩, দুই হামলাকারীর মরদেহ উদ্ধার

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ডিয়েগো শহরে একটি ইসলামিক কেন্দ্র ও ইসলামিক স্কুলে বন্দুক হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি ঘৃণাজনিত অপরাধ হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। হামলার পর দুই বন্দুকধারীকেও মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

সোমবার স্থানীয় সময় দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার ইসলামিক সেন্টার অব সান ডিয়েগোতে (আইসিএসডি) এই হামলার ঘটনা ঘটে।

সান ডিয়েগো পুলিশের প্রধান স্কট ওয়াল বলেন, ইসলামিক কেন্দ্রের অবস্থান বিবেচনায় আমরা এটিকে ঘৃণাজনিত অপরাধ হিসেবেই দেখছি, যতক্ষণ না ভিন্ন কিছু প্রমাণ পাওয়া যায়।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারী দুজনই পুরুষ এবং তাদের বয়স আনুমানিক ১৭ ও ১৯ বছর। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, তারা আত্মঘাতী গুলিতে মারা গেছে।

নিহত তিনজনই প্রাপ্তবয়স্ক। তাদের একজন ইসলামিক কেন্দ্রটির নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, ওই নিরাপত্তারক্ষীর দ্রুত পদক্ষেপের কারণে আরও বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। ইসলামিক স্কুলে থাকা শিশুরা শারীরিকভাবে অক্ষত রয়েছে।

ঘটনার পর পুলিশ প্রথমে ‘অ্যাকটিভ শুটার’ সতর্কতা জারি করলেও পরে জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। হামলার পেছনের উদ্দেশ্য ও ঘটনার পূর্ণ প্রেক্ষাপট জানতে তদন্ত চলছে।

মসজিদের ইমাম তাহা হাসানে বলেন, এই ইসলামিক কেন্দ্রটি মুসলিম ও অমুসলিম সবার জন্য প্রার্থনা, শিক্ষা ও মিলনের জায়গা। উপাসনালয়ে হামলাকে তিনি অত্যন্ত নিন্দনীয় বলে উল্লেখ করেন।

সান ডিয়েগোর মেয়র টড গ্লোরিয়া বলেন, শহরে ঘৃণার কোনো স্থান নেই। মুসলিম সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার পর নিউইয়র্ক পুলিশও সতর্কতামূলকভাবে শহরের মসজিদগুলোতে নিরাপত্তা জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে।

এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ঘটনার বিষয়ে অবহিত হয়েছেন এবং এটিকে ‘ভয়াবহ’ বলে মন্তব্য করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামবিদ্বেষ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ার প্রেক্ষাপটে এই হামলা নতুন করে শঙ্কা তৈরি করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদ কমপ্লেক্সে হামলায় নিহত ৩, দুই হামলাকারীর দেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ১১:৪১:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ডিয়েগো শহরে একটি ইসলামিক কেন্দ্র ও ইসলামিক স্কুলে বন্দুক হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি ঘৃণাজনিত অপরাধ হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। হামলার পর দুই বন্দুকধারীকেও মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

সোমবার স্থানীয় সময় দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার ইসলামিক সেন্টার অব সান ডিয়েগোতে (আইসিএসডি) এই হামলার ঘটনা ঘটে।

সান ডিয়েগো পুলিশের প্রধান স্কট ওয়াল বলেন, ইসলামিক কেন্দ্রের অবস্থান বিবেচনায় আমরা এটিকে ঘৃণাজনিত অপরাধ হিসেবেই দেখছি, যতক্ষণ না ভিন্ন কিছু প্রমাণ পাওয়া যায়।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারী দুজনই পুরুষ এবং তাদের বয়স আনুমানিক ১৭ ও ১৯ বছর। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, তারা আত্মঘাতী গুলিতে মারা গেছে।

নিহত তিনজনই প্রাপ্তবয়স্ক। তাদের একজন ইসলামিক কেন্দ্রটির নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, ওই নিরাপত্তারক্ষীর দ্রুত পদক্ষেপের কারণে আরও বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। ইসলামিক স্কুলে থাকা শিশুরা শারীরিকভাবে অক্ষত রয়েছে।

ঘটনার পর পুলিশ প্রথমে ‘অ্যাকটিভ শুটার’ সতর্কতা জারি করলেও পরে জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। হামলার পেছনের উদ্দেশ্য ও ঘটনার পূর্ণ প্রেক্ষাপট জানতে তদন্ত চলছে।

মসজিদের ইমাম তাহা হাসানে বলেন, এই ইসলামিক কেন্দ্রটি মুসলিম ও অমুসলিম সবার জন্য প্রার্থনা, শিক্ষা ও মিলনের জায়গা। উপাসনালয়ে হামলাকে তিনি অত্যন্ত নিন্দনীয় বলে উল্লেখ করেন।

সান ডিয়েগোর মেয়র টড গ্লোরিয়া বলেন, শহরে ঘৃণার কোনো স্থান নেই। মুসলিম সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার পর নিউইয়র্ক পুলিশও সতর্কতামূলকভাবে শহরের মসজিদগুলোতে নিরাপত্তা জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে।

এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ঘটনার বিষয়ে অবহিত হয়েছেন এবং এটিকে ‘ভয়াবহ’ বলে মন্তব্য করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামবিদ্বেষ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ার প্রেক্ষাপটে এই হামলা নতুন করে শঙ্কা তৈরি করেছে।