ঢাকা ০৭:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইডের নির্দেশনা অমান্য বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই পর্যটক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন স্বস্তির আভাস তবুও কাটেনি শঙ্কা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা

২০২৬-২৭ অর্থবছরে এডিপির আকার নির্ধারণ ৩ লাখ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৯:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬ ১১৮ বার পড়া হয়েছে

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ কোটি টাকা।

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় এই বরাদ্দ অনুমোদন দেওয়া হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরের এডিপিতে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও বিদেশি অর্থায়ন থেকে আসবে ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা।

সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে গতি বাড়ানো এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। এজন্য প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

সভায় দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।

সরকার মনে করছে, বড় আকারের এডিপি বাস্তবায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং অর্থনীতিতে গতি ফিরে আসবে।

বিশেষ করে চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উন্নয়ন ব্যয় বাড়ানোকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ ধীরে ধীরে বিশ্বের কাছে বিনিয়োগের নিরাপদ গন্তব্যে পরিণত হচ্ছে।

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।

তাই সরকার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বিভিন্ন নীতিগত সহায়তা ও সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, ৩ লাখ কোটি টাকার এডিপি বাস্তবায়ন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলেও সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা গেলে এটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতি ও অপচয় রোধ করা গেলে জনগণ সরাসরি উন্নয়নের সুফল পাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

২০২৬-২৭ অর্থবছরে এডিপির আকার নির্ধারণ ৩ লাখ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৩৯:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ কোটি টাকা।

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় এই বরাদ্দ অনুমোদন দেওয়া হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরের এডিপিতে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও বিদেশি অর্থায়ন থেকে আসবে ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা।

সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে গতি বাড়ানো এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। এজন্য প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

সভায় দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।

সরকার মনে করছে, বড় আকারের এডিপি বাস্তবায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং অর্থনীতিতে গতি ফিরে আসবে।

বিশেষ করে চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উন্নয়ন ব্যয় বাড়ানোকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ ধীরে ধীরে বিশ্বের কাছে বিনিয়োগের নিরাপদ গন্তব্যে পরিণত হচ্ছে।

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।

তাই সরকার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বিভিন্ন নীতিগত সহায়তা ও সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, ৩ লাখ কোটি টাকার এডিপি বাস্তবায়ন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলেও সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা গেলে এটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতি ও অপচয় রোধ করা গেলে জনগণ সরাসরি উন্নয়নের সুফল পাবে।