ঢাকা ০৫:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
১৬ দিনে ৯৫ থেকে ২১০ টাকা: এবার আদার বাজারে সিন্ডিকেটের থাবা শি-ট্রাম্প বৈঠকে নতুন কূটনৈতিক বার্তা, ‘ঐতিহাসিক ও ফলপ্রসূ’ বলছে চীন ফারাক্কা ইস্যুর সমাধানেই বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ কুমিল্লাকে বিভাগ করার ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষ ও জালিয়াতির অভিযোগে চাপে আদানি পরিবার, মার্কিন মামলায় কোটি ডলারের সমঝোতা শস্যভান্ডার রংপুর কৃষিভিত্তিক শিল্পই হতে পারে উন্নয়নের নতুন পথ বাড়ল পেট্রোল-ডিজেলের দাম, কূটনীতিতেও কোণঠাসা ভারত জ্বালানি সহযোগিতায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা সই শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ‘খুবই সফল’ বৈঠক শেষে বেইজিং ছাড়লেন ট্রাম্প ভারতীয় হাই কমিশনের আয়োজনে ঢাকায় রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন

ঘুষ ও জালিয়াতির অভিযোগে চাপে আদানি পরিবার, মার্কিন মামলায় কোটি ডলারের সমঝোতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৯:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে

ভারতের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী আদানি গ্রুপকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে চলমান জালিয়াতি ও ঘুষ–সংক্রান্ত মামলার নাটকীয় মোড় আন্তর্জাতিক ব্যবসা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী আদানি গ্রুপকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে চলমান জালিয়াতি ও ঘুষ–সংক্রান্ত মামলার নাটকীয় মোড় আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মার্কিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) দায়ের করা দেওয়ানি মামলার নিষ্পত্তিতে ভারতীয় ধনকুবের গৌতম আদানি ও তার ভাতিজা সাগর আদানি যৌথভাবে ১ কোটি ৮০ লাখ ডলার জরিমানা দিতে সম্মত হয়েছেন বলে জানা গেছে। যদিও এই সমঝোতা এখনও মার্কিন আদালতের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, তবু খবরটি প্রকাশের পর ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র—উভয় দেশের শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

মামলার সূত্রপাত ২০২৪ সালে, যখন মার্কিন নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি আদানি পরিবারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনে। অভিযোগে বলা হয়, ভারতের একটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পে সুবিধা পেতে ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের সময় কোম্পানিটি নিজেদের ঘুষবিরোধী নীতিমালা ও করপোরেট সুশাসন সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করেছে। এসইসির দাবি ছিল, আদানি গ্রুপ তাদের ব্যবসা পরিচালনায় দুর্নীতিবিরোধী নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করে—এমন ধারণা দিয়ে বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করেছে।

মার্কিন তদন্তকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আদানি গ্রুপ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে প্রায় ৭৫ কোটি ডলার সংগ্রহ করেছিল। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ১৭ কোটি ডলার এসেছিল মার্কিন বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে। তদন্তে অভিযোগ করা হয়, এই তহবিল সংগ্রহের সময় কোম্পানির অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম ও ঘুষবিরোধী চর্চা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করা হয়েছিল। তবে শুরু থেকেই আদানি গ্রুপ এসব অভিযোগকে “ভিত্তিহীন” ও “উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে দাবি করে আসছে।

সমঝোতার গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—গৌতম আদানি ও সাগর আদানিকে কোনো অপরাধ স্বীকার করতে হচ্ছে না। আবার তারা অভিযোগ অস্বীকারও করছেন না। তবে ভবিষ্যতে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটিজ আইন, বিশেষ করে বিনিয়োগকারী প্রতারণা, শেয়ারবাজারে কারসাজি ও আর্থিক জালিয়াতি–সংক্রান্ত বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করবেন না—এমন প্রতিশ্রুতিতে আবদ্ধ থাকবেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সমঝোতা আদানি গ্রুপের জন্য বড় ধরনের স্বস্তি এনে দিতে পারে। কারণ গত কয়েক বছরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অভিযোগ ও তদন্তের কারণে গ্রুপটির বাজারমূল্য ব্যাপক ওঠানামার মুখে পড়ে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আস্থায় ধাক্কা লাগে। সাম্প্রতিক সমঝোতার খবরে আদানি গ্রুপের শেয়ারের দাম বৃদ্ধিকে বিনিয়োগকারীদের আস্থার আংশিক প্রত্যাবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার মন্ত্রণালয়ও গৌতম আদানির বিরুদ্ধে আনা ফৌজদারি জালিয়াতির অভিযোগ প্রত্যাহারের পথে রয়েছে বলে নিউ ইয়র্ক টাইমস, রয়টার্স ও ব্লুমবার্গ পৃথক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, আদানি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী আইনজীবী রবার্ট জে জিফ্রা জুনিয়র–এর নেতৃত্বে নতুন আইনজীবী দল নিয়োগ দেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর ঘনিষ্ঠ আইন উপদেষ্টাদের একজন হিসেবেও পরিচিত।

জানা গেছে, জিফ্রা গত মাসে মার্কিন বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং আদানির বিরুদ্ধে মামলার বিভিন্ন দিক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি যুক্তি দেন, মামলা প্রত্যাহার করা হলে আদানি গ্রুপ যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে, যার মাধ্যমে অন্তত ১৫ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে। ট্রাম্প ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর আদানি এই বিনিয়োগ পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের সময় বিদেশি ঘুষ ও করপোরেট দুর্নীতি–সংক্রান্ত মামলায় তুলনামূলক নমনীয় অবস্থান গ্রহণের যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, আদানির মামলার সম্ভাব্য নিষ্পত্তিও তারই অংশ হতে পারে। যদিও এ বিষয়ে মার্কিন বিচার বিভাগ বা আদানি গ্রুপ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি, তবুও ঘটনাটি আন্তর্জাতিক করপোরেট ও রাজনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের একজন গৌতম আদানির সম্পদের পরিমাণ ফোর্বসের তথ্যমতে প্রায় ৮ হাজার ২০০ কোটি ডলার। জ্বালানি, বন্দর, বিমানবন্দর, খনি, অবকাঠামো ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি—বিভিন্ন খাতে বিস্তৃত আদানি গ্রুপ ভারতের অর্থনীতিতে অত্যন্ত প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছে। ফলে এই মামলার ফলাফল শুধু একটি করপোরেট প্রতিষ্ঠানের জন্য নয়, বরং ভারত–যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যিক সম্পর্ক এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ পরিবেশের ক্ষেত্রেও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঘুষ ও জালিয়াতির অভিযোগে চাপে আদানি পরিবার, মার্কিন মামলায় কোটি ডলারের সমঝোতা

আপডেট সময় : ০৩:১৯:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

ভারতের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী আদানি গ্রুপকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে চলমান জালিয়াতি ও ঘুষ–সংক্রান্ত মামলার নাটকীয় মোড় আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মার্কিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) দায়ের করা দেওয়ানি মামলার নিষ্পত্তিতে ভারতীয় ধনকুবের গৌতম আদানি ও তার ভাতিজা সাগর আদানি যৌথভাবে ১ কোটি ৮০ লাখ ডলার জরিমানা দিতে সম্মত হয়েছেন বলে জানা গেছে। যদিও এই সমঝোতা এখনও মার্কিন আদালতের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, তবু খবরটি প্রকাশের পর ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র—উভয় দেশের শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

মামলার সূত্রপাত ২০২৪ সালে, যখন মার্কিন নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি আদানি পরিবারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনে। অভিযোগে বলা হয়, ভারতের একটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পে সুবিধা পেতে ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের সময় কোম্পানিটি নিজেদের ঘুষবিরোধী নীতিমালা ও করপোরেট সুশাসন সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করেছে। এসইসির দাবি ছিল, আদানি গ্রুপ তাদের ব্যবসা পরিচালনায় দুর্নীতিবিরোধী নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করে—এমন ধারণা দিয়ে বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করেছে।

মার্কিন তদন্তকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আদানি গ্রুপ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে প্রায় ৭৫ কোটি ডলার সংগ্রহ করেছিল। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ১৭ কোটি ডলার এসেছিল মার্কিন বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে। তদন্তে অভিযোগ করা হয়, এই তহবিল সংগ্রহের সময় কোম্পানির অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম ও ঘুষবিরোধী চর্চা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করা হয়েছিল। তবে শুরু থেকেই আদানি গ্রুপ এসব অভিযোগকে “ভিত্তিহীন” ও “উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে দাবি করে আসছে।

সমঝোতার গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—গৌতম আদানি ও সাগর আদানিকে কোনো অপরাধ স্বীকার করতে হচ্ছে না। আবার তারা অভিযোগ অস্বীকারও করছেন না। তবে ভবিষ্যতে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটিজ আইন, বিশেষ করে বিনিয়োগকারী প্রতারণা, শেয়ারবাজারে কারসাজি ও আর্থিক জালিয়াতি–সংক্রান্ত বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করবেন না—এমন প্রতিশ্রুতিতে আবদ্ধ থাকবেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সমঝোতা আদানি গ্রুপের জন্য বড় ধরনের স্বস্তি এনে দিতে পারে। কারণ গত কয়েক বছরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অভিযোগ ও তদন্তের কারণে গ্রুপটির বাজারমূল্য ব্যাপক ওঠানামার মুখে পড়ে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আস্থায় ধাক্কা লাগে। সাম্প্রতিক সমঝোতার খবরে আদানি গ্রুপের শেয়ারের দাম বৃদ্ধিকে বিনিয়োগকারীদের আস্থার আংশিক প্রত্যাবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার মন্ত্রণালয়ও গৌতম আদানির বিরুদ্ধে আনা ফৌজদারি জালিয়াতির অভিযোগ প্রত্যাহারের পথে রয়েছে বলে নিউ ইয়র্ক টাইমস, রয়টার্স ও ব্লুমবার্গ পৃথক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, আদানি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী আইনজীবী রবার্ট জে জিফ্রা জুনিয়র–এর নেতৃত্বে নতুন আইনজীবী দল নিয়োগ দেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর ঘনিষ্ঠ আইন উপদেষ্টাদের একজন হিসেবেও পরিচিত।

জানা গেছে, জিফ্রা গত মাসে মার্কিন বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং আদানির বিরুদ্ধে মামলার বিভিন্ন দিক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি যুক্তি দেন, মামলা প্রত্যাহার করা হলে আদানি গ্রুপ যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে, যার মাধ্যমে অন্তত ১৫ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে। ট্রাম্প ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর আদানি এই বিনিয়োগ পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের সময় বিদেশি ঘুষ ও করপোরেট দুর্নীতি–সংক্রান্ত মামলায় তুলনামূলক নমনীয় অবস্থান গ্রহণের যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, আদানির মামলার সম্ভাব্য নিষ্পত্তিও তারই অংশ হতে পারে। যদিও এ বিষয়ে মার্কিন বিচার বিভাগ বা আদানি গ্রুপ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি, তবুও ঘটনাটি আন্তর্জাতিক করপোরেট ও রাজনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের একজন গৌতম আদানির সম্পদের পরিমাণ ফোর্বসের তথ্যমতে প্রায় ৮ হাজার ২০০ কোটি ডলার। জ্বালানি, বন্দর, বিমানবন্দর, খনি, অবকাঠামো ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি—বিভিন্ন খাতে বিস্তৃত আদানি গ্রুপ ভারতের অর্থনীতিতে অত্যন্ত প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছে। ফলে এই মামলার ফলাফল শুধু একটি করপোরেট প্রতিষ্ঠানের জন্য নয়, বরং ভারত–যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যিক সম্পর্ক এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ পরিবেশের ক্ষেত্রেও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা।