ঢাকা ০৬:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এক বছরে ১০.৬৩ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি তেল আমদানি মায়ের ছোট্ট অনুরোধে ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রে শিশুদের ‘খেলা ঘর’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা কক্মাসবাজার তারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধার মৃত্যু এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাস ৬২.২৫ শতাংশ নদী মরছে, বিপন্ন হচ্ছে নগরসভ্যতা থেমে গেছে প্রতিদিনের হাঁটা ১১ পলিথিনে খন্ডিত মরদেহ মেলেনি মাথা-পা বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত প্রধানমন্ত্রীর উপহার সিএনজি-রিকশা পেলেন জুলাইযোদ্ধারা

প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে উদ্ভাবনের দৃষ্টান্ত, ওয়াকিমুলের স্মার্ট কারে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৩৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬ ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে উদ্ভাবনের দৃষ্টান্ত, ওয়াকিমুলের স্মার্ট কারে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শারীরিক সীমাবদ্ধতা যে মেধা, স্বপ্ন অদম্য ইচ্ছাশক্তির কাছে কখনোই বাধা হতে পারে না, তারই অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন তরুণ উদ্ভাবক ওয়াকিমুল ইসলাম। নিজের হাতে তৈরি বিশেষ স্মার্ট কারে চড়ে তার উদ্ভাবনী প্রচেষ্টাকে উৎসাহ স্বীকৃতি দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শনিবার ( মে) রাজধানীর তেজগাঁও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঘটে ব্যতিক্রমী ঘটনা। সেদিন প্রতিবন্ধী কলেজছাত্র ওয়াকিমুলকে তার উদ্ভাবিত গাড়িসহ কার্যালয়ে আমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, স্মার্ট কারটির চালকের আসনে বসে আছেন ওয়াকিমুল নিজেই, আর তার পাশের আসনে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী। গাড়িতে বসেই হাসিমুখে তরুণ উদ্ভাবকের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী গাড়িটি তৈরির পুরো প্রক্রিয়া, প্রযুক্তিগত দিক এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান। পাশাপাশি গাড়িটির উন্নয়ন, নির্মাণকাজে থাকা সীমাবদ্ধতা এবং সেসব কাটিয়ে ওঠার উপায় নিয়েও দীর্ঘ আলোচনা করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ওয়াকিমুল জানান, তার উদ্ভাবিত স্মার্ট কারটির কাজ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে এটি আরও আধুনিক ব্যবহারবান্ধব করার স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

সময় ওয়াকিমুলের বাবাও উপস্থিত ছিলেন। ছেলের এমন অর্জনের দিনে দেশের সরকারপ্রধানের কাছ থেকে সরাসরি উৎসাহ স্বীকৃতি পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তরুণ উদ্ভাবকদের পাশে রাষ্ট্রের এমন ইতিবাচক অবস্থান শুধু অনুপ্রেরণাই নয়, বরং ভবিষ্যতের উদ্ভাবননির্ভর বাংলাদেশ গঠনের পথও আরও সুদৃঢ় করবে।

ওয়াকিমুলের গল্প তাই শুধু একজন প্রতিবন্ধী তরুণের সাফল্যের গল্প নয়; এটি সাহস, আত্মবিশ্বাস সম্ভাবনার এক অনন্য প্রতিচ্ছবি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে উদ্ভাবনের দৃষ্টান্ত, ওয়াকিমুলের স্মার্ট কারে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:৩৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

শারীরিক সীমাবদ্ধতা যে মেধা, স্বপ্ন অদম্য ইচ্ছাশক্তির কাছে কখনোই বাধা হতে পারে না, তারই অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন তরুণ উদ্ভাবক ওয়াকিমুল ইসলাম। নিজের হাতে তৈরি বিশেষ স্মার্ট কারে চড়ে তার উদ্ভাবনী প্রচেষ্টাকে উৎসাহ স্বীকৃতি দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শনিবার ( মে) রাজধানীর তেজগাঁও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঘটে ব্যতিক্রমী ঘটনা। সেদিন প্রতিবন্ধী কলেজছাত্র ওয়াকিমুলকে তার উদ্ভাবিত গাড়িসহ কার্যালয়ে আমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, স্মার্ট কারটির চালকের আসনে বসে আছেন ওয়াকিমুল নিজেই, আর তার পাশের আসনে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী। গাড়িতে বসেই হাসিমুখে তরুণ উদ্ভাবকের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী গাড়িটি তৈরির পুরো প্রক্রিয়া, প্রযুক্তিগত দিক এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান। পাশাপাশি গাড়িটির উন্নয়ন, নির্মাণকাজে থাকা সীমাবদ্ধতা এবং সেসব কাটিয়ে ওঠার উপায় নিয়েও দীর্ঘ আলোচনা করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ওয়াকিমুল জানান, তার উদ্ভাবিত স্মার্ট কারটির কাজ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে এটি আরও আধুনিক ব্যবহারবান্ধব করার স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

সময় ওয়াকিমুলের বাবাও উপস্থিত ছিলেন। ছেলের এমন অর্জনের দিনে দেশের সরকারপ্রধানের কাছ থেকে সরাসরি উৎসাহ স্বীকৃতি পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তরুণ উদ্ভাবকদের পাশে রাষ্ট্রের এমন ইতিবাচক অবস্থান শুধু অনুপ্রেরণাই নয়, বরং ভবিষ্যতের উদ্ভাবননির্ভর বাংলাদেশ গঠনের পথও আরও সুদৃঢ় করবে।

ওয়াকিমুলের গল্প তাই শুধু একজন প্রতিবন্ধী তরুণের সাফল্যের গল্প নয়; এটি সাহস, আত্মবিশ্বাস সম্ভাবনার এক অনন্য প্রতিচ্ছবি।